১২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ওসি মিলাদুন-নবী

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৫:৩৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

বিকাশ স্বর্ণকার, সোনাতলাঃ বগুড়া সোনাতলা থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি)হিসেবে বিগত ২০২৪ সালের ২১শে সেপ্টেম্বরে যোগদান করেন মিলাদুন নবী।এর আগে তিনি ছিলিমপুর মেডিকেল ফাঁড়িতে সুনামের সহিত দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। তবে তিনি ক্রান্তি লগ্নে শক্ত হাতে হাল ধরে অফিসারদের নিয়ে এলাকার আইন শৃঙ্খলা উন্নতিতে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। যদিও ৫ই আগষ্ট এর পর ভেঙে পরে পুলিশের মনোবল তবে মনোবল বৃদ্ধি করে বাহিনীর সদস্যদের এবং তার প্রচেষ্টায় স্বস্তি ফিরানোর চেষ্টায় সহকর্মীদের নিয়ে নেমে পড়েন মাঠে। থানা সুত্রে জানা গেছে, প্রায় ১লাখ ২০হাজার জনগনের বিপরীতে মাত্র ৪৯জন পুলিশ নিয়ে চলছে থানার কার্যক্রম। যার মধ্যে ১জন অফিসার ইনচার্জ, ৮জন সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ৭জন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) এবং ৪৩জন কনস্টেবল। মাদকদ্রব্য ও জুয়া সংক্রান্তে গত ৭মাসে বেশকিছু মামলা সহ চিহ্নিত মাদক কারবারীকে আনা হয়েছে আইনের আওতায়। এরফলে এসব মামলায় ইয়াবা,গাঁজা এবং ট্যাপেনটাডল জাতীয় ভয়ঙ্কর মাদক জব্দ করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতনের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী থানার ওসি। সোনাতলার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয়দের মতে,গতবছর এক দুর্যোগপূর্ণ মূহুর্তে দ্বায়িত্ব ভার কাঁধে নিয়েই ওসি মিলাদুন-নবী আমাদের এলাকায় মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় কালে তিনার কথায় সেসময় বেড়েছিল আমাদের মনোবল। তিনি জনতার উদ্দেশ্যে বলছিলেন “পুলিশই জনতা জনতাই পুলিশ” সুতরাং ভয় পাবার কোন কারণ নেই আপনাদের পাশে আমরা আছি। তার এ ধরনের উদ্যোগে আমাদের উৎসাহ ও মনোবল বেড়েছে বহুগুণে।সোনাতলার স্থানীয়রা জানান,আমরা দেখেছি এই ওসির আমলে দিনে এবং রাতে পুলিশকে বাজার সহ এদিক ওদিক টহল দিতে।কারন হিসেবে বললেন গত ৫শে আগষ্ট ওই সময় পুলিশকে চোখেই পড়েনি।এলাকার সুশীল সমাজের মতে আইন-শৃঙ্খলায় তার নেতৃত্বে সোনাতলা থানার জনগণ এখন বেশ নিরাপদ। এমন একজন কর্মকর্তার হাত ধরে থানার অফিসারদের কাজে এসেছে গতি সেই সঙ্গে ফিরেছে জনমনে স্বস্তি। থানার গেটে দেখা মিললো মোমিন ইসলাম নামের একজনকে তিনি জানালেন,আমি একটি বিষয় নিয়ে সরাসরি ওসি সাহেবের সাথে কথা বললাম তিনি ধৈর্য্য ধরে আমার কথাগুলো শুনেছেন এবং আশ্বস্ত করেছেন। তিনি খুব ভালো মনের মানুষ। সাংস্কৃতি ব্যক্তিত্বমনা ব্যক্তিরা জানান,ওসি সাহেব অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ এবং সংস্কৃত মনের।মাদক,জুয়া সহ অপরাধ মুলক কাজ তার প্রচেষ্টায় অনেকাংশে নির্মল হয়েছে দুর্যোগপূর্ণ মূহুর্তে যোগদানের মধ্য দিয়ে সুন্দর একটা পরিবেশ বর্তমান দার করিয়ে ফেলেছেন।যেখানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আমরা মনে করি স্বাভাবিক।সোনাতলা থানার ওসি মিলাদুন-নবী সাথে কথা হলে তিনি জানান, চরম এক অস্থিতিশীল পরিবেশে এ থানার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছি। যেখানে জনগণের মব জাস্টিসটাই প্রাধান্য ছিল এবং এ জনপদের মানুষ ছিল অস্থিরতায়। সে সময় জনগনের সাথে মিশে জনগণের সেবামূলক কাজ করে জনতার আস্থা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি মবজাস্টিসকে প্রতিরোধ করাটাও হয়েছে সম্ভব। আইনের সঠিক প্রয়োগ করে আইন-শৃঙ্খলা উন্নতি সহ সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

