০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আলোচিত চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে হত্যার চেষ্টা মামলার আসামীরা এক মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১২:১৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
  • ৮২ বার পড়া হয়েছে
আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: মতিউর রহমান নামের এক আদম ব্যবসায়ীকে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে হত্যার চেষ্টা সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর মামলার সজিব হোসেন (২৫) নামের মুল আসামীসহ অজ্ঞাতনামারা দীর্ঘ এক মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি। ফলে মামলার কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ায় বাদি সুষ্ট বিচার পাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এদিকে রেলওয়ে পুলিশ বলছে আসামী গ্রেপ্তার তৎপরতা চলছে। মামলা সুত্রে জানাযায়, নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার পারইল গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হবিবর রহমানের ছেলে মতিউর রহমান অন্য ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে শ্রমিক পাঠানোর কাজ করতো (আদম ব্যবসায়ী)। সে বেশ কিছু দেশে লোক পাঠিয়েছে। সৌদি আরবে বৈধ কাগজপত্র পেতে দেরি হওয়ায় সজিব হোসেন তার বাবাকে জানালে সজিবের বাবা সিরাজুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে মতিউর রহমানকে নানা হুমকি দেয়। মতিউর রহমান গত ১৮ মে ঘটনার দিন বগুড়া মাটিডালি তার মেয়ে মনিকার বাড়ি থেকে দুপুরে বগুড়া রেলওয়ে স্টেশনে এসে সান্তাহারগামী দোলনচাঁপা ট্রেনে উঠে বাড়ি উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। ওই ট্রেনের বগিতে থাকা আদমদীঘি সদরের ডহরপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সুমনের নেতৃত্বে মাক্স পরিহিত ৬/৭ জন ব্যক্তি মতিউর রহমানের পিছু নেয়। আলতাফনগর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনটি থামার পর যাত্রী নেমে গেলে ওই ব্যক্তিরা মতিউর রহমানকে মোবাইল চোর আখ্যা দিয়ে বগিতেই মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করে। এরপর ট্রেনটি নসরতপুর স্টেনের প্লাটফরমে পৌঁছিলে ওই ব্যক্তিরা মতিউর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেয়। কিন্ত অলৌকিক ভাবে মতিউর রহমান আহত হলেও বেঁচে যান। সেই ভিডিওটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে সারাদেশে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় মতিউর রহমান নিজেই বাদি হয়ে আদমদীঘি সদরের ডহরপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সজিব হোসেন (২৫) এর নাম উল্লেখসহ আরো আজ্ঞাত ৬/৭ জনের নামে এই মামলা দায়ের করেন। সান্তাহার রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুর রহমান বলেন, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনামতে বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামী গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হচ্ছে।
Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

একটু বৃষ্টিতেই পাকুল্লা হাটে জলাবদ্ধতা ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে দুর্ভোগ,ক্ষতিরমুখে পথচারী ব্যবসায়ীরা 

আলোচিত চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে হত্যার চেষ্টা মামলার আসামীরা এক মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি

প্রকাশিত: ১২:১৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: মতিউর রহমান নামের এক আদম ব্যবসায়ীকে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে হত্যার চেষ্টা সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর মামলার সজিব হোসেন (২৫) নামের মুল আসামীসহ অজ্ঞাতনামারা দীর্ঘ এক মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি। ফলে মামলার কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ায় বাদি সুষ্ট বিচার পাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এদিকে রেলওয়ে পুলিশ বলছে আসামী গ্রেপ্তার তৎপরতা চলছে। মামলা সুত্রে জানাযায়, নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার পারইল গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হবিবর রহমানের ছেলে মতিউর রহমান অন্য ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে শ্রমিক পাঠানোর কাজ করতো (আদম ব্যবসায়ী)। সে বেশ কিছু দেশে লোক পাঠিয়েছে। সৌদি আরবে বৈধ কাগজপত্র পেতে দেরি হওয়ায় সজিব হোসেন তার বাবাকে জানালে সজিবের বাবা সিরাজুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে মতিউর রহমানকে নানা হুমকি দেয়। মতিউর রহমান গত ১৮ মে ঘটনার দিন বগুড়া মাটিডালি তার মেয়ে মনিকার বাড়ি থেকে দুপুরে বগুড়া রেলওয়ে স্টেশনে এসে সান্তাহারগামী দোলনচাঁপা ট্রেনে উঠে বাড়ি উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। ওই ট্রেনের বগিতে থাকা আদমদীঘি সদরের ডহরপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সুমনের নেতৃত্বে মাক্স পরিহিত ৬/৭ জন ব্যক্তি মতিউর রহমানের পিছু নেয়। আলতাফনগর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনটি থামার পর যাত্রী নেমে গেলে ওই ব্যক্তিরা মতিউর রহমানকে মোবাইল চোর আখ্যা দিয়ে বগিতেই মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করে। এরপর ট্রেনটি নসরতপুর স্টেনের প্লাটফরমে পৌঁছিলে ওই ব্যক্তিরা মতিউর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেয়। কিন্ত অলৌকিক ভাবে মতিউর রহমান আহত হলেও বেঁচে যান। সেই ভিডিওটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে সারাদেশে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় মতিউর রহমান নিজেই বাদি হয়ে আদমদীঘি সদরের ডহরপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সজিব হোসেন (২৫) এর নাম উল্লেখসহ আরো আজ্ঞাত ৬/৭ জনের নামে এই মামলা দায়ের করেন। সান্তাহার রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুর রহমান বলেন, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনামতে বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামী গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হচ্ছে।