০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাবতলীতে আ’লীগ নেতা তারাজুল চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দুইজনের যাবজ্জীবন ॥ অন্যান্যরা খালাস

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৪:০৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৪
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বগুড়ার গাবতলীতে ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা তারাজুল ইসলামকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দুই আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের দুজনকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। ২৮ নভেম্বর/২৪ বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়ার সিনিয়র দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির এ রায় দেন। দন্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন গাবতলীর আটবাড়িয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. বুলু প্রামাণিকের ছেলে গাড়িচালক হেলাল উদ্দিন ও বগুড়া সদর উপজেলার পীরগাছা লক্ষ্মীপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে মো. মানিক। মামলা সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া শহরের রহমান নগর এলাকায় সপরিবারে বসবাস করতেন তারাজুল ইসলাম। রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করতেন তিনি। ২০১৬ সালে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন নিয়ে তিনি গাবতলীর সোনারায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে নিজ বাড়ি উপজেলার আটবাড়িয়া গ্রামে গেলে ৮ জুলাই/১৬ রাতে শয়নকক্ষের জানালা দিয়ে সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তারাজুলকে উদ্ধার করে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরে রাজধানী ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে আবার বগুড়ার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হলে ২৩ জুলাই/১৬ তার মৃত্যু ঘটে। এতদিন তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। গুলির ঘটনায় তারাজুলের স্ত্রী লায়লা আরজুমান্দ বানু শাপলা ১২ জুলাই/১৬ গাবতলী মডেল থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে মামলা দায়ের করেন। পরে গাড়িচালক হেলালকে গ্রেফতার করে পুলিশ এবং হত্যার ঘটনায় তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে সব সাক্ষ্য প্রমাণ হাজিরসহ অন্য কার্যক্রম শেষ হওয়ায় আদালত বৃহস্পতিবার গাড়িচালক হেলাল ও মানিককে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। কোর্ট ইন্সপেক্টর মোসাদ্দেক হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে বাদী পক্ষ আসামীদের ফাঁিসর রায় হবে এমনটায় প্রত্যাশা করছিল। এ কারনে এ রায় বাদী পক্ষ মেনে নিতে পারেনি। প্রয়োজনে উচ্চ আদালতে যাবে বাদী পক্ষ এমন কথা বলেছেন।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

একটু বৃষ্টিতেই পাকুল্লা হাটে জলাবদ্ধতা ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে দুর্ভোগ,ক্ষতিরমুখে পথচারী ব্যবসায়ীরা 

গাবতলীতে আ’লীগ নেতা তারাজুল চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দুইজনের যাবজ্জীবন ॥ অন্যান্যরা খালাস

প্রকাশিত: ০৪:০৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৪

মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বগুড়ার গাবতলীতে ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা তারাজুল ইসলামকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দুই আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের দুজনকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। ২৮ নভেম্বর/২৪ বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়ার সিনিয়র দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির এ রায় দেন। দন্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন গাবতলীর আটবাড়িয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. বুলু প্রামাণিকের ছেলে গাড়িচালক হেলাল উদ্দিন ও বগুড়া সদর উপজেলার পীরগাছা লক্ষ্মীপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে মো. মানিক। মামলা সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া শহরের রহমান নগর এলাকায় সপরিবারে বসবাস করতেন তারাজুল ইসলাম। রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করতেন তিনি। ২০১৬ সালে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন নিয়ে তিনি গাবতলীর সোনারায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে নিজ বাড়ি উপজেলার আটবাড়িয়া গ্রামে গেলে ৮ জুলাই/১৬ রাতে শয়নকক্ষের জানালা দিয়ে সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তারাজুলকে উদ্ধার করে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরে রাজধানী ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে আবার বগুড়ার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হলে ২৩ জুলাই/১৬ তার মৃত্যু ঘটে। এতদিন তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। গুলির ঘটনায় তারাজুলের স্ত্রী লায়লা আরজুমান্দ বানু শাপলা ১২ জুলাই/১৬ গাবতলী মডেল থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে মামলা দায়ের করেন। পরে গাড়িচালক হেলালকে গ্রেফতার করে পুলিশ এবং হত্যার ঘটনায় তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে সব সাক্ষ্য প্রমাণ হাজিরসহ অন্য কার্যক্রম শেষ হওয়ায় আদালত বৃহস্পতিবার গাড়িচালক হেলাল ও মানিককে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। কোর্ট ইন্সপেক্টর মোসাদ্দেক হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে বাদী পক্ষ আসামীদের ফাঁিসর রায় হবে এমনটায় প্রত্যাশা করছিল। এ কারনে এ রায় বাদী পক্ষ মেনে নিতে পারেনি। প্রয়োজনে উচ্চ আদালতে যাবে বাদী পক্ষ এমন কথা বলেছেন।