১১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সান্তাহারে হা-মীম পেট্রোল পাম্পের মালিকের গোডাউন থেকেই বাসার লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৪:৫৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

আদমদিঘী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ মাত্র দুই মাসের বকেয়া বাসা ভাড়া না পেয়ে ভাড়াটের লুট করা মালামাল বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে হা-মীম পেট্রোল পাম্পের নিজস্ব গোডাউনে রাখলেও অবশেষে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার সূত্র ধরে উপজেলার সান্তাহারে হা-মীম পেট্রোল পাম্পের গোডাউন থেকে প্রায় ৮০-৯০ হাজার টাকার আসবাবপত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) টিম। তবে মামলায় প্রায় ২৬ লাখ ৩৭ হাজার টাকার মালামাল লুট করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত চার বছর ধরে নওগাঁর কাজীর মোড়ের মোস্তাক মো. আদিল ওরফে ডায়মন্ড নামের এক ব্যক্তির টিবিএল ভিআইপি টাওয়ারের ১০ তলায় একই উপজেলার করনেশান পাড়ার শিউলী আক্তার পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। হঠাৎ গত বছরের অক্টোবর মাসে শিউলীর স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য তাঁরা পরিবার সহ বগুড়ায় অবস্থান করেন। শিউলির ছেলে শিবলী আহমেদ প্রান্ত বাসার মালিককে পরিস্থিতির কথা জানান। কিন্তু বাবার চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা খরচ হওয়ায় তিনি দুই মাসের বাসা ভাড়া দিতে পারেননি। এরপর বাসার মালিক ডায়মন্ড ও তার ছেলে ইসতিয়াক আহম্মেদ রাহী তাকে ফোন করে ভাড়ার টাকা না পাওয়ায় বাসার তালা ভেঙে আসবাবপত্রসহ নানা ধরনের মালামাল লুট করে। এরপর তারা অন্যত্র বাসা ভাড়া প্রদান করেন। ভুক্তভোগীরা মালামালগুলো চেয়ে ফেরত না পাওয়ায় নিরূপায় হয়ে গত ২২ জানুয়ারী নওগাঁ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার সূত্র ধরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) একটি টিম মঙ্গলবার দুপুরে বাসার মালিক ডায়মন্ডের সান্তাহারে হা-মীম পেট্রোল পাম্পের নিজস্ব গোডাউন থেকে প্রায় ৯০ হাজার টাকার আসবাবপত্র উদ্ধার করলেও বাঁকি মালামাল উদ্ধার করতে পারেন নি।

এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ইন্সপেক্টর প্রতাপ সিংহ বলেন, মামলার তদন্তে হা-মীম পেট্রোল পাম্পের গোডাউন থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় কিছু মালামাল উদ্ধার করতে পারলেও মূল্যবান জিনিসপত্র যেমন-ফ্রিজ, টেলিভিশন ও স্বর্ণলঙ্কার পাওয়া যায় নি। উদ্ধারকৃত মালামালের একটি জব্দ তালিকা করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।
Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

একটু বৃষ্টিতেই পাকুল্লা হাটে জলাবদ্ধতা ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে দুর্ভোগ,ক্ষতিরমুখে পথচারী ব্যবসায়ীরা 

সান্তাহারে হা-মীম পেট্রোল পাম্পের মালিকের গোডাউন থেকেই বাসার লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার

প্রকাশিত: ০৪:৫৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

আদমদিঘী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ মাত্র দুই মাসের বকেয়া বাসা ভাড়া না পেয়ে ভাড়াটের লুট করা মালামাল বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে হা-মীম পেট্রোল পাম্পের নিজস্ব গোডাউনে রাখলেও অবশেষে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার সূত্র ধরে উপজেলার সান্তাহারে হা-মীম পেট্রোল পাম্পের গোডাউন থেকে প্রায় ৮০-৯০ হাজার টাকার আসবাবপত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) টিম। তবে মামলায় প্রায় ২৬ লাখ ৩৭ হাজার টাকার মালামাল লুট করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত চার বছর ধরে নওগাঁর কাজীর মোড়ের মোস্তাক মো. আদিল ওরফে ডায়মন্ড নামের এক ব্যক্তির টিবিএল ভিআইপি টাওয়ারের ১০ তলায় একই উপজেলার করনেশান পাড়ার শিউলী আক্তার পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। হঠাৎ গত বছরের অক্টোবর মাসে শিউলীর স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য তাঁরা পরিবার সহ বগুড়ায় অবস্থান করেন। শিউলির ছেলে শিবলী আহমেদ প্রান্ত বাসার মালিককে পরিস্থিতির কথা জানান। কিন্তু বাবার চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা খরচ হওয়ায় তিনি দুই মাসের বাসা ভাড়া দিতে পারেননি। এরপর বাসার মালিক ডায়মন্ড ও তার ছেলে ইসতিয়াক আহম্মেদ রাহী তাকে ফোন করে ভাড়ার টাকা না পাওয়ায় বাসার তালা ভেঙে আসবাবপত্রসহ নানা ধরনের মালামাল লুট করে। এরপর তারা অন্যত্র বাসা ভাড়া প্রদান করেন। ভুক্তভোগীরা মালামালগুলো চেয়ে ফেরত না পাওয়ায় নিরূপায় হয়ে গত ২২ জানুয়ারী নওগাঁ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার সূত্র ধরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) একটি টিম মঙ্গলবার দুপুরে বাসার মালিক ডায়মন্ডের সান্তাহারে হা-মীম পেট্রোল পাম্পের নিজস্ব গোডাউন থেকে প্রায় ৯০ হাজার টাকার আসবাবপত্র উদ্ধার করলেও বাঁকি মালামাল উদ্ধার করতে পারেন নি।

এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ইন্সপেক্টর প্রতাপ সিংহ বলেন, মামলার তদন্তে হা-মীম পেট্রোল পাম্পের গোডাউন থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় কিছু মালামাল উদ্ধার করতে পারলেও মূল্যবান জিনিসপত্র যেমন-ফ্রিজ, টেলিভিশন ও স্বর্ণলঙ্কার পাওয়া যায় নি। উদ্ধারকৃত মালামালের একটি জব্দ তালিকা করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।