১১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তৃণমূলে জনপ্রিয়তা, সাঘাটা ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায় সোহেল রানা

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১১:৪৫:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

সুলতান আহম্মেদ, সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন এ. কে. এম. সোহেল রানা। তিনি বোনারপাড়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছাত্রদলের রাজনীতিতে সোহেল রানা দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। বিভিন্ন সময়ে দলীয় কর্মসূচি, আন্দোলন ও সংগ্রামে রাজপথে থেকে তিনি সংগঠনের পক্ষে ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে বিগত সরকারবিরোধী আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে হরতাল, অবরোধ ও মশাল মিছিলে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে বিভিন্ন সময় হামলা-মামলা, গ্রেপ্তার ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে বলেও দাবি করেন তাঁর অনুসারীরা। আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত থাকার কারণে তাঁর শিক্ষাজীবনও বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং একপর্যায়ে তাঁকে আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে বলে জানা গেছে।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভাষ্য, ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সোহেল রানা দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছেন। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা, সংগঠনের কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং বিভিন্ন সময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তৃণমূলে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের কয়েকজন তৃণমূল নেতাকর্মী বলেন, সংগঠনকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে পরীক্ষিত ও সক্রিয় নেতৃত্ব প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সোহেল রানার দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা কাজে আসতে পারে বলে মনে করেন তারা।
তৃণমূলের একটি অংশের দাবি, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা, কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকার বিবেচনায় এ. কে. এম. সোহেল রানাকে সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে দেখতে চান তারা।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

একটু বৃষ্টিতেই পাকুল্লা হাটে জলাবদ্ধতা ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে দুর্ভোগ,ক্ষতিরমুখে পথচারী ব্যবসায়ীরা 

তৃণমূলে জনপ্রিয়তা, সাঘাটা ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায় সোহেল রানা

প্রকাশিত: ১১:৪৫:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

সুলতান আহম্মেদ, সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন এ. কে. এম. সোহেল রানা। তিনি বোনারপাড়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছাত্রদলের রাজনীতিতে সোহেল