
মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বগুড়ার গাবতলীতে তালাকের বিষয়টি গোপন রাখা এবং অন্য নারীদের সঙ্গে অবৈধ সর্ম্পক করার অভিযোগ তুলে স্বামীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে স্ত্রী মোছা. লিপি খাতুন। সোমবার (১২অক্টোবর/২৬) গাবতলী প্রেসক্লাব কার্যালয়ে গিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে লিপি খাতুন জানান, ২০২৪ সালের ১৩ জুন গাবতলী উপজেলার সুখানপুকুর ইউনিয়নের তেলিহাটা গ্রামের মোঃ ছাবেদুর রহমানের ছেলে অ্যাডভোকেট শিপন আলীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁরা প্রথমে বগুড়া শহরের সুলতানগঞ্জপাড়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। পরে ধাওয়াপাড়া এলাকায় বগুড়া কলেজের সামনে একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন।
লিপি খাতুনের অভিযোগ, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২৪ জানুয়ারী সুখানপুকুর ইউনিয়নের তেলিহাটা গ্রামে ঈশিতা নামের এক নারীর বাড়িতে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় লোকজন অ্যাডভোকেট শিপন আলীকে আটক করেন। পরে ওই নারীকে সাত লাখ টাকা দেন মোহরানায় বিয়ে করেন। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শিপন আলীকে সুখানপুকুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে লিপি খাতুন আরো অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে সীমা নামের এক নারীর সঙ্গে তাঁর স্বামীর সম্পর্ক নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ওই নারী বর্তমানে বগুড়া শহরের চেলোপাড়া কৃষি ফার্ম-সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করেন বলে তিনি জানান। লিপি খাতুনের দাবী, অ্যাডভোকেট শিপন আলী তাঁকে ছয় মাস আগে তালাক দিয়েছেন বলে প্রচার করছেন। তবে এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না এবং তাঁর কাছে তালাক সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র পাঠানো হয়নি বলে সাংবাদিকদের কাছে জানান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, গত ৮ অক্টোবর রাতেও শিপন আলী তাঁর বাসায় এসেছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিপি খাতুন প্রশ্ন তুলে বলেন, তাঁকে ছয় মাস আগে তালাক দেওয়া হয়ে থাকলে এ বিষয়ে তিনি কেন কোনো কাগজপত্র পাননি? সংবাদ সম্মেলনে তিনি তাঁর বক্তব্য তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা ও প্রতিকার প্রত্যাশা করেন।
উল্লেখ্য, আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আরো নানা অভিযোগ করেন স্ত্রী মোছাঃ লিপি খাতুন

প্রতিবেদক 


















