
স্টাফ রিপোর্টারঃ ছবি দেখে ভাবছেন,এটা আবার কেমন প্রতিমা,কেমন পুজা মন্ডব। যখন শারদীয় দূর্গা পুজায় মন্ডবে মন্ডবে মৎশিল্পীরা দেবী দূর্গা সহ বিভিন্ন প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত,ঠিক তখনই বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদরের পালপাড়া গ্রামের ৪র্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থী প্রতীম পাল নামের এক ক্ষুদে মৃত শিল্পীর কারিগর (আটাল মাটি) সমস্ত মেথা ঢেলে দিয়েছেন প্রতিমা তৈরিতে। তিনি দেবী দূর্গা,কার্তিক, গনেশ,লক্ষী,স্বরস্বতী ও মহাদেবকে তৈরী করেন।প্রতীম দেবী দূর্গা সহ পাঠিদের তৈরির পর রিতিমত সারা ফেলেছে এলাকায়। শিশু প্রতীমের বাবা প্রবীর পাল। প্রবীর পাল পেশায় একজন রং মিস্ত্রীর কারিগর। ফলে প্রতিমা তৈরির পর ঘরে রাখা বাবা’র রং লাগিয়ে সদ্য প্রতিমা মূর্তি গুলো দৃশ্যমান করেন ক্ষুদে শিল্পী প্রতীম। শিশু প্রতীম পাল প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে প্রতীম প্রতিমা তৈরী করেন।তবে তিনি রিতিমত নানা ধরনের দ্রব্যাদি দিয়ে করছেন পুজো।ফলমুল ফুল,বেলপাতা,দূর্বা দিয় নিজের তৈরি মূর্তিগুলোয় নিয়মিত করছেন পুজো। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার তালসন পাড়ায় সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় শিশু মৎশিল্পী প্রতীম পালের সাথে,কথার ছলে প্রতীম পাল প্রতিবেদক কে বলেন,বাড়ীর পাশে মন্ডবে প্রতিমা তৈরী করা দেখে তার মনে মধ্যে দেবী দূর্গার প্রতিমা তৈরীর প্রয়াস ঘটে। এরপর পুকুরপাড় থেকে তিনি মাটি এনে প্রতিমা তৈরী শুরু করেন।প্রতীম বলেন মন্দিরো তৈরি করি পরে বাবার রং নিয়ে এসে মাটির তৈরী প্রতিমা গুলোতে রং তুলির আচঁর লাগিয়ে সাজিয়ে তুলি। এরপর পুজোর দিনে ফুল,জল,ফলমুল দিয়ে পুজো করছি। ফলে আগামীর জন্য সকলের আর্শিবাদ চেয়েছে ক্ষুদে মৎশিল্পী প্রতীম পাল।

প্রতিবেদক 




















