০৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বরকে পাশের ঘরে অপেক্ষায় রেখে অন্য ঘরে নববধূর আত্মহত্যা

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১২:২৩:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বরের সঙ্গে নববধুর নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন সুমনা আক্তার (১৯) নামের এক নববধূ। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার পালশা ইউনিয়নের চৌধুরী গোপালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আত্মহত্যা করা সুমনা আক্তার চাটশাল সোনারপাড়া গ্রামের সুলতান মিয়ার মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই তিনি নানা মোজাফফর হোসেনের কাছে মানুষ হন।

পরিবারের বরাতে জানা গেছে, গত ১৮ আগস্ট পাশের গ্রামের আব্দুস সোবহানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তিনি স্বামীর বাড়িতে ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে স্বামীকে নিয়ে তিনি নানার বাড়ি বেড়াতে যান। পরে রাতে পরিবারের সদস্যরা যখন নতুন বরকে নিয়ে টেলিভিশন দেখছিলেন, তখন পাশের ঘরে গিয়ে সুমনা আত্মহত্যা করেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

পালশা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘নানা মোজাফফর হোসেন তার নাতনি সুমনার বিয়ে দেন আব্দুস সোবহানের সঙ্গে। মেয়েটি নানার বাড়িতে এসে আত্মহত্যা করল— বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। তবে সে কেন এমন করল, তা বোঝা যাচ্ছে না।’

তিনি আরও জানান, এটি সুমনার দ্বিতীয় বিয়ে। দুই বছর আগে তার প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। আব্দুস সোবহানও তিন মাস আগে তার আগের স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ করেন।

এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।’

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

বগুড়ায় অসুস্থ সাংবাদিক মুসা’র শয্যা’র পাশে জাসাস নেতা শফিক ও ছোটন

বরকে পাশের ঘরে অপেক্ষায় রেখে অন্য ঘরে নববধূর আত্মহত্যা

প্রকাশিত: ১২:২৩:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

অনলাইন ডেস্কঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বরের সঙ্গে নববধুর নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন সুমনা আক্তার (১৯) নামের এক নববধূ। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার পালশা ইউনিয়নের চৌধুরী গোপালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আত্মহত্যা করা সুমনা আক্তার চাটশাল সোনারপাড়া গ্রামের সুলতান মিয়ার মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই তিনি নানা মোজাফফর হোসেনের কাছে মানুষ হন।

পরিবারের বরাতে জানা গেছে, গত ১৮ আগস্ট পাশের গ্রামের আব্দুস সোবহানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তিনি স্বামীর বাড়িতে ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে স্বামীকে নিয়ে তিনি নানার বাড়ি বেড়াতে যান। পরে রাতে পরিবারের সদস্যরা যখন নতুন বরকে নিয়ে টেলিভিশন দেখছিলেন, তখন পাশের ঘরে গিয়ে সুমনা আত্মহত্যা করেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

পালশা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘নানা মোজাফফর হোসেন তার নাতনি সুমনার বিয়ে দেন আব্দুস সোবহানের সঙ্গে। মেয়েটি নানার বাড়িতে এসে আত্মহত্যা করল— বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। তবে সে কেন এমন করল, তা বোঝা যাচ্ছে না।’

তিনি আরও জানান, এটি সুমনার দ্বিতীয় বিয়ে। দুই বছর আগে তার প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। আব্দুস সোবহানও তিন মাস আগে তার আগের স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ করেন।

এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।’