০৩:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আদমদীঘিতে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে নারীর আত্মহত্যা

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৪:৩৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

মিহির কুমার সরকার,আদমদীঘি (বগুড়া) ঃ বগুড়ার আদমদীঘিতে মর্জিনা বেগম (৫২) নামে এক নারী বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। ওই নারী উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের বাগবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের স্ত্রী। গত ২০ জুন,শনিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ওই নারীকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।

আদমদীঘি থানা পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে ওই নারীর স্বামী আব্দুস সামাদ মারা গেছেন। এরপর থেকে দুই ছেলে সন্তান নিয়ে তিনি স্বামীর বাড়িতেই বসবাস করতেন। বড় ছেলে মুক্তার হোসেন দেশের বাহিরে প্রবাসে থাকেন এবং ছোট ছেলে সানোয়ার হোসেন বাড়িতেই থাকেন। শনিবার সন্ধ্যায় সময় সকলের অজান্তে মর্জিনা বেগম নিজ বাড়িতে বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে ছটফট করতে শুরু করে। এ সময় ছেলে সানোয়ার ও তার স্ত্রী দেখতে পেয়ে অটোরিকশা করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেয়। কিন্তু সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পথের মধ্যে তিনি মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ রবিবার সকালে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

একটু বৃষ্টিতেই পাকুল্লা হাটে জলাবদ্ধতা ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে দুর্ভোগ,ক্ষতিরমুখে পথচারী ব্যবসায়ীরা 

আদমদীঘিতে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে নারীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত: ০৪:৩৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

মিহির কুমার সরকার,আদমদীঘি (বগুড়া) ঃ বগুড়ার আদমদীঘিতে মর্জিনা বেগম (৫২) নামে এক নারী বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। ওই নারী উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের বাগবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের স্ত্রী। গত ২০ জুন,শনিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ওই নারীকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।

আদমদীঘি থানা পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে ওই নারীর স্বামী আব্দুস সামাদ মারা গেছেন। এরপর থেকে দুই ছেলে সন্তান নিয়ে তিনি স্বামীর বাড়িতেই বসবাস করতেন। বড় ছেলে মুক্তার হোসেন দেশের বাহিরে প্রবাসে থাকেন এবং ছোট ছেলে সানোয়ার হোসেন বাড়িতেই থাকেন। শনিবার সন্ধ্যায় সময় সকলের অজান্তে মর্জিনা বেগম নিজ বাড়িতে বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে ছটফট করতে শুরু করে। এ সময় ছেলে সানোয়ার ও তার স্ত্রী দেখতে পেয়ে অটোরিকশা করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেয়। কিন্তু সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পথের মধ্যে তিনি মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ রবিবার সকালে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।