০৪:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

সোনাতলায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত 

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১০:৫১:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ ‘ঘর থেকে শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’,এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বগুড়ার সোনাতলায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৩ই অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, সোনাতলার আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স্বীকৃতি প্রামাণিক,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেফাউল আজম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাহ মো. শাহেদুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।এ ছাড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম খান নিপু,সাংগঠনিক সম্পাদক রাজ্জাকুল ইসলাম রাজ্জাক,সেলিম রেজা বাবলা সহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সবুজ সাথী স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ ছিল ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপণ মহড়া। এতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে কীভাবে দ্রুত ও নিরাপদে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়, সে বিষয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অন্যান্য অংশগ্রহণ কারীদের হাতে-কলমে বিভিন্ন কৌশল দেখানো হয়। এ সময় আগুন লাগলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়া, ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে সচেতনতামূলক ধারণা দেওয়া হয়।দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে এ ধরনের কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে অগ্নিকাণ্ড, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, বজ্রপাতসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের সময় করণীয় সম্পর্কে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন ব্যক্তিগত সচেতনতা, পারিবারিক প্রস্তুতি এবং সম্মিলিত সামাজিক উদ্যোগ। দুর্যোগের ঝুঁকি সম্পর্কে আগে থেকেই সচেতন হওয়া, জরুরি প্রয়োজনে করণীয় জানা এবং নিরাপত্তাবিধি মেনে চলার মাধ্যমে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

সোনাতলায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত 

সোনাতলায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত 

প্রকাশিত: ১০:৫১:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ ‘ঘর থেকে শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’,এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বগুড়ার সোনাতলায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৩ই অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, সোনাতলার আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স্বীকৃতি প্রামাণিক,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেফাউল আজম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাহ মো. শাহেদুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।এ ছাড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম খান নিপু,সাংগঠনিক সম্পাদক রাজ্জাকুল ইসলাম রাজ্জাক,সেলিম রেজা বাবলা সহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সবুজ সাথী স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ ছিল ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপণ মহড়া। এতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে কীভাবে দ্রুত ও নিরাপদে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়, সে বিষয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অন্যান্য অংশগ্রহণ কারীদের হাতে-কলমে বিভিন্ন কৌশল দেখানো হয়। এ সময় আগুন লাগলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়া, ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে সচেতনতামূলক ধারণা দেওয়া হয়।দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে এ ধরনের কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে অগ্নিকাণ্ড, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, বজ্রপাতসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের সময় করণীয় সম্পর্কে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন ব্যক্তিগত সচেতনতা, পারিবারিক প্রস্তুতি এবং সম্মিলিত সামাজিক উদ্যোগ। দুর্যোগের ঝুঁকি সম্পর্কে আগে থেকেই সচেতন হওয়া, জরুরি প্রয়োজনে করণীয় জানা এবং নিরাপত্তাবিধি মেনে চলার মাধ্যমে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।