
সুশান্ত মালাকার নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ধারশুন গ্রামে ভেকু মেশিন দ্বারা তিন ফসলী জমি খনন করে পুকুর। রোববার ৭ই ডিসেম্বর দুপুরে সরজমিননে গিয়ে দেখা যায়,গোবিন্দপুর ইউনিয়নে ধারশুন গ্রামের মৃত মোকছেদ সোনার এর ছেলে মোঃ সেলিম সোনার। তবে বিষয়টি উপজেলা প্রসাশনের এসি ল্যান্ড কে অবগত করলেও এখনো মাটি কাটা চলমান রয়েছে। স্থানীয়রা জানান প্রসাশন ম্যানেজ করে হয়তোবা মাটি কাটছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, প্রায় ১বিঘা তিন ফসলি ধানী জমিতে ভেকু মেশিন দ্বারা খনন করে পুকুর করছেন সেলিম সোনার। এ বিষয়ে মোঃ সেলিম সোনারের সঙ্গে কথা বললে,তিনি প্রতিবেদককে জানান, এ বিষয়ে প্রশাসনের মৌখিক অনুমতি নিয়েছি,তবে লিখিত অনুমতি নেইনি।তিনি আমার জমিতে আমি মাটি কাটছি কার কাছ থেকে অনুমতি নিবো।
এদিকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও অপরিকল্পিত ভাবে নতুন নতুন বাড়ীঘর নির্মাণ ও ফসলী জমি খনন করে পুকুর নির্মাণ করায় দিন দিন আবাদী জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে এবং ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। আবাদী জমি খনন করে পুকুর নির্মাণ বন্ধ করা না গেলে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্জন ব্যাহত হবে। এ বিষয়ে দুপচাঁচিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান,আমরা কাউকে মৌলিক অনুমতি দেন নাই,শনিবার ছুটির দিন হওয়ায় ব্যবস্থা নিতে পারছি না। তবে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত মাটি কাটা কার্যক্রম চলমান ছিলো। পরে এবিষয়ে আবার যোগাযোগ করলে তিনি জানান,আপনি এ বিষয়ে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি)এর সাথে যোগাযোগ করেন। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হবে। তিনি আরো বলেন ফসলী জমি খনন করে পুকুর নির্মাণ করা ভূমি আইনে অপরাধ। এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জমি খনন করে পুকুর নির্মাণ চললেও এ ব্যাপারে প্রশাসনের কোন রকম ব্যবস্থা গ্রহণ চোখে পড়ে নাই। ধারশুন এলাকার জমিতে পুকুর খনন করার পার্শ্ববর্তী জমির মালিকগন জানান আমাদের জমির পার্শ্বে পুকুর খনন করায় যেকোনো মুহূর্তে আমাদের ছবিগুলো ধসে পুকুরে পরিনত হতে পারে।
এই বিষয়ে পার্শবর্তী জমির মালিকরা জরুরি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

প্রতিবেদক 




















