
স্টাফ রিপোর্টারঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চরমোনাই পরিবারের তিন ভাইয়েরই ভরাডুবি এক ভাইয়ের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোরালো প্রচারণা চালিয়েও আশানুরূপ ফল পায়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি সারাদেশে ২৫৩টি আসনে প্রার্থী দিলেও শেষ পর্যন্ত মাত্র একটি আসনে জয় নিশ্চিত করতে পেরেছে।
এই নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল দলটির আমির সৈয়দ রেজাউল করীম–এর তিন ভাইয়ের প্রার্থিতা। তবে তিনটি ভিন্ন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও কেউই বিজয়ের মুখ দেখেননি।
বরিশাল-৫ (সদর–সিটি করপোরেশন) আসনে ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির সৈয়দ ফয়জুল করীম উল্লেখযোগ্য ভোট পেলেও শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় অবস্থানে থাকেন। একইসঙ্গে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি তৃতীয় স্থানে নেমে যান। দুটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা জয় লাভ করেন।
অন্যদিকে বরিশাল-৪ (হিজলা–মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে চরমোনাই পীরের আরেক ভাই সৈয়দ ইছহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের লড়াই করেও বড় ব্যবধানে পরাজিত হন। তিনি এখানে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সবচেয়ে হতাশাজনক ফল আসে ঢাকা-৪ আসন থেকে। সেখানে প্রার্থী ছিলেন মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ। ভোটের হিসাবে তিনি খুবই কম সমর্থন পান, যার ফলে নির্বাচনী আইনের বিধান অনুযায়ী তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই আসনে জামায়াত ও বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে ওঠে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামী আন্দোলনের সাংগঠনিক উপস্থিতি ও ভোটব্যাংক এখনো জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে পৌঁছায়নি। এবারের নির্বাচনী ফল সেই বাস্তবতাকেই আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

প্রতিবেদক 




















