০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ওসির মতবিনিময় 

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১২:০২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলায় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। (১৮ই জুন)বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় থানা চত্বরে থানা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেন এর সভাপতিত্বে এই সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিকাশ স্বর্ণকার,সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন সাহা,সিনিয়র সহ-সভাপতি গোকুল চন্দ্র সাহা (মন্টু) এবং যুগ্ন সম্পাদক চিকিৎসক বিপুল চন্দ্র সাহা। উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্মল চন্দ্র রায়,সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল চন্দ্র রায় সহ বিভিন্ন মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ। এ সময় বক্তব্য রাখেন মধুপুর উত্তরপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের সভাপতি অসিত কুমার পাল (বাদল),দক্ষিণ পাড়া মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চন্দ্র গোস্বামী,বামুনিয়া পালপাড়া মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বেণীমাধব পাল,চকনন্দন বারোয়ারী দুর্গা মন্দিরের সভাপতি বাবলু চন্দ্র দাস এবং হাটকরমজা মন্দির কমিটির সভাপতি এবং ঐক্য পরিষদের সহ সভাপতি অতুল চন্দ্র প্রামাণিক প্রমুখ। বক্তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা,মন্দিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ধর্মীয় বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়িয়ে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। থানার ওসি কবির হোসেন বলেন,মন্দির বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ভাবে আমাকে অবগত করবেন। পাশাপাশি অরক্ষিত মন্দিরগুলোর প্রতি বিশেষ নজর রাখবেন। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিকাশ স্বর্ণকার বলেন,সম্প্রীতির বন্ধনে আমরা আবদ্ধ। অন্যান্য উপজেলার তুলনায় আইনশৃঙ্খলা সহ বিভিন্ন দিক থেকে আমরা এখন পর্যন্ত ভালো অবস্থানে রয়েছি। পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন সাহা বলেন,হাট-বাজার বা জনসমাগম স্থলে ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কারও সঙ্গে বিতর্কে জড়াবেন না। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্মল চন্দ্র রায় বলেন,পলাশবাড়ী ও মোকামতলায় ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রেক্ষাপটে মন্দিরগুলোর নিরাপত্তার বিষয়ে সবাইকে আরও সচেতন থাকতে হবে। অরক্ষিত মন্দিরের প্রতিমা যথাসময়ে বিসর্জন দেওয়াই উত্তম। সভায় উপজেলার প্রায় ৪০টি মন্দিরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

আদমদীঘিতে দূর্গোৎসব উপলক্ষে পুজা উদযাপন পরিষদের প্রস্তুতি অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ওসির মতবিনিময় 

প্রকাশিত: ১২:০২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলায় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। (১৮ই জুন)বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় থানা চত্বরে থানা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেন এর সভাপতিত্বে এই সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিকাশ স্বর্ণকার,সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন সাহা,সিনিয়র সহ-সভাপতি গোকুল চন্দ্র সাহা (মন্টু) এবং যুগ্ন সম্পাদক চিকিৎসক বিপুল চন্দ্র সাহা। উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্মল চন্দ্র রায়,সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল চন্দ্র রায় সহ বিভিন্ন মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ। এ সময় বক্তব্য রাখেন মধুপুর উত্তরপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের সভাপতি অসিত কুমার পাল (বাদল),দক্ষিণ পাড়া মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চন্দ্র গোস্বামী,বামুনিয়া পালপাড়া মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বেণীমাধব পাল,চকনন্দন বারোয়ারী দুর্গা মন্দিরের সভাপতি বাবলু চন্দ্র দাস এবং হাটকরমজা মন্দির কমিটির সভাপতি এবং ঐক্য পরিষদের সহ সভাপতি অতুল চন্দ্র প্রামাণিক প্রমুখ। বক্তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা,মন্দিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ধর্মীয় বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়িয়ে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। থানার ওসি কবির হোসেন বলেন,মন্দির বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ভাবে আমাকে অবগত করবেন। পাশাপাশি অরক্ষিত মন্দিরগুলোর প্রতি বিশেষ নজর রাখবেন। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিকাশ স্বর্ণকার বলেন,সম্প্রীতির বন্ধনে আমরা আবদ্ধ। অন্যান্য উপজেলার তুলনায় আইনশৃঙ্খলা সহ বিভিন্ন দিক থেকে আমরা এখন পর্যন্ত ভালো অবস্থানে রয়েছি। পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন সাহা বলেন,হাট-বাজার বা জনসমাগম স্থলে ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কারও সঙ্গে বিতর্কে জড়াবেন না। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্মল চন্দ্র রায় বলেন,পলাশবাড়ী ও মোকামতলায় ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রেক্ষাপটে মন্দিরগুলোর নিরাপত্তার বিষয়ে সবাইকে আরও সচেতন থাকতে হবে। অরক্ষিত মন্দিরের প্রতিমা যথাসময়ে বিসর্জন দেওয়াই উত্তম। সভায় উপজেলার প্রায় ৪০টি মন্দিরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।