০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

আদমদীঘিতে গর্ভকালীন সেবা কার্ড প্রদানে ২০০ করে ঘুষ নেয়ায় তোলপাড়

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১১:৩৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদরের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা শাখায় গর্ভকালীন সেবা কার্ড প্রদানের নামে প্রতি জনের কাছ থেকে ২০০ শত টাকা করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে কর্মরত নূরুল হুদার বিরুদ্ধে। গত রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা শাখা অফিসে এ ঘটনায় এলাকাল তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

সরজমিন গিয়ে জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা শাখায় অতিরিক্ত দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী নূরুল হুদা গর্ভকালীন সেবা গ্রহণকারীর নিকট থেকে ২০০ টাকা করে গ্রহণ করেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীদের তথ্য মোতাবেক হাতে নাতে ধরা পড়ে সেখানে অতিরিক্ত দায়িত্বরত হিসাবে কর্মরত নূরুল হুদা। উক্ত নূরুল হুদা আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষারিক পদে কর্মরত তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী। ওই বিভাগের মেডিকেল অফিসার ছাড়া কিভাবে একজন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী সেবা কার্ডে সিল সহি প্রদান করেন এ নিয়ে ঘটনাস্থলে ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। এমনকি তার ব্যবহৃত সিলে লক্ষ্য করা যায় তিনি পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা হিসাবে অতিরিক্ত পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এ সময় বহিরাগত বায়োফার্মার প্রতিনিধি জনৈক রাজু আহম্মেদকে দিয়ে কার্ড লিখে নেয়।
এব্যাপারে কার্ড গ্রহণ করতে আসা লুৎফুন নেছা জানান, কার্ড নেয়ার সময় এর আগে কখনো টাকা গ্রহণ করা না হলেও এখন টাকা ছাড়া কার্ড দিচ্ছেন না এবং তিনি টাকার কথা বাহিরে কাউকে না বলতে বলেছেন।
এব্যাপারে ওই শাখায় কর্মরত মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহবুব রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত আছি। আদমদীঘিতে সপ্তাহে একদিন মঙ্গলবারে যাই। আমার অফিস স্টাফকে সেবা কার্ড প্রদানে অনুমতি দিয়েছি। কিন্তু তারা প্রতিজনের নিকট থেকে ২০০ টাকা করে নিয়েছে তা ব্যাপারে আমার কিছু জানা নাই। তবে ঘটনা সত্য হলে আমি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
এ ঘটনায় হাসপাতালের পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ ফজলে রাব্বী বলেন, আদমদীঘি হাসপাতাল হলেও পরিবার পরিকল্পনা শাখা আমার তত্ত্বাবধানের বাহিরে। আমি এব্যাপারে কিছু বলতে পারবো না।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

দুপচাঁচিয়ায় ১মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মাদক উদ্ধার

আদমদীঘিতে গর্ভকালীন সেবা কার্ড প্রদানে ২০০ করে ঘুষ নেয়ায় তোলপাড়

প্রকাশিত: ১১:৩৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদরের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা শাখায় গর্ভকালীন সেবা কার্ড প্রদানের নামে প্রতি জনের কাছ থেকে ২০০ শত টাকা করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে কর্মরত নূরুল হুদার বিরুদ্ধে। গত রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা শাখা অফিসে এ ঘটনায় এলাকাল তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

সরজমিন গিয়ে জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা শাখায় অতিরিক্ত দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী নূরুল হুদা গর্ভকালীন সেবা গ্রহণকারীর নিকট থেকে ২০০ টাকা করে গ্রহণ করেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীদের তথ্য মোতাবেক হাতে নাতে ধরা পড়ে সেখানে অতিরিক্ত দায়িত্বরত হিসাবে কর্মরত নূরুল হুদা। উক্ত নূরুল হুদা আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষারিক পদে কর্মরত তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী। ওই বিভাগের মেডিকেল অফিসার ছাড়া কিভাবে একজন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী সেবা কার্ডে সিল সহি প্রদান করেন এ নিয়ে ঘটনাস্থলে ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। এমনকি তার ব্যবহৃত সিলে লক্ষ্য করা যায় তিনি পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা হিসাবে অতিরিক্ত পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এ সময় বহিরাগত বায়োফার্মার প্রতিনিধি জনৈক রাজু আহম্মেদকে দিয়ে কার্ড লিখে নেয়।
এব্যাপারে কার্ড গ্রহণ করতে আসা লুৎফুন নেছা জানান, কার্ড নেয়ার সময় এর আগে কখনো টাকা গ্রহণ করা না হলেও এখন টাকা ছাড়া কার্ড দিচ্ছেন না এবং তিনি টাকার কথা বাহিরে কাউকে না বলতে বলেছেন।
এব্যাপারে ওই শাখায় কর্মরত মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহবুব রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত আছি। আদমদীঘিতে সপ্তাহে একদিন মঙ্গলবারে যাই। আমার অফিস স্টাফকে সেবা কার্ড প্রদানে অনুমতি দিয়েছি। কিন্তু তারা প্রতিজনের নিকট থেকে ২০০ টাকা করে নিয়েছে তা ব্যাপারে আমার কিছু জানা নাই। তবে ঘটনা সত্য হলে আমি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
এ ঘটনায় হাসপাতালের পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ ফজলে রাব্বী বলেন, আদমদীঘি হাসপাতাল হলেও পরিবার পরিকল্পনা শাখা আমার তত্ত্বাবধানের বাহিরে। আমি এব্যাপারে কিছু বলতে পারবো না।