
ডোমার প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর ডোমার উপজেলা শহরের ফেন্সি ডেন্টাল হোমের স্বত্বাধিকারী ওমর ফারুক। কোন সনদ না থাকলেও নিজেকে ডেন্টাল চিকিৎসক পরিচয়ে খুলেন ওই ডেন্টাল হোম। তার অপচিকিৎসায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগে ফৌজদারী আইনে দন্ডিত হয়েছিলেন তিনি। এরপরও তাকে সদস্য রাখা হয়েছে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটিতে।
চলতি বছরের ৩০ আগস্ট ওই ডেন্টাল হোমে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল আলম। চিকিৎসক পরিচয়দানকারী ওমর ফারুকের সনদ ও ডেন্টাল হোমে চিকিৎসার পরিবেশ না থাকায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৮০ হাজার টাকার দন্ড হয় তার। এছাড়া স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্তে ওই প্রতিষ্ঠান এবং ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে আনিত নানা অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রায়হান বারী পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ( ফেন্সি ডেন্টাল হোম) বন্ধ ঘোষণা করেন। ফৌজদারী আইনে দন্ডিত হওয়ার পরও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ওই সদস্য ডোমার পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কলেজপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরে ছেলে।
২০১৭ সালের ৯ মার্চ দুদকের দিনাজপুর সম্বন্বিত কার্যালয় ৪৬৩ স্মারকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরন নবীকে সভাপতি করে তিন বছরের জন্য ৯ সদস্যের ডোমার উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি ঘোষণা করা করে। ওই কমিটির ছয় নম্বর সদস্য ছিলেন ওমর ফারুক।
কমিটির মেয়াদ শেষে চলতি বছরের ১৫ নভেম্বর (স্মারক নম্বর ০০.০১.৮৫০০.৭৭১.৯৯.০০১.২৩,৫০৩) আগামী তিন বছরের জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নূরন নবীকে সভাপতি করে ৯ সদস্যের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সে কমিটিতে ফৌজদারী আইনে দন্ডিত ভুয়া চিকিৎসক পরিচয়দানকারী ওমর ফারুকের নাম রয়েছে পাঁচ নম্বরে।
নীতিমালায় শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, সাবেক সরকারি কর্মকর্তাসহ সমাজের স্বেচ্ছাব্রতী সৎ ও সক্রিয় ব্যক্তিদের নিয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধের ওই কমিটি গঠনের কথা রয়েছে। কোন রাজনৈতিক দলের সং¯্রবহীনতা এবং ফৌজদারী অপরাধের রেকডমুক্ত থাকা কমিটির সদস্যপদ লাভের প্রধান শর্ত। সেখানে ভুয়া চিকিৎসক পরিচয়ে চিকিৎসা প্রদানের ফৌজদারী অপরাধ ঘটিয়ে ৮০ হাজার টাকা দন্ডিত হওয়া ব্যক্তিও সদস্যপদ পেয়েছেন দুর্নীতি বিরোধী ওই কমিটিতে।
এ বিষয়ে ওমর ফরুক কোন কথা বলতে রাজি হননি। তবে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী বলেন,‘তিনি আগে সদস্য হয়েছিলেন। কিছুদিন আগে পেপার পত্রিকায় মাধ্যমে তার সাজার বিষয়টি জেনেছি। কমিটির সদস্য নেওয়ার বিষয়ে আমাদের কোন হাত নেই’।
ভ্রাম্যমান আদালতে ওমর ফারুকের দন্ড হওয়ার বিষয়ে ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল আলম বলেন,‘বিজ্ঞাপন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সনদ ও চিকিৎসা প্রদানের সুষ্ঠ পরিবেশ না থাকায় ফেন্সি ডেন্টাল হোমের স্বত্বাধারী ওমর ফারুককে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে ওই প্রতিষ্টানটিকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে’।
২০১৭ সালের ৯ মার্চ দুদকের দিনাজপুর সম্বন্বিত কার্যালয় ৪৬৩ স্মারকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরন নবীকে সভাপতি করে তিন বছরের জন্য ৯ সদস্যের ডোমার উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি ঘোষণা করা করে। ওই কমিটির ছয় নম্বর সদস্য ছিলেন ওমর ফারুক।
কমিটির মেয়াদ শেষে চলতি বছরের ১৫ নভেম্বর (স্মারক নম্বর ০০.০১.৮৫০০.৭৭১.৯৯.০০১.২৩,৫০৩) আগামী তিন বছরের জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নূরন নবীকে সভাপতি করে ৯ সদস্যের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সে কমিটিতে ফৌজদারী আইনে দন্ডিত ভুয়া চিকিৎসক পরিচয়দানকারী ওমর ফারুকের নাম রয়েছে পাঁচ নম্বরে।
নীতিমালায় শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, সাবেক সরকারি কর্মকর্তাসহ সমাজের স্বেচ্ছাব্রতী সৎ ও সক্রিয় ব্যক্তিদের নিয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধের ওই কমিটি গঠনের কথা রয়েছে। কোন রাজনৈতিক দলের সং¯্রবহীনতা এবং ফৌজদারী অপরাধের রেকডমুক্ত থাকা কমিটির সদস্যপদ লাভের প্রধান শর্ত। সেখানে ভুয়া চিকিৎসক পরিচয়ে চিকিৎসা প্রদানের ফৌজদারী অপরাধ ঘটিয়ে ৮০ হাজার টাকা দন্ডিত হওয়া ব্যক্তিও সদস্যপদ পেয়েছেন দুর্নীতি বিরোধী ওই কমিটিতে।
এ বিষয়ে ওমর ফরুক কোন কথা বলতে রাজি হননি। তবে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী বলেন,‘তিনি আগে সদস্য হয়েছিলেন। কিছুদিন আগে পেপার পত্রিকায় মাধ্যমে তার সাজার বিষয়টি জেনেছি। কমিটির সদস্য নেওয়ার বিষয়ে আমাদের কোন হাত নেই’।
ভ্রাম্যমান আদালতে ওমর ফারুকের দন্ড হওয়ার বিষয়ে ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল আলম বলেন,‘বিজ্ঞাপন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সনদ ও চিকিৎসা প্রদানের সুষ্ঠ পরিবেশ না থাকায় ফেন্সি ডেন্টাল হোমের স্বত্বাধারী ওমর ফারুককে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে ওই প্রতিষ্টানটিকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে’।

প্রতিবেদক 




















