০২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রবাসীর টাকা আত্নসাতের অভিযোগ

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১২:৫৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে
মোকামতলা (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার শিবগঞ্জের এক প্রবাসীকে মারপিট ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জনৈক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এঘটনায় মালয়েশিয়া প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী।
জানা যায়, বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ  উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের  মধুপুর গ্রামের মালেশিয়া প্রবাসী ইউসুফ আলী বেশ কয়েক বছর আগে বিদেশ যান। এরপর অন্যের দোকানে দীর্ঘ ৫ বছর চাকরি করার পর সিদ্ধান্ত নেন নিজে একটা দোকান দেয়ার। বিদেশের মাটিতে কফি কর্নার নামে একটি ফাস্ট ফুডের দোকান দেন ইউসুফ। এরপর তাঁর আয় রোজগার বাড়তে থাকে। বাড়তে থাকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও। নিজের আয় করা টাকায় একে একে তিনটি রেস্টুরেন্ট গড়ে তোলেন তিনি।
ব্যবসা বানিজ্য ভালো হওয়ায় সুবাদে স্বচ্ছলতার সাথে কাটছিলো তাঁর জীবন। কিন্তু সে সুখ বেশি দিন টেকেনি তাঁর কপালে। বগুড়ার শেরপুর উপজেলার কানুপুর গ্রামের আরিফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে তাঁর। আরিফও পাশাপাশি একটি এলাকায় থাকতো। এক পর্যায়ে আরিফ ইউসুফের রেস্টুরেন্টের ব্যবসায়িক পার্টনার হতে চায়। অনেকবার বলার পর ব্যবসা সম্প্রসারনের কথা চিন্তা করে আরিফকে ১ লক্ষ ৭২ হাজার রিংগিত শেয়ার পার্টনার করেন ইউসুফ আলী। এরপর প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের টাকা আয় হতে থাকে তাঁদের। কিন্তু, কয়েকমাস পর বগুড়ার শেরপুরের বাবু ও রহিত নামের দুই ব্যক্তি ইউসুফকে বলে আমরা আরিফকে পার্টনার হওয়ার জন্য টাকা দিয়েছিলাম। আমরাও এই ব্যবসার ভাগিদার। এসময় আরিফ হঠাৎ দেশে চলে যায়। তখন বাবু ও রহিত নামের এই দুই ব্যক্তি ইউসুফকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে টাকা দাবি করে মারপিট করে। অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়ে ইউসুফ ব্যবসা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এরপর আরিফের কাছে ব্যবসার পার্টনারের টাকা চাইলে আজ পর্যন্ত আরিফ তাকে টাকা ফেরৎ দেয়নি। এতে চরম কষ্টে দিন যাপন করছেন ইউসুফ।
এব্যাপারে মালয়েশিয়া প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ইউসুফ আলী।
অভিযুক্ত  আরিফ, রহিত ও বাবুর সাথে কোনভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব না হওয়ায় তাঁদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আশিক ইকবাল জানান, ঘটনাটি দেশের বাইরের। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীর পরিবার যদি লিখিত অভিযোগ দেন তাহলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নিবো।
Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

একটু বৃষ্টিতেই পাকুল্লা হাটে জলাবদ্ধতা ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে দুর্ভোগ,ক্ষতিরমুখে পথচারী ব্যবসায়ীরা 

প্রবাসীর টাকা আত্নসাতের অভিযোগ

প্রকাশিত: ১২:৫৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩
মোকামতলা (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার শিবগঞ্জের এক প্রবাসীকে মারপিট ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জনৈক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এঘটনায় মালয়েশিয়া প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী।
জানা যায়, বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ  উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের  মধুপুর গ্রামের মালেশিয়া প্রবাসী ইউসুফ আলী বেশ কয়েক বছর আগে বিদেশ যান। এরপর অন্যের দোকানে দীর্ঘ ৫ বছর চাকরি করার পর সিদ্ধান্ত নেন নিজে একটা দোকান দেয়ার। বিদেশের মাটিতে কফি কর্নার নামে একটি ফাস্ট ফুডের দোকান দেন ইউসুফ। এরপর তাঁর আয় রোজগার বাড়তে থাকে। বাড়তে থাকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও। নিজের আয় করা টাকায় একে একে তিনটি রেস্টুরেন্ট গড়ে তোলেন তিনি।
ব্যবসা বানিজ্য ভালো হওয়ায় সুবাদে স্বচ্ছলতার সাথে কাটছিলো তাঁর জীবন। কিন্তু সে সুখ বেশি দিন টেকেনি তাঁর কপালে। বগুড়ার শেরপুর উপজেলার কানুপুর গ্রামের আরিফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে তাঁর। আরিফও পাশাপাশি একটি এলাকায় থাকতো। এক পর্যায়ে আরিফ ইউসুফের রেস্টুরেন্টের ব্যবসায়িক পার্টনার হতে চায়। অনেকবার বলার পর ব্যবসা সম্প্রসারনের কথা চিন্তা করে আরিফকে ১ লক্ষ ৭২ হাজার রিংগিত শেয়ার পার্টনার করেন ইউসুফ আলী। এরপর প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের টাকা আয় হতে থাকে তাঁদের। কিন্তু, কয়েকমাস পর বগুড়ার শেরপুরের বাবু ও রহিত নামের দুই ব্যক্তি ইউসুফকে বলে আমরা আরিফকে পার্টনার হওয়ার জন্য টাকা দিয়েছিলাম। আমরাও এই ব্যবসার ভাগিদার। এসময় আরিফ হঠাৎ দেশে চলে যায়। তখন বাবু ও রহিত নামের এই দুই ব্যক্তি ইউসুফকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে টাকা দাবি করে মারপিট করে। অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়ে ইউসুফ ব্যবসা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এরপর আরিফের কাছে ব্যবসার পার্টনারের টাকা চাইলে আজ পর্যন্ত আরিফ তাকে টাকা ফেরৎ দেয়নি। এতে চরম কষ্টে দিন যাপন করছেন ইউসুফ।
এব্যাপারে মালয়েশিয়া প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ইউসুফ আলী।
অভিযুক্ত  আরিফ, রহিত ও বাবুর সাথে কোনভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব না হওয়ায় তাঁদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আশিক ইকবাল জানান, ঘটনাটি দেশের বাইরের। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীর পরিবার যদি লিখিত অভিযোগ দেন তাহলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নিবো।