০২:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয়তাবাদী আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে একজন সর্ম্থক থেকে জেলা ছাত্রদলের সেক্রেটারী পলাশ 

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৩:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে
মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মানব কল্যাণে নানা মূখী কর্মকান্ডের ইতিহাস জেনে এবং তাঁর আদর্শ্য ভাল লাগা থেকে জাতীয়তাবাদী’র একজন সর্ম্থক হন এমআর হাসান পলাশ। এর পর গাবতলী ও বগুড়া শহর ছাত্রদলের কর্মকান্ডের সাথে জড়িয়ে পড়েন। ২০১০ সাল থেকে সক্রিয়ভাবে ছাত্রদল করতে থাকে। নর্মতা, ভদ্রতা আর ভাল ব্যবহার করে স্থানীয় বিএনপি, ছাত্রদল ও অঙ্গদলের নেতা-কর্মী এবং সর্ম্থকদের সাথে দলীয় কর্মকান্ডের মাধ্যমে সখ্যতা গড়ে তোলেন এমআর হাসান পলাশ। ফলে ২০১৮ সালে গাবতলী উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মনোনীত হন। এর পর ২০২১ সালে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। বর্তমানে অর্থাৎ গত ১৩সেপ্টেম্বর/২৪ দলের হাইকমান্ড কর্তৃক (কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত) জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব দিয়েছেন এমআর হাসান পলাশকে। অনেকের ন্যায় তিনি (পলাশও) হামলা, মামলা, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। এমনকি গুলিবিদ্ধও হয়েছিলেন এই তরুণ ও নবীন নেতা। মোঃ রাকিবুল হাসান পলাশ অর্থাৎ এমআর হাসান পলাশ বগুড়া গাবতলীর নাড়–য়ামালা ইউনিয়নের চাকলা গ্রামে ১৯৯৫সালের ৫ই ডিসেম্বর মুসলিম সম্ভান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তার বাবা আমজাদ হোসেন একজন কৃষক। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে এমআর হাসান পলাশ সবার বড়। ছোট বেলা থেকেই নানা মূখী মানব সেবা কাজে জড়িত পলাশ। এমনকি বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে জড়িত হয়ে নেতৃত্বে থাকায় স্বীকৃতি স্বরুপ পুরস্কারও পেয়েছেন। তিনি চাকলা গ্রাম থেকে প্রাইমারী স্কুল পড়াশুনা শেষে করে গাবতলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১১সালে এসএসসি পাস করেন। এর পর সৈয়দ আহম্মদ কলেজ থেকে এইচএসসি ও অনার্স শেষ করে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ে সমাজ কর্ম বিভাগে মাস্টাস কমপ্লিট করেন। বর্তমানে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় থেকে সমাজ কর্ম বিভাগেই এমফিল ও পিএইচডি করার প্রস্তÍুতি নিয়েছেন। তার জন্ম ভুমি গাবতলীর মানুষ মনে করেন মানব সেবা আর সৎ নিষ্ঠার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে এমআর হাসান পলাশ আরো এগিয়ে যাবে। এ বিষয়ে গাবতলী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বর্তমানে জেলা বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও গাবতলী উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং সাবেক পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম জানান, গাবতলীর ছেলে জেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বে থাকা মানে আমাদের পৌরবের। এমআর হাসান পলাশ ভাল ছেলে এবং তার নেতৃত্বের দক্ষতা রয়েছে। যে কারণে দলের হাইকমান্ড সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। গাবতলী উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমুল আহসান ডিটল, সাধারণ সম্পাদক এসএম রাঙ্গা ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তা জানান, আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা সময় উপযুগী সিদ্ধান্ত। এমআর হাসান পলাশকে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেয়ায় গাবতলীবাসি অত্যান্ত আনন্দিত। ফলে তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গাবতলীতে বিশাল আনন্দ মিছিল করা হয়েছে। গাবতলী উপজেলা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ আশা করেন এমআর হাসান পলাশ তার দক্ষ নেতৃত্বে আগামীতে আরো এগিয়ে যাবে।
Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

একটু বৃষ্টিতেই পাকুল্লা হাটে জলাবদ্ধতা ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে দুর্ভোগ,ক্ষতিরমুখে পথচারী ব্যবসায়ীরা 