আদমদীঘিতে দূর্গোৎসব উপলক্ষে পুজা উদযাপন পরিষদের প্রস্তুতি অনুষ্ঠিত

অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ওসি মিলাদুন-নবী

প্রকাশিত: ০৫:৩৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

বিকাশ স্বর্ণকার, সোনাতলাঃ বগুড়া সোনাতলা থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি)হিসেবে বিগত ২০২৪ সালের ২১শে সেপ্টেম্বরে যোগদান করেন মিলাদুন নবী।এর আগে তিনি ছিলিমপুর মেডিকেল ফাঁড়িতে সুনামের সহিত দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। তবে তিনি ক্রান্তি লগ্নে শক্ত হাতে হাল ধরে অফিসারদের নিয়ে এলাকার আইন শৃঙ্খলা উন্নতিতে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। যদিও ৫ই আগষ্ট এর পর ভেঙে পরে পুলিশের মনোবল তবে মনোবল বৃদ্ধি করে বাহিনীর সদস্যদের এবং তার প্রচেষ্টায় স্বস্তি ফিরানোর চেষ্টায় সহকর্মীদের নিয়ে নেমে পড়েন মাঠে। থানা সুত্রে জানা গেছে, প্রায় ১লাখ ২০হাজার জনগনের বিপরীতে মাত্র ৪৯জন পুলিশ নিয়ে চলছে থানার কার্যক্রম। যার মধ্যে ১জন অফিসার ইনচার্জ, ৮জন সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ৭জন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) এবং ৪৩জন কনস্টেবল। মাদকদ্রব্য ও জুয়া সংক্রান্তে গত ৭মাসে বেশকিছু মামলা সহ চিহ্নিত মাদক কারবারীকে আনা হয়েছে আইনের আওতায়। এরফলে এসব মামলায় ইয়াবা,গাঁজা এবং ট্যাপেনটাডল জাতীয় ভয়ঙ্কর মাদক জব্দ করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতনের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী থানার ওসি। সোনাতলার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয়দের মতে,গতবছর এক দুর্যোগপূর্ণ মূহুর্তে দ্বায়িত্ব ভার কাঁধে নিয়েই ওসি মিলাদুন-নবী আমাদের এলাকায় মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় কালে তিনার কথায় সেসময় বেড়েছিল আমাদের মনোবল। তিনি জনতার উদ্দেশ্যে বলছিলেন “পুলিশই জনতা জনতাই পুলিশ” সুতরাং ভয় পাবার কোন কারণ নেই আপনাদের পাশে আমরা আছি। তার এ ধরনের উদ্যোগে আমাদের উৎসাহ ও মনোবল বেড়েছে বহুগুণে।সোনাতলার স্থানীয়রা জানান,আমরা দেখেছি এই ওসির আমলে দিনে এবং রাতে পুলিশকে বাজার সহ এদিক ওদিক টহল দিতে।কারন হিসেবে বললেন গত ৫শে আগষ্ট ওই সময় পুলিশকে চোখেই পড়েনি।এলাকার সুশীল সমাজের মতে আইন-শৃঙ্খলায় তার নেতৃত্বে সোনাতলা থানার জনগণ এখন বেশ নিরাপদ। এমন একজন কর্মকর্তার হাত ধরে থানার অফিসারদের কাজে এসেছে গতি সেই সঙ্গে ফিরেছে জনমনে স্বস্তি। থানার গেটে দেখা মিললো মোমিন ইসলাম নামের একজনকে তিনি জানালেন,আমি একটি বিষয় নিয়ে সরাসরি ওসি সাহেবের সাথে কথা বললাম তিনি ধৈর্য্য ধরে আমার কথাগুলো শুনেছেন এবং আশ্বস্ত করেছেন। তিনি খুব ভালো মনের মানুষ। সাংস্কৃতি ব্যক্তিত্বমনা ব্যক্তিরা জানান,ওসি সাহেব অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ এবং সংস্কৃত মনের।মাদক,জুয়া সহ অপরাধ মুলক কাজ তার প্রচেষ্টায় অনেকাংশে নির্মল হয়েছে দুর্যোগপূর্ণ মূহুর্তে যোগদানের মধ্য দিয়ে সুন্দর একটা পরিবেশ বর্তমান দার করিয়ে ফেলেছেন।যেখানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আমরা মনে করি স্বাভাবিক।সোনাতলা থানার ওসি মিলাদুন-নবী সাথে কথা হলে তিনি জানান, চরম এক অস্থিতিশীল পরিবেশে এ থানার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছি। যেখানে জনগণের মব জাস্টিসটাই প্রাধান্য ছিল এবং এ জনপদের মানুষ ছিল অস্থিরতায়। সে সময় জনগনের সাথে মিশে জনগণের সেবামূলক কাজ করে জনতার আস্থা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি মবজাস্টিসকে প্রতিরোধ করাটাও হয়েছে সম্ভব। আইনের সঠিক প্রয়োগ করে আইন-শৃঙ্খলা উন্নতি সহ সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের চেষ্টা করা হচ্ছে।