১১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অধ্যক্ষসহ নিয়োগ কার্যক্রম কেন বাতিল নয়-জবাব চেয়েছে আদালত

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০১:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে
আবু রায়হান রানা শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধিঃ একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষসহ সাতটি পদে নিয়োগ কার্যক্রম কেন বাতিল করা হবে না, জবাব চেয়েছেন আদালত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে বগুড়া জেলার সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে মামলা দায়ের করা হলে বিচারক এ আদেশ দেন। গতকাল শনিবার মামলার বাদী ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা এতথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে জেলার শেরপুর উপজেলার জামুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির অভিভাবক সদস্য একরাম হোসেন, আবু সাঈদ, ফিরোজ আলম ও রফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে মামলাটি করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে এক কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে বিবাদীদের লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার বিবাদীরা শেরপুরের জামুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোশারফ হোসেন, ভারপ্রাপ্ত মান্নান, উপজেলা অধ্যক্ষ আব্দুল নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রারকে বিবাদী করা হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোশরাফ হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান প্রতিষ্ঠানের অর্থ অসাতসহ নিয়োগ বাণিজ্য করছেন। তারা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষসহ সাতটি পদে নিয়োগ দেয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন।
এমনকি এসব পদে চাকরি প্রত্যাশীদের নিকট থেকে চুক্তি মাফিক মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করেই ওই নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছেন তারা। এবিষয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ ভিত্তিহীন। মাদ্রাসার সাতটি পদ শূন্য থাকায় জনবল সংকটে শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। বিধি মেনেই নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছেন বলে জানা তিনি।।
Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

বগুড়ায় অসুস্থ সাংবাদিক মুসা’র শয্যা’র পাশে জাসাস নেতা শফিক ও ছোটন

অধ্যক্ষসহ নিয়োগ কার্যক্রম কেন বাতিল নয়-জবাব চেয়েছে আদালত

প্রকাশিত: ০১:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
আবু রায়হান রানা শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধিঃ একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষসহ সাতটি পদে নিয়োগ কার্যক্রম কেন বাতিল করা হবে না, জবাব চেয়েছেন আদালত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে বগুড়া জেলার সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে মামলা দায়ের করা হলে বিচারক এ আদেশ দেন। গতকাল শনিবার মামলার বাদী ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা এতথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে জেলার শেরপুর উপজেলার জামুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির অভিভাবক সদস্য একরাম হোসেন, আবু সাঈদ, ফিরোজ আলম ও রফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে মামলাটি করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে এক কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে বিবাদীদের লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার বিবাদীরা শেরপুরের জামুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোশারফ হোসেন, ভারপ্রাপ্ত মান্নান, উপজেলা অধ্যক্ষ আব্দুল নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রারকে বিবাদী করা হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোশরাফ হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান প্রতিষ্ঠানের অর্থ অসাতসহ নিয়োগ বাণিজ্য করছেন। তারা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষসহ সাতটি পদে নিয়োগ দেয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন।
এমনকি এসব পদে চাকরি প্রত্যাশীদের নিকট থেকে চুক্তি মাফিক মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করেই ওই নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছেন তারা। এবিষয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ ভিত্তিহীন। মাদ্রাসার সাতটি পদ শূন্য থাকায় জনবল সংকটে শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। বিধি মেনেই নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছেন বলে জানা তিনি।।