জাতীয়তাবাদী আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে একজন সর্ম্থক থেকে জেলা ছাত্রদলের সেক্রেটারী পলাশ 

প্রকাশিত: ০৩:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মানব কল্যাণে নানা মূখী কর্মকান্ডের ইতিহাস জেনে এবং তাঁর আদর্শ্য ভাল লাগা থেকে জাতীয়তাবাদী’র একজন সর্ম্থক হন এমআর হাসান পলাশ। এর পর গাবতলী ও বগুড়া শহর ছাত্রদলের কর্মকান্ডের সাথে জড়িয়ে পড়েন। ২০১০ সাল থেকে সক্রিয়ভাবে ছাত্রদল করতে থাকে। নর্মতা, ভদ্রতা আর ভাল ব্যবহার করে স্থানীয় বিএনপি, ছাত্রদল ও অঙ্গদলের নেতা-কর্মী এবং সর্ম্থকদের সাথে দলীয় কর্মকান্ডের মাধ্যমে সখ্যতা গড়ে তোলেন এমআর হাসান পলাশ। ফলে ২০১৮ সালে গাবতলী উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মনোনীত হন। এর পর ২০২১ সালে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। বর্তমানে অর্থাৎ গত ১৩সেপ্টেম্বর/২৪ দলের হাইকমান্ড কর্তৃক (কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত) জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব দিয়েছেন এমআর হাসান পলাশকে। অনেকের ন্যায় তিনি (পলাশও) হামলা, মামলা, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। এমনকি গুলিবিদ্ধও হয়েছিলেন এই তরুণ ও নবীন নেতা। মোঃ রাকিবুল হাসান পলাশ অর্থাৎ এমআর হাসান পলাশ বগুড়া গাবতলীর নাড়–য়ামালা ইউনিয়নের চাকলা গ্রামে ১৯৯৫সালের ৫ই ডিসেম্বর মুসলিম সম্ভান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তার বাবা আমজাদ হোসেন একজন কৃষক। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে এমআর হাসান পলাশ সবার বড়। ছোট বেলা থেকেই নানা মূখী মানব সেবা কাজে জড়িত পলাশ। এমনকি বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে জড়িত হয়ে নেতৃত্বে থাকায় স্বীকৃতি স্বরুপ পুরস্কারও পেয়েছেন। তিনি চাকলা গ্রাম থেকে প্রাইমারী স্কুল পড়াশুনা শেষে করে গাবতলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১১সালে এসএসসি পাস করেন। এর পর সৈয়দ আহম্মদ কলেজ থেকে এইচএসসি ও অনার্স শেষ করে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ে সমাজ কর্ম বিভাগে মাস্টাস কমপ্লিট করেন। বর্তমানে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় থেকে সমাজ কর্ম বিভাগেই এমফিল ও পিএইচডি করার প্রস্তÍুতি নিয়েছেন। তার জন্ম ভুমি গাবতলীর মানুষ মনে করেন মানব সেবা আর সৎ নিষ্ঠার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে এমআর হাসান পলাশ আরো এগিয়ে যাবে। এ বিষয়ে গাবতলী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বর্তমানে জেলা বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও গাবতলী উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং সাবেক পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম জানান, গাবতলীর ছেলে জেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বে থাকা মানে আমাদের পৌরবের। এমআর হাসান পলাশ ভাল ছেলে এবং তার নেতৃত্বের দক্ষতা রয়েছে। যে কারণে দলের হাইকমান্ড সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। গাবতলী উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমুল আহসান ডিটল, সাধারণ সম্পাদক এসএম রাঙ্গা ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তা জানান, আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা সময় উপযুগী সিদ্ধান্ত। এমআর হাসান পলাশকে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেয়ায় গাবতলীবাসি অত্যান্ত আনন্দিত। ফলে তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গাবতলীতে বিশাল আনন্দ মিছিল করা হয়েছে। গাবতলী উপজেলা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ আশা করেন এমআর হাসান পলাশ তার দক্ষ নেতৃত্বে আগামীতে আরো এগিয়ে যাবে।