১২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

সান্তাহারে দুই পুকুরের মাঝে নান্দনিক সড়ক

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৬:২৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

আদমদীঘি(বগুড়া)প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার জংশন ষ্ট্রেশন এলাকায় দুই পৃকুরের মাঝখানে নান্দনিক সড়ক তৈরী হওয়ায় মনোমুগ্ধকর,সৌন্দর্যময়,নান্দনিকতায় এলাকার মানুষের মনে এক আনন্দঘর পরিবেশ সৃষ্ঠি হয়েছে। প্রতি দিন শত শত পথচারী এই নান্দনিক সড়ক দিয়ে সাহেবপাড়া,চা -বাগান,জংশন ষ্ট্রেশন প্লার্টফর্মে যাতাযাত করে। প্রায় ২৩ মিটার প্রসস্ত সড়কটিতে দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে কয়েকটি পাকা স্থান। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অনেক দর্শনার্থী, তরুন-তরনীর পদচারণায় মূখরিত হয়ে উঠে নান্দনিক এই সড়কটি। সড়কটি পূর্ব পাশে রয়েছে কৃষ্ণচুড়া গাছ। আর পুকুরের এক পাশে রয়েছে পদ্মফুল। রেলওয়ে জংশন ষ্ট্রেশনের পাশে এই নান্দনিক সড়ক হওয়ায় অনেক ট্রেন যাত্রী ট্রেন বিলম্বের কারনে এই সড়কে এসে বিশ্রাম নেয়। একটা সময় দুই পুকুরের মাঝখানে মাটির সরু রাস্তা ছিল। সান্তাহার পৌর সভার ৭ নং ওর্য়াডের প্রয়াত কাউন্সিলর মাসুম প্রায়ই মিটিং এ রাস্তাটি পাকা করার প্রস্তাব তুলতেন। পরবর্তী ওর্য়াড কাউন্সিলর মারা যাওয়ার পর সান্তাহার পৌর কর্তৃপক্ষ “মরহুম মাসুম সড়ক” নাম করণ করে রাস্তাটি পাকা করণের সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে লোকজনে চলাচলের জন্য দুই পুকুরের মাঝখানের মাটির সুরু রাস্তাটি পাকা করে পৌর কর্তৃপক্ষ। সান্তাহার নাগরিক কমিটির নেতা গণমাধ্যমকর্মী খায়রুল ইসলাম বলেন,এই সড়কের দুই পাশে বসার জায়গা এবং রাস্তার দুই পাড়ে রাতের বেলা ইলেকট্রিক লাইট পোষ্টের আলোকসজ্জায় দৃষ্টি নন্দন হয়ে উঠেছে এই নান্দনিক সড়কটি। প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী এই সড়কে আসেন। বর্তমানে এই সড়কটি যেন মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

সান্তাহারে দুই পুকুরের মাঝে নান্দনিক সড়ক

সান্তাহারে দুই পুকুরের মাঝে নান্দনিক সড়ক

প্রকাশিত: ০৬:২৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

আদমদীঘি(বগুড়া)প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার জংশন ষ্ট্রেশন এলাকায় দুই পৃকুরের মাঝখানে নান্দনিক সড়ক তৈরী হওয়ায় মনোমুগ্ধকর,সৌন্দর্যময়,নান্দনিকতায় এলাকার মানুষের মনে এক আনন্দঘর পরিবেশ সৃষ্ঠি হয়েছে। প্রতি দিন শত শত পথচারী এই নান্দনিক সড়ক দিয়ে সাহেবপাড়া,চা -বাগান,জংশন ষ্ট্রেশন প্লার্টফর্মে যাতাযাত করে। প্রায় ২৩ মিটার প্রসস্ত সড়কটিতে দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে কয়েকটি পাকা স্থান। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অনেক দর্শনার্থী, তরুন-তরনীর পদচারণায় মূখরিত হয়ে উঠে নান্দনিক এই সড়কটি। সড়কটি পূর্ব পাশে রয়েছে কৃষ্ণচুড়া গাছ। আর পুকুরের এক পাশে রয়েছে পদ্মফুল। রেলওয়ে জংশন ষ্ট্রেশনের পাশে এই নান্দনিক সড়ক হওয়ায় অনেক ট্রেন যাত্রী ট্রেন বিলম্বের কারনে এই সড়কে এসে বিশ্রাম নেয়। একটা সময় দুই পুকুরের মাঝখানে মাটির সরু রাস্তা ছিল। সান্তাহার পৌর সভার ৭ নং ওর্য়াডের প্রয়াত কাউন্সিলর মাসুম প্রায়ই মিটিং এ রাস্তাটি পাকা করার প্রস্তাব তুলতেন। পরবর্তী ওর্য়াড কাউন্সিলর মারা যাওয়ার পর সান্তাহার পৌর কর্তৃপক্ষ “মরহুম মাসুম সড়ক” নাম করণ করে রাস্তাটি পাকা করণের সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে লোকজনে চলাচলের জন্য দুই পুকুরের মাঝখানের মাটির সুরু রাস্তাটি পাকা করে পৌর কর্তৃপক্ষ। সান্তাহার নাগরিক কমিটির নেতা গণমাধ্যমকর্মী খায়রুল ইসলাম বলেন,এই সড়কের দুই পাশে বসার জায়গা এবং রাস্তার দুই পাড়ে রাতের বেলা ইলেকট্রিক লাইট পোষ্টের আলোকসজ্জায় দৃষ্টি নন্দন হয়ে উঠেছে এই নান্দনিক সড়কটি। প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী এই সড়কে আসেন। বর্তমানে এই সড়কটি যেন মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।