০২:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দুপচাঁচিয়ায় উদযাপিত হলো রথৎসব 

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৫:১৮:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

সুশান্ত মালাকার নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বগুড়া দুপচাঁচিয়ায় উদযাপিত হলো রথৎসব। ২ নভেম্বর রোববার উপজেলার কইল গ্রামে ঠাকুরবাড়ি শ্রীশ্রী কালাচান বিগ্রহ মন্দিরে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের এই রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজক কমিটি জানিয়েছেন,এই উৎসবে এলাকা তথা অন্য এলাকা হতে শত শত ভক্তবৃন্দরা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়রা বহুবছর পূর্বে ওই গ্ৰামের ঠাকুরপাড়ার লোকজন রথ উৎসবের সিদ্ধান্ত নেন। তবে সেটি আর সময়ের গতিতে থেমে থাকেনি। ফলে পরবর্তিতে অনুষ্ঠানটি সার্বজনীন হয়ে যায়। রথের পুরোহিত রাম চন্দ্র চক্রবর্তী প্রতিবেদক কে বলেন, এখানে প্রাচীনতম শ্রীশ্রী কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দির অধিষ্ঠিত আছেন। সেই কালাচাঁদ বিগ্ৰহকে রথে উঠিয়ে এরপর সনাতন ধর্মালম্বী নারী পুরুষেরা রথটি দড়ি দিয়ে টেনে নিয়ে যান। আলতাফনগর ইবনে সৈয়দ দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদিপ চন্দ্র প্রামাণিক বলেন, দিনব্যাপী এই রথৎসবে দূর-দূরান্তের ভক্তবৃন্দরা পূর্ণ লাভের আশায় এখানে আসে। সকালে কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দিরে নাম যজ্ঞ ও নীলা কীর্তনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শুভ সুচনা।কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দিরের পুরোহিত কানু কমল শর্মা বলেন,বৈষ্ণব ধর্মীয় ঐতিহ্যে শেকড় গেঁথে থাকা এই উৎসব ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘকালীন সাংস্কৃতিক বন্ধনের এক উজ্জ্বল প্রতীক। আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক শুধু সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; আমরা যুগ যুগ ধরে ইতিহাস,সাহিত্য,সঙ্গীত ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সৌহার্দ্য ভোগ করে চলেছি।তিনি আরও বলেন, রথযাত্রা কেবল একটি উৎসব নয়, এটি এক মহত্তম ঈশ্বরভক্তির প্রকাশ।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

বগুড়ায় অসুস্থ সাংবাদিক মুসা’র শয্যা’র পাশে জাসাস নেতা শফিক ও ছোটন

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দুপচাঁচিয়ায় উদযাপিত হলো রথৎসব 

প্রকাশিত: ০৫:১৮:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

সুশান্ত মালাকার নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বগুড়া দুপচাঁচিয়ায় উদযাপিত হলো রথৎসব। ২ নভেম্বর রোববার উপজেলার কইল গ্রামে ঠাকুরবাড়ি শ্রীশ্রী কালাচান বিগ্রহ মন্দিরে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের এই রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজক কমিটি জানিয়েছেন,এই উৎসবে এলাকা তথা অন্য এলাকা হতে শত শত ভক্তবৃন্দরা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়রা বহুবছর পূর্বে ওই গ্ৰামের ঠাকুরপাড়ার লোকজন রথ উৎসবের সিদ্ধান্ত নেন। তবে সেটি আর সময়ের গতিতে থেমে থাকেনি। ফলে পরবর্তিতে অনুষ্ঠানটি সার্বজনীন হয়ে যায়। রথের পুরোহিত রাম চন্দ্র চক্রবর্তী প্রতিবেদক কে বলেন, এখানে প্রাচীনতম শ্রীশ্রী কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দির অধিষ্ঠিত আছেন। সেই কালাচাঁদ বিগ্ৰহকে রথে উঠিয়ে এরপর সনাতন ধর্মালম্বী নারী পুরুষেরা রথটি দড়ি দিয়ে টেনে নিয়ে যান। আলতাফনগর ইবনে সৈয়দ দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদিপ চন্দ্র প্রামাণিক বলেন, দিনব্যাপী এই রথৎসবে দূর-দূরান্তের ভক্তবৃন্দরা পূর্ণ লাভের আশায় এখানে আসে। সকালে কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দিরে নাম যজ্ঞ ও নীলা কীর্তনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শুভ সুচনা।কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দিরের পুরোহিত কানু কমল শর্মা বলেন,বৈষ্ণব ধর্মীয় ঐতিহ্যে শেকড় গেঁথে থাকা এই উৎসব ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘকালীন সাংস্কৃতিক বন্ধনের এক উজ্জ্বল প্রতীক। আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক শুধু সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; আমরা যুগ যুগ ধরে ইতিহাস,সাহিত্য,সঙ্গীত ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সৌহার্দ্য ভোগ করে চলেছি।তিনি আরও বলেন, রথযাত্রা কেবল একটি উৎসব নয়, এটি এক মহত্তম ঈশ্বরভক্তির প্রকাশ।