
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ (১৮ জ্যৈষ্ঠ বাংলা-১৪৩৩) ১শে জুন-২০২৬ সোমবার দিনব্যাপী ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় মধ্যে দিয়ে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী সুবাদ বাজারে “বৈশাখী সুবাদ মেলা” উদযাপিত হয়েছে।
মেলা উপলক্ষে বগুড়ার গাবতলী বালিয়াদিঘী কলাকোপা সুবাদ বাজার শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকায় বসেছিল বিশাল একটি গ্রামীণ “বৈশাখী সুবাদ মেলা” ।
সকাল ৮টায় মেলা শুরুতেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিল ঢোল, বাজনা, মাইক ও ব্যান্ডের মন মাতানো সুর।
মেলার প্রধান আকর্ষণ ছিল ধীরগতিতে সাইকেল চালানো, মেয়েদের বালিশ খেলা, মেয়েদের মিউজিক চেয়ার খেলা, হাড়ী ভাঙ্গা খেলা, লাঠি বাড়ী খেলা, ঘোড় দৌড় খেলা ও হাঁস খেলা।
মেলায় ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি বিএনপি চেয়ারম্যান উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং সাবেক এমপি ও কলাকোপা বৈশাখী সুবাদ মেলা দাতা কমিটির সভাপতি এবং সুবাদ বাজার শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকার প্রতিষ্ঠাতা মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু।
এরপর দ্বিতীয় পর্বে মেলা চত্বর আয়োজিত সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি গ্রীন কলাকোপা এষ্টেট এর মহাপরিচালক ও দাতা কমিটির সহ-সভাপতি এবং দৈনিক উত্তর কোণ পত্রিকার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বেগম শামসুন নাহার জামান তালুকদার।
বৈশাখী সুবাদ মেলা পরিচালনা কমিটির আয়োজনে
কলাকোপা সুবাদ বাজার নিয়ন্ত্রণ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম মোল্লা’র সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন গ্রীন কলাকোপা এষ্টেট এর
পরিচালক অধ্যাপক সাজ্জাদুজ্জামান সিরাজ জয়, সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, দাতা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও গ্রীন কলাকোপা এষ্টেট এর পরিচালক এবং দৈনিক উত্তর কোণ পত্রিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ সাহেদুজ্জামান সিরাজ বিজয়, তার সহধর্মীনি তাহরিমা আফরিন তমা, পরিচালক হারিছা জামান আরশি সহ গ্রীন কলাকোপা এষ্টেট এর সদস্য বৃন্দ। পরিচালনায় ছিলেন কলাকোপা সুবাদ বাজার নিয়ন্ত্রণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন। সঞ্চালনায় ছিলেন বৈশাখী সুবাদ মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য আশরাফুল ইসলাম ও রেজাউল করিম রেজা।
এছাড়াও মেলার আকর্ষণ ছিল নাগর দোলা, গ্রামীন লাঠিখেলা, বড় দুই মিষ্টি, মাছ, কুঠির শিল্পের মাটির তৈরি খেলনা সহ পরিবারের প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী এর দোকান। মেলায় ছেলেদের চেয়ে মেয়ে ও শিশু বৃদ্ধ নারী-পুরুষদের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো। মেলা উপলক্ষে আশপাশের গ্রামগুলোতে জেন ছিল উৎসবে আমেজ। তিন যুগের এই মেলা দেখতে দর্শনার্থীদের ছিল উপচে পড়া ভীড়।
রাতে বৈশাখী সুবাদ মেলা পরিচালনা কমিটির আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে “গ্রামীণ বাউল সংগীত” গান পরিবেশন করা হয়।

প্রতিবেদক 




















