
মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ যোগ্যতা ও মেধাভিত্তক বিদ্যালয়ের সভাপতি নিযুক্ত করার দাবীতে বগুড়া গাবতলীর উজগ্রাম পিন্টু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিংকু রানী দেবীকে কয়েক ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রেখেছে স্থানীয় গ্রামবাসী। এছাড়া ওই প্রধান শিক্ষককে আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে উল্লেখ করেছে গ্রামবাসী। ৯ এপ্রিল/২৫ বুধবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককের রুমে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, গাবতলীর উজগ্রাম পিন্টু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিংকু রানী দেবী গত ১৩ই জানুয়ারী বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠনের লক্ষ্যে স্থানীয় শহীদ আলম, পিন্টু মিয়া এবং শাহ আলম এই ৩ ব্যক্তির নাম নির্ধারণ করে ইউএনও অফিসে তালিকা জমা দেন। এরপর ২৫শে জানুয়ারী স্থানীয় গাজী মো. মাশকুরুল আলম চৌধুরী সৌরভ এর নাম ওই তালিকায় যুক্ত করার জন্য প্রধান শিক্ষককে অনুরোধ করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক তাকে ওই তালিকায় যুক্ত না করায় ফুঁসে ওঠে স্থানীয় গ্রামবাসী। পরবর্তীতে ২৭শে জানুয়ারী গাজী মো. মাশকুরুল আলম চৌধুরী সৌরভসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বাক্ষরে ইউএনও এবং ডিসি অফিসে একটি আবেদন জমা দেন। আবেদনটির এখনও কোন সুরাহা হয়নি। কিন্তু প্রধান শিক্ষক অযোগ্যদের দিয়ে কমিটির গঠনের চেষ্টা করছেন। এরই প্রতিবাদে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে গতকাল বুধবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং বিষয়টি সুরাহার জন্য কথা বলেন। গ্রামবাসীর দাবী যোগ্যতা ও মেধাভিত্তক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত করা হোক। নইলে গ্রামবাসী কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে। এ বিষয়ে উজগ্রাম পিন্টু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিংকু রানী দেবী স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, এখন আমার করার কিছু নেই। তারা চাইলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদনের প্রেক্ষিতে তদন্ত করে নাম যুক্ত করাতে পারেন। আমার কাছে মতামত চাইলে সে ক্ষেত্রে আমি মতামত দিতে পারি। এ সময় স্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাফিন মন্ডল, ফিটু মন্ডল, সোহেল হাসান, শহিদুল ইসলাম, আক্কেল হাসান, খায়রুল সরকার, আজাহার আলী, পোনক, গফুর, জাফর, রমজান আলী, সাফিনসহ স্থানীয় আরো গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উল্লেখ্য, প্রধান শিক্ষক রিংকু রানী দেবী তৎকালীন বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম ধুলুর সাথে যোগ সাজোসে ৪/৫জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

প্রতিবেদক 




















