
শিমুল হাসান,, আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘিতে পাওনা চালের দাম ও টাকা চাওয়ায় আব্দুস সাত্তার (৬০) নামের এক চাতাল ব্যবসায়ীকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিটে আহত করে তার নিকট থেকে অর্ধ লাকের অধিক টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত মামলায় পুলিশ মমিন (৩০) নামের এজাহারভুক্ত এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সে আদমদীঘি উপজেলার কোমারপুর গ্রামের মোঃ বক্সের ছেলে। তিনি বর্তমান ডহরপুর গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করে। গত রোববার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তাকে কলেজ গেটের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় আহত চাতাল ব্যবসায়ী
আব্দুস সাত্তারের ছেলে সজিব খান বাদি হয়ে আদমদীঘি উপজেলার সাগরপুর গ্রামের মো: বাসারের ছেলে নয়ন (২৮) ও কোমারপুর গ্রামের মোঃ বক্সের ছেলে মমিনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
মামলা সুত্রে জানাযায়, আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউপির দারীকুড়ি গ্রামের চাতাল ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার আদমদীঘি ছাতিয়ানগ্রাম সড়কের ব্রিজ সংলগ্ন জনৈক আয়েন উদ্দিনের বয়লার (চাতাল) ভাড়া নিয়ে ধান চালের ব্যবসা করে আসছেন। মামলার এজাহারভুক্ত আসামী নয়ন সম্প্রতি তারনিকট থেকে ২০ কেজি চাল ও ২ হাজার টাকা কর্জ নেয়। সেই কর্জের চাল ও টাকা পরিশোধ না করায় গত ১০ এপ্রিল বেলা ১১ টায় আদমদীঘি ব্রিজ সংলগ্ন কলেজ গেটের সামনে নয়নের কাছে পাওনা টাকা চাইলে সে টাকা পরিশোধ করতে অস্বীকার করে। এসময় চাতাল উভয়ের মধ্যে কথাকাটা কাটির এক পর্যায়ে নয়ন ও মমিন ক্ষিপ্ত হয়ে চাতাল ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তারকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার মাথায় লাঠির আঘাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিটে ফোলাজখম করে তার লুঙ্গির ভঁাজে রাখা ৫১ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে আহত আব্দুস সাত্তারকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আদমদীঘি হাসপাতালে ভর্তি করান। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধিন রয়েছে। এদিকে মামলার বাদি সজিব খান বলেন, আসামী গ্রেফতার হওয়ায় অপর পলাতক আসামী নয়নসহ তার লোকজন মামলা তুলে নিয়ে চাপসহ নানা হুমকি দিচ্ছে। ফলে নিরাপত্তাহিনতায় ভুগছেন তিনি। অপর আসামী গ্রেফতার তৎপরতা চলছে বলে জানান আদমদিঘী থানার মামলার তদন্তকারি উপ- পরিদর্শক তারেক রহমান ।

প্রতিবেদক 




















