
স্টাফ রিপোর্টারঃ অন্ন শব্দের অর্থ ভাত আর কূট শব্দের অর্থ পাহাড় অর্থাৎ ভাতের পাহার।এমনি এক অনুষ্ঠান হয়ে গেল আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘ(ইসকন)বগুড়া মন্দিরে। যেখানে শতাধিক রকমের বাঞ্ছন সাজানো হয়েছিল অন্ন স্তুপের চতুর্দিকে। তবে সবার দৃষ্টি ছিলো অন্নের উপর মানুষের অবয়ব প্রতিকৃতির দিকে।আর সেটি এক নজর দেখার জন্য রিতিমত ভীর জমে যায়। বৈষ্ণবীয় সাধুদের মতে,অন্নকুট উৎসবের শাস্ত্রীয় বা পৌরাণিক প্রেক্ষাপট প্রায় ভক্তদের জানা।অন্নকূট উৎসবটি মূলত বা প্রধানত বৈষ্ণবদের হলেও হাল আমলে শাক্ত পরিবার ও মন্দিরেও এখন অনুষ্ঠিত হয়। আর তাই অন্নকূট এখন সকল সনাতনীদের জন্য সর্বজনীন এক প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান। ফলে অন্নকূট নিয়ে ইসকন বা গৌরীয় ভক্তদের আগ্রহ প্রতি বছর বেড়েই চলেছে।
এর প্রধান কারন অন্নকূটের অনুষঙ্গ,উপাচার এবং ভোগ নৈবেদ্যের নানা নান্দনিকতা।
খাবার যে কেবল মাত্র রসনা বিলাসের নামান্তর নয়,তা অন্নকূটেই উপলব্ধি করা যায়।রকমারি রন্ধনের শিল্পশৈলী এবং রন্ধনক্রিয়া যে একটি উচ্চমার্গের উদ্ভাবনী ও শিল্পচিন্তা তা অন্নকূট উৎসবে একেবারেই দৃশ্যমান হয়।সাধু সন্তুদের দাবি শাস্ত্রীয় প্রেক্ষাপটের পাশাপাশি রন্ধনশিল্পের চিরায়ত চর্চায় অন্নকূট উৎসবের নিঃসন্দেহে বিশেষ গুরুত্ব সেই সাথে ভূমিকাও রয়েছে।আর বিশ্বায়নের যুগে কিংবা কর্পোরেট কালচারের সমকালে এই অন্নকূট উৎসব হিসেবেও পরিচিত করা যেতে পারে।তাইতো প্রতিবছরের ন্যায় এবারো অন্নকুট উপলক্ষে দিনব্যাপী বগুড়া আনন্দ আশ্রম ইসকন মন্দিরে ভজন,কীর্তন ও ধর্মীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ধর্মীয় বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন বগুড়া আনন্দ আশ্রম (ইসকন)এর অধ্যক্ষ ও শেরপুর ইসকন মন্দিরের সভাপতি ধর্মীয় গুরু খরাজিত কৃষ্ণদাস ব্রহ্মচারী। এতে উপস্থিত ছিলেন ইসকন(বগুড়া)মন্দিরের সভাপতি দিলিপ কুমার দেব সহ এ অনুষ্ঠানে প্রায় চার শতাধিক ভক্তবৃন্দরা।

প্রতিবেদক 




















