
স্টাফ রিপোর্টারঃ ২৭তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা মো. তৌফিকুর রহমান (১৬১৪৬) সম্প্রতি খুলনা থেকে বদলি হয়ে বগুড়ার নতুন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করছেন। সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও জনসেবামুখী নেতৃত্বে তিনি ইতোমধ্যেই দেশের প্রশাসনিক অঙ্গনে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এর আগে তিনি কুষ্টিয়া ও খুলনা জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যেখানে তিনি প্রশাসনকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে সফল হন।শিক্ষাজীবন ও যোগ্যতা
ঢাকার সেন্ট জোসেফ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবনে সব পরীক্ষায় স্কলারশিপপ্রাপ্ত এই মেধাবী কর্মকর্তা বিশ্বাস করেন, “পরিশ্রম করলে অসম্ভব বলে কিছু থাকে না।”
গৌরবময় কর্মজীবন ও সাফল্য:অর্থ মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাজেট বাস্তবায়ন ও আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখেন।কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বকালে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের সিন্ডিকেটবিরোধী পদক্ষেপ গ্রহণ করে আলোচিত হন।স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে নিয়মিত মতবিনিময় করে প্রশাসনকে গণমাধ্যম-বান্ধব করে তুলেছিলেন। তিনি সাংবাদিকদের সমাজের “দর্পণ” আখ্যা দেন।কুষ্টিয়া ‘স্মার্ট জেলা’ ঘোষণার উদ্যোগ নেন-জেলা প্রশাসনের সেবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার কাজ শুরু করেন।দৌলতপুর উপজেলায় ইউএনও থাকাকালীন সময় নদীভাঙনকবলিত মানুষের পুনর্বাসনে বিশেষ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন।শিক্ষা ও সমাজকল্যাণ খাতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কুষ্টিয়া জেলার শিক্ষক সমাজ ও স্থানীয় সংগঠনগুলো তাঁকে “জনবান্ধব প্রশাসক” উপাধিতে ভূষিত করে। খুলনায় জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ভূমি সেবা ডিজিটালাইজেশন, সরকারি দপ্তরগুলোর অনলাইন সেবা ব্যবস্থা ও দাপ্তরিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশংসনীয় উদ্যোগ নেন। খুলনায় তাঁর নেতৃত্বে “স্মার্ট খুলনা গড়ে তুলি” শীর্ষক উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয়, যার লক্ষ্য ছিল শহর ও গ্রামীণ জনগণের প্রশাসনিক সেবায় প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তর।বগুড়ার মানুষ বিশ্বাস করে, নবাগত এই জেলা প্রশাসকের অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে জেলা নতুন উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাক।
সুন্দর প্রশাসন উপহার দিতে পারবেন কিনা এখন জনগণের প্রত্যাশা।

প্রতিবেদক 




















