০৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় শতাধিক মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ, ইউএনও’র নিকট অভিযোগ 

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৯:৫৮:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

বিকাশ স্বর্নকার,সোনাতলাঃ বগুড়া সোনাতলায় শতাধিক মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধে, প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। ঘটনাটি উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার দক্ষিণ চরপাড়ায়। ফলে এটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সর্বত্রই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। সরেজমিনে গতকাল রোববার দক্ষিণ চরপাড়ায় গেলে স্থানীয়রা জানান দির্ঘদিন ধরে একমাত্র চলাচলের ওই রাস্তা দিয়ে প্রায় ৪০টি পরিবারের শতাধিক লোকজন ছাড়াও আশপাশের লোকজন জমিতে কৃষি কাজ করার জন্য যাতায়াত করেন।সেই সাথে স্কুলে যাতায়াত করেন শিক্ষার্থীরা। হঠাৎ হিংসা বসত ওই রাস্তা বন্ধ করে ঘর নির্মাণ করে আঃ মজিদ ও তার ছেলে মিলন মিয়া। ফলে মুহূর্তেই যেন সবকিছু থমকে যায়। স্থানীয় নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বলেন মিলন মিয়া কিছু দিন পুর্বে কাজের সন্ধানে বিদেশ যান। সম্প্রতি মিলন মিয়া বিদেশ হতে ফিরেই গাঁয়ের জোরে চলাচলের রাস্তায় ইটের প্রাচির নির্মাণ করে।এবিষয়ে পাশের জায়গার মালিক মৃত ডাক্তার আফজাল এর ছেলে জাহিদুল ইসলাম জানান,বহু বছর পুর্বে এলাকাবাসীর উদ্যোগে দু- পাশ হতে জায়গা নিয়ে রাস্তাটি নির্মিত হয়। তবে হঠাৎ পাশের বসবাস কারি মিলন মিয়া ও তার বাবা সিমানা ঘেঁষে প্রাচির নির্মাণ করলে চরম ভোগান্তিতে পড়ে শতাধিক লোকজন। তিনি বলেন দু-পাশ্বের জায়গায় রাস্তা নির্মাণ হলে আমাদের কোন আপত্তি নেই। ভুক্তভোগী সামাদ মিয়া,শরিফুল ইসলাম,স্বাধীন মিয়া,মর্জিনা বেগম,শাপলা খাতুন,তোতা ও আপেল বলেন,আমরা প্রায় ৪০টি পরিবারের শতাধিক মানুষ এখানে বসবাস করে আসছি। তবে মিলন মিয়া সিমানা ঘেঁষে প্রাচির নির্মাণ করায় আমরা আর চলাচল করতে পারছিনা। রাস্তা বন্ধে আমরা হাট বাজার এমনকি মসজিদে গিয়ে নামাজ পর্যন্ত পরতে পারছিনা। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনা করে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। ফলে উপায় অন্তর না পেয়ে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে এলাকাবাসীর স্বাক্ষরিত কপি সহ দরখাস্ত দায়ের করেছি।তাদের দাবি বন্ধ রাস্তা চলাচলের উপযোগী হলে আবার হয়তো পূর্বের মতোই স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করা সম্ভব হবে।এদিকে ওই রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বেশ সমস্যায় পড়েছেন স্কুল গামী খুদে শিক্ষার্থীরা। বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান সামনে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেই বিদ্যালয়ে আমাদের ছেলে ও মেয়েরা ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতো। সম্প্রতি রাস্তা বন্ধের কারণে ছাত্র ছাত্রীদের স্কুলে যাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে।রাস্তা বন্ধে এলাকাবাসীদের দেয়া অভিযোগ বিষয়ে স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বীকৃতি প্রামাণিক বলেন,ওখানকার লোকজন আমার কাছে এসেছিলো।আমি বিস্তারিত শুনেছি এবং বিষয়টি সরেজমিনে গিয়ে দেখতে ইউপি চেয়ারম্যান কে বলেছি।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

