০২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আদমদীঘিতে ছাত্রীর ফোনে কু-রুচিপূর্ণ ম্যাসেজ দেয়ায় মাদ্রাসার শিক্ষককে গনধোলায়

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০২:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার আদমদীঘিতে ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান বিরুদ্ধে ৯ম শ্রেনির এক ছাত্রীকে মোবাইল ফোনে দেখা করা সহ নানা ভাবে কু-রুচিপূর্ণ চ্যাটিংয়ে ম্যাসেজ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শিক্ষককে গনধোলায় দিয়ে থানা পুলিশে সোর্পদ করেছে।
৩০জুন মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় উপজেলার নসরতপুর ইউপির ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসার এ ঘটনা ঘটে। সহকারি মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান (৩৮) উপজেলার কুন্দগ্রাম ইউপির কড়ই গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে।
আদমদীঘি থানা পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার নসরতপুর ইউপির ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয় দাখিল মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী শিক্ষক মাহমুদ হাসান বেশ কিছুদিন যাবত একই মাদ্রাসার ৯ম শ্রেনির এক ছাত্রীর মোবাইল ফোনে তার সাথে একা দেখা করতে বলাসহ নানা কথা লিখে ম্যাসেজের মাধ্যমে চ্যাটিং করে আসছিল। বিষয়টি ওই ছাত্রী তার অভিভাবকদের জানালে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে ছাত্রীর স্বজন ও স্থানীয় লোকজন মঙ্গলবার সকালে ওই মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান মাদ্রাসায় আসার পর ছাত্রীর স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে মোবাইল ফোনে ছাত্রীকে চ্যাটিং বিষয়ে জানতে চাইলে সে অকপটে স্বীকার করে। বিকেল ৪টায় বিদ্যালয় চত্বরে জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে মাদ্রাসার ঘেরাও করে শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রেখে থানায় খবর দেন। পরে আদমদীঘি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসানকে আটক করে। এ সময় উত্তেজিত ও বিক্ষিপ্ত জনতা পুলিশের উপস্থিতিতেই সহকারি মৌলভী মাহমুদুল হাসানকে গনধোলাই দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করেন।
মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রহমতুল্যাহ অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশে সোর্পদ ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি আজই জেনেছি। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার আগেই এ অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটেছে। এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান মিয়া জানান, এ ঘটনায় আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

একটু বৃষ্টিতেই পাকুল্লা হাটে জলাবদ্ধতা ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে দুর্ভোগ,ক্ষতিরমুখে পথচারী ব্যবসায়ীরা 

আদমদীঘিতে ছাত্রীর ফোনে কু-রুচিপূর্ণ ম্যাসেজ দেয়ায় মাদ্রাসার শিক্ষককে গনধোলায়

প্রকাশিত: ০২:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার আদমদীঘিতে ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান বিরুদ্ধে ৯ম শ্রেনির এক ছাত্রীকে মোবাইল ফোনে দেখা করা সহ নানা ভাবে কু-রুচিপূর্ণ চ্যাটিংয়ে ম্যাসেজ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শিক্ষককে গনধোলায় দিয়ে থানা পুলিশে সোর্পদ করেছে।
৩০জুন মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় উপজেলার নসরতপুর ইউপির ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসার এ ঘটনা ঘটে। সহকারি মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান (৩৮) উপজেলার কুন্দগ্রাম ইউপির কড়ই গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে।
আদমদীঘি থানা পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার নসরতপুর ইউপির ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয় দাখিল মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী শিক্ষক মাহমুদ হাসান বেশ কিছুদিন যাবত একই মাদ্রাসার ৯ম শ্রেনির এক ছাত্রীর মোবাইল ফোনে তার সাথে একা দেখা করতে বলাসহ নানা কথা লিখে ম্যাসেজের মাধ্যমে চ্যাটিং করে আসছিল। বিষয়টি ওই ছাত্রী তার অভিভাবকদের জানালে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে ছাত্রীর স্বজন ও স্থানীয় লোকজন মঙ্গলবার সকালে ওই মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান মাদ্রাসায় আসার পর ছাত্রীর স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে মোবাইল ফোনে ছাত্রীকে চ্যাটিং বিষয়ে জানতে চাইলে সে অকপটে স্বীকার করে। বিকেল ৪টায় বিদ্যালয় চত্বরে জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে মাদ্রাসার ঘেরাও করে শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রেখে থানায় খবর দেন। পরে আদমদীঘি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসানকে আটক করে। এ সময় উত্তেজিত ও বিক্ষিপ্ত জনতা পুলিশের উপস্থিতিতেই সহকারি মৌলভী মাহমুদুল হাসানকে গনধোলাই দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করেন।
মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রহমতুল্যাহ অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশে সোর্পদ ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি আজই জেনেছি। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার আগেই এ অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটেছে। এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান মিয়া জানান, এ ঘটনায় আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।