
স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার চরপাড়া বাজারে ভুয়া চিকিৎসক পরিচয়ে রোগী দেখা ও প্রেসক্রিপশন দেয়ার অভিযোগে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এক ব্যক্তিকে ৩০হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,সম্প্রতি উপজেলার চরপাড়া বাজারে প্রায় আরো ১২টি ঔষুধের দোকানে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ঔষুধ বিক্রি এবং অনুমোদন ছাড়া রোগী দেখার অভিযোগ উঠেছে। এধরনের অভিযোগের ভিত্তিতে ৪জুলাই শনিবার বিকেলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল মিয়ার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।অভিযান কালে চরপাড়া মাঝিপাড়া সংলগ্ন আলিফ ফার্মেসি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসালয়-এ তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগী দেখা এবং প্রেসক্রিপশন দেয়ার প্রমাণ পাওয়া যায় বলে ভ্রাম্যমাণ আদালত জানায়। এ ঘটনায় তাকে ৩০হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান,ভুয়া পরিচয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান ও প্রেসক্রিপশন করার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আইন অনুযায়ী জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক (এমবিবিএস) ডাঃ রুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে চরপাড়া বাজারের বেশিরভাগ ঔষুধের দোকান সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দোকানিরা সরে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।এছাড়া বাজার সংলগ্ন দক্ষিণ চরপাড়া গ্রামের এক কবিরাজ দীর্ঘদিন ধরে এক্স-রে পরীক্ষা সহ হাড় ভাঙা ও জোড়া লাগানোর চিকিৎসা দিয়ে আসছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি,এসব বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রশাসনের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া উচিত।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শারমীন কবিরাজ জানান,এধরনের চিকিৎসকের দ্বারা মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে আগামীতে এধরনের অশিক্ষিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ খুরশিদ আলম জানান,এমবিএস ও বিডিএস পদবী ব্যতিত কেউ প্রেসক্রিপশন করতে পারবে না। তবে নিয়মিত উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজেলা প্রসাশনের যৌথ উদ্যোগে এদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা অব্যহত থাকবে।

প্রতিবেদক 




