বগুড়ায় ছাদের পানির পাইপ ভাঙাকে কেন্দ্র করে বিরোধ,হুমকির অভিযোগ 

সোনাতলায় শতাধিক মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ, ইউএনও’র নিকট অভিযোগ 

প্রকাশিত: ০৯:৫৮:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

বিকাশ স্বর্নকার,সোনাতলাঃ বগুড়া সোনাতলায় শতাধিক মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধে, প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। ঘটনাটি উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার দক্ষিণ চরপাড়ায়। ফলে এটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সর্বত্রই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। সরেজমিনে গতকাল রোববার দক্ষিণ চরপাড়ায় গেলে স্থানীয়রা জানান দির্ঘদিন ধরে একমাত্র চলাচলের ওই রাস্তা দিয়ে প্রায় ৪০টি পরিবারের শতাধিক লোকজন ছাড়াও আশপাশের লোকজন জমিতে কৃষি কাজ করার জন্য যাতায়াত করেন।সেই সাথে স্কুলে যাতায়াত করেন শিক্ষার্থীরা। হঠাৎ হিংসা বসত ওই রাস্তা বন্ধ করে ঘর নির্মাণ করে আঃ মজিদ ও তার ছেলে মিলন মিয়া। ফলে মুহূর্তেই যেন সবকিছু থমকে যায়। স্থানীয় নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বলেন মিলন মিয়া কিছু দিন পুর্বে কাজের সন্ধানে বিদেশ যান। সম্প্রতি মিলন মিয়া বিদেশ হতে ফিরেই গাঁয়ের জোরে চলাচলের রাস্তায় ইটের প্রাচির নির্মাণ করে।এবিষয়ে পাশের জায়গার মালিক মৃত ডাক্তার আফজাল এর ছেলে জাহিদুল ইসলাম জানান,বহু বছর পুর্বে এলাকাবাসীর উদ্যোগে দু- পাশ হতে জায়গা নিয়ে রাস্তাটি নির্মিত হয়। তবে হঠাৎ পাশের বসবাস কারি মিলন মিয়া ও তার বাবা সিমানা ঘেঁষে প্রাচির নির্মাণ করলে চরম ভোগান্তিতে পড়ে শতাধিক লোকজন। তিনি বলেন দু-পাশ্বের জায়গায় রাস্তা নির্মাণ হলে আমাদের কোন আপত্তি নেই। ভুক্তভোগী সামাদ মিয়া,শরিফুল ইসলাম,স্বাধীন মিয়া,মর্জিনা বেগম,শাপলা খাতুন,তোতা ও আপেল বলেন,আমরা প্রায় ৪০টি পরিবারের শতাধিক মানুষ এখানে বসবাস করে আসছি। তবে মিলন মিয়া সিমানা ঘেঁষে প্রাচির নির্মাণ করায় আমরা আর চলাচল করতে পারছিনা। রাস্তা বন্ধে আমরা হাট বাজার এমনকি মসজিদে গিয়ে নামাজ পর্যন্ত পরতে পারছিনা। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনা করে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। ফলে উপায় অন্তর না পেয়ে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে এলাকাবাসীর স্বাক্ষরিত কপি সহ দরখাস্ত দায়ের করেছি।তাদের দাবি বন্ধ রাস্তা চলাচলের উপযোগী হলে আবার হয়তো পূর্বের মতোই স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করা সম্ভব হবে।এদিকে ওই রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বেশ সমস্যায় পড়েছেন স্কুল গামী খুদে শিক্ষার্থীরা। বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান সামনে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেই বিদ্যালয়ে আমাদের ছেলে ও মেয়েরা ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতো। সম্প্রতি রাস্তা বন্ধের কারণে ছাত্র ছাত্রীদের স্কুলে যাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে।রাস্তা বন্ধে এলাকাবাসীদের দেয়া অভিযোগ বিষয়ে স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বীকৃতি প্রামাণিক বলেন,ওখানকার লোকজন আমার কাছে এসেছিলো।আমি বিস্তারিত শুনেছি এবং বিষয়টি সরেজমিনে গিয়ে দেখতে ইউপি চেয়ারম্যান কে বলেছি।