০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

সোনাতলায় বাল্যবিবাহকে ‘না’, কন্যাশিশুর বিশ্বজয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সচেতনতার আহ্বান 

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৮:২৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ ‘শিশু বিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বগুড়ার সোনাতলায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও কন্যা শিশুর অধিকার সুরক্ষায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বাল্যবিবাহের কুফল তুলে ধরে শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে অভিভাবক ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সোমবার (১২ই অক্টোবর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুয়েল মিয়া।আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান,সমাজসেবা কর্মকর্তা,বগুড়া জেলা বিএনপির মহিলা নেত্রী শাহেলা আক্তার মুক্তা এবং মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রুখসানা।সভায় বক্তারা বলেন,বাল্যবিবাহ কন্যা শিশুর শিক্ষা,শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গঠনের পথে বড় বাধা। অল্প বয়সে বিয়ের কারণে অনেক কন্যা শিশু শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়ে এবং নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সামাজিক সমস্যার মুখোমুখি হয়। তাই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে পরিবার,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
বক্তারা আরও বলেন, বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি প্রচলিত আইন বাস্তবায়ন জরুরি। কোনো এলাকায় বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হলে তা বন্ধে সরকারি হটলাইন ১০৯ নম্বরে ফোন করে সহায়তা চাওয়া যায়। অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। এ ক্ষেত্রে অভিভাবক,জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।আলোচনায় বাল্যবিবাহের নেতিবাচক প্রভাব,কন্যাশিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করা,নারীর ক্ষমতায়ন এবং মেয়েদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।সভায় বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন,সম্মিলিত সচেতনতা ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ মুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। প্রতিটি কন্যাশিশু শিক্ষা,অধিকার ও সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশের সুযোগ পেলে তারাই একদিন দেশ ও বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

দুপচাঁচিয়ায় ১মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মাদক উদ্ধার

সোনাতলায় বাল্যবিবাহকে ‘না’, কন্যাশিশুর বিশ্বজয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সচেতনতার আহ্বান 

প্রকাশিত: ০৮:২৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ ‘শিশু বিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বগুড়ার সোনাতলায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও কন্যা শিশুর অধিকার সুরক্ষায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বাল্যবিবাহের কুফল তুলে ধরে শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে অভিভাবক ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সোমবার (১২ই অক্টোবর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুয়েল মিয়া।আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান,সমাজসেবা কর্মকর্তা,বগুড়া জেলা বিএনপির মহিলা নেত্রী শাহেলা আক্তার মুক্তা এবং মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রুখসানা।সভায় বক্তারা বলেন,বাল্যবিবাহ কন্যা শিশুর শিক্ষা,শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গঠনের পথে বড় বাধা। অল্প বয়সে বিয়ের কারণে অনেক কন্যা শিশু শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়ে এবং নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সামাজিক সমস্যার মুখোমুখি হয়। তাই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে পরিবার,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
বক্তারা আরও বলেন, বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি প্রচলিত আইন বাস্তবায়ন জরুরি। কোনো এলাকায় বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হলে তা বন্ধে সরকারি হটলাইন ১০৯ নম্বরে ফোন করে সহায়তা চাওয়া যায়। অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। এ ক্ষেত্রে অভিভাবক,জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।আলোচনায় বাল্যবিবাহের নেতিবাচক প্রভাব,কন্যাশিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করা,নারীর ক্ষমতায়ন এবং মেয়েদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।সভায় বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন,সম্মিলিত সচেতনতা ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ মুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। প্রতিটি কন্যাশিশু শিক্ষা,অধিকার ও সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশের সুযোগ পেলে তারাই একদিন দেশ ও বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে।