০৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বগুড়া জেলা প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা ‎

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৭:৪৮:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

‎বিকাশ স্বর্নকার,বগুড়া আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদ ও পূজা ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় পূজামণ্ডপ ও এর আশপাশে মাদক ও জুয়ার আসর বন্ধ, মাদক কেনাবেচা ও সেবন প্রতিরোধ এবং বিস্ফোরক দ্রব্যের অপব্যবহার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

‎‎সোমবার (৫ই অক্টোবর) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ ‘করতোয়া’য় এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা।‎সভায় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মাদক ও জুয়া প্রতিরোধ, বিস্ফোরক দ্রব্যের অপব্যবহার রোধ এবং প্রতিমা বিসর্জনের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।‎জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, পূজা চলাকালে কোনো মন্দির বা পূজামণ্ডপের আশপাশে মাদক ও জুয়ার আসর বসানো কিংবা মাদকদ্রব্য কেনাবেচা ও সেবন করা যাবে না। একই সঙ্গে বিস্ফোরক দ্রব্যের ব্যবহার এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পূজামণ্ডপে দর্শনার্থীদের নিরাপদ চলাচল ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
‎‎তিনি আরও বলেন, প্রতিমা বিসর্জনের সময় বিশেষভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে উৎসব পরিচালনা করতে হবে।‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ। এ দেশে সব ধর্মের মানুষ আনন্দঘন পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে থাকেন। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এবারের দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
‎‎তিনি বলেন,একটি মহল নাশকতার চেষ্টা করতে পারে,এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। বগুড়া সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। একই সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। সবাই সচেষ্ট থাকলে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব উদযাপন সম্ভব হবে।‎সভায় বক্তব্য দেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাস ও জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ডা. এনসি বাড়ই। এ ছাড়া বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও পূজা ফ্রন্টের নেতারা বক্তব্য দেন। তারা পূজা আয়োজন, নিরাপত্তা এবং স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।‎সভায় বিএনপির জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ, জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
‎

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

আদমদীঘিতে বিশ্ব শিক্ষক দিবসের র‌্যালী ও আলোচনা সভা

আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বগুড়া জেলা প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা ‎

প্রকাশিত: ০৭:৪৮:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

‎বিকাশ স্বর্নকার,বগুড়া আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদ ও পূজা ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় পূজামণ্ডপ ও এর আশপাশে মাদক ও জুয়ার আসর বন্ধ, মাদক কেনাবেচা ও সেবন প্রতিরোধ এবং বিস্ফোরক দ্রব্যের অপব্যবহার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

‎‎সোমবার (৫ই অক্টোবর) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ ‘করতোয়া’য় এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা।‎সভায় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মাদক ও জুয়া প্রতিরোধ, বিস্ফোরক দ্রব্যের অপব্যবহার রোধ এবং প্রতিমা বিসর্জনের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।‎জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, পূজা চলাকালে কোনো মন্দির বা পূজামণ্ডপের আশপাশে মাদক ও জুয়ার আসর বসানো কিংবা মাদকদ্রব্য কেনাবেচা ও সেবন করা যাবে না। একই সঙ্গে বিস্ফোরক দ্রব্যের ব্যবহার এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পূজামণ্ডপে দর্শনার্থীদের নিরাপদ চলাচল ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
‎‎তিনি আরও বলেন, প্রতিমা বিসর্জনের সময় বিশেষভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে উৎসব পরিচালনা করতে হবে।‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ। এ দেশে সব ধর্মের মানুষ আনন্দঘন পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে থাকেন। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এবারের দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
‎‎তিনি বলেন,একটি মহল নাশকতার চেষ্টা করতে পারে,এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। বগুড়া সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। একই সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। সবাই সচেষ্ট থাকলে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব উদযাপন সম্ভব হবে।‎সভায় বক্তব্য দেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাস ও জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ডা. এনসি বাড়ই। এ ছাড়া বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও পূজা ফ্রন্টের নেতারা বক্তব্য দেন। তারা পূজা আয়োজন, নিরাপত্তা এবং স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।‎সভায় বিএনপির জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ, জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
‎