১০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাঘাইরসহ বেশ কয়েকটি মাছ বিক্রি নিষিদ্ধ গাবতলীর ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ মেলা আগামিকাল বুধবার/ বৃহস্পতিবার বউমেলা

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০২:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

সাব্বির হাসান,গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা আর লাখো মানুষের পদচারনায় ১৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার অনুষ্ঠিত হবে পূর্ব বগুড়া তথা গাবতলীর ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ মেলা। প্রতিবছরের মতো পোড়াদহ মেলার পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার স্থানীয় যুবকদের উদ্দ্যোগে গাবতলীর মহিষাবান গ্রামে অনুষ্ঠিত হবে বউমেলা। মেলায় বাঘাইর, পিরানহা, আফ্রিকান মাগুর ও জাটকা বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
একাধিক সূত্র জানায়, প্রায় সাড়ে ৪’শ বছর পূর্ব থেকে গাবতলী উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের গোলাবাড়ী বন্দরের পূর্বধারে গাড়ীদহ নদী ঘেষে স্থানীয় সন্ন্যাসী পূঁজা উপলক্ষে সম্পূর্ণ ব্যক্তি মালিকানা জমিতে একদিনের জন্য ঐতিহ্যবাহী এই পোড়াদহ মেলাটি বসে। প্রতিবছর বাংলা সনের মাঘ মাসের শেষ অথবা ফাল্গুন মাসের প্রথম বুধবার মেলাটি হয়। এ মেলাকে ঘিরে উৎসবের আমেজে মেতে উঠে মেলার আশপাশ গ্রামের সব বর্ণের মানুষ। তবে মেলাটি একদিনের হলেও তিনদিন পর্যন্ত চলে। এ মেলায় লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম ঘটে। ঈদ বা অন্য কোন উৎসবে জামাই মেয়েদের কিংবা নিকট আত্মীয়দের দাওয়াত না দিলেও চলে কিন্তু পোড়াদহ মেলায় সবাইকে দাওয়াত দিয়ে ধুমধাম করে খাওয়াতে হয়-যা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছরের মতো এবারের মেলারও মূল আকর্ষণ হবে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির বড় বড় মাছ, মিষ্টি আর কাঠের তৈরি ফার্নিচার। ফার্ণিচার কেনা-বেচা মেলার দিনে চললেও মূলত মেলার পরের দুইদিনেও পুরোদমে কেনাবেচা করা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন আসবাবপত্র, বড়ই, কৃষি সামগ্রী ও খাদ্য দ্রব্য হাট-বাজারের মতোই ক্রয়বিক্রয় হবে। মেলায় শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে নৌকা দোল, নাগোর দোলা, চরকি, সার্কাসসহ বিভিন্ন বিনোদনের ব্যবস্থা। এই পোড়াদহ মেলাকে ঘিরে আশপাশের অঞ্চলের দূর্গাহাটা, পেরিহাট, বাইগুণী, দাঁড়াইলসহ বিভিন্ন হাটবাজার গুলোতেও বসে মেলা। মেলার পরিচালক স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ মন্ডল বলেন, সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে মেলার পরিচালনার সকল ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মানুষ নির্বিঘেœ মেলা করতে পারবে। মেলার বিষয়ে ইউএনও নুসরাত জাহান বন্যা ও থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, পোড়াদহ মেলাটি সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্বারা কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মেলায় নাগরদোলা, চরকি, সার্কাসসহ শিশুদের জন্য অন্যান্য খেলা চলবে। কিন্তু এ সবের আড়ালে কোন প্রকার জুয়া কিংবা অশ্লীন কোনকিছু হবে না।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

বগুড়ায় অসুস্থ সাংবাদিক মুসা’র শয্যা’র পাশে জাসাস নেতা শফিক ও ছোটন

বাঘাইরসহ বেশ কয়েকটি মাছ বিক্রি নিষিদ্ধ গাবতলীর ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ মেলা আগামিকাল বুধবার/ বৃহস্পতিবার বউমেলা

প্রকাশিত: ০২:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সাব্বির হাসান,গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা আর লাখো মানুষের পদচারনায় ১৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার অনুষ্ঠিত হবে পূর্ব বগুড়া তথা গাবতলীর ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ মেলা। প্রতিবছরের মতো পোড়াদহ মেলার পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার স্থানীয় যুবকদের উদ্দ্যোগে গাবতলীর মহিষাবান গ্রামে অনুষ্ঠিত হবে বউমেলা। মেলায় বাঘাইর, পিরানহা, আফ্রিকান মাগুর ও জাটকা বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
একাধিক সূত্র জানায়, প্রায় সাড়ে ৪’শ বছর পূর্ব থেকে গাবতলী উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের গোলাবাড়ী বন্দরের পূর্বধারে গাড়ীদহ নদী ঘেষে স্থানীয় সন্ন্যাসী পূঁজা উপলক্ষে সম্পূর্ণ ব্যক্তি মালিকানা জমিতে একদিনের জন্য ঐতিহ্যবাহী এই পোড়াদহ মেলাটি বসে। প্রতিবছর বাংলা সনের মাঘ মাসের শেষ অথবা ফাল্গুন মাসের প্রথম বুধবার মেলাটি হয়। এ মেলাকে ঘিরে উৎসবের আমেজে মেতে উঠে মেলার আশপাশ গ্রামের সব বর্ণের মানুষ। তবে মেলাটি একদিনের হলেও তিনদিন পর্যন্ত চলে। এ মেলায় লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম ঘটে। ঈদ বা অন্য কোন উৎসবে জামাই মেয়েদের কিংবা নিকট আত্মীয়দের দাওয়াত না দিলেও চলে কিন্তু পোড়াদহ মেলায় সবাইকে দাওয়াত দিয়ে ধুমধাম করে খাওয়াতে হয়-যা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছরের মতো এবারের মেলারও মূল আকর্ষণ হবে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির বড় বড় মাছ, মিষ্টি আর কাঠের তৈরি ফার্নিচার। ফার্ণিচার কেনা-বেচা মেলার দিনে চললেও মূলত মেলার পরের দুইদিনেও পুরোদমে কেনাবেচা করা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন আসবাবপত্র, বড়ই, কৃষি সামগ্রী ও খাদ্য দ্রব্য হাট-বাজারের মতোই ক্রয়বিক্রয় হবে। মেলায় শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে নৌকা দোল, নাগোর দোলা, চরকি, সার্কাসসহ বিভিন্ন বিনোদনের ব্যবস্থা। এই পোড়াদহ মেলাকে ঘিরে আশপাশের অঞ্চলের দূর্গাহাটা, পেরিহাট, বাইগুণী, দাঁড়াইলসহ বিভিন্ন হাটবাজার গুলোতেও বসে মেলা। মেলার পরিচালক স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ মন্ডল বলেন, সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে মেলার পরিচালনার সকল ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মানুষ নির্বিঘেœ মেলা করতে পারবে। মেলার বিষয়ে ইউএনও নুসরাত জাহান বন্যা ও থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, পোড়াদহ মেলাটি সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্বারা কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মেলায় নাগরদোলা, চরকি, সার্কাসসহ শিশুদের জন্য অন্যান্য খেলা চলবে। কিন্তু এ সবের আড়ালে কোন প্রকার জুয়া কিংবা অশ্লীন কোনকিছু হবে না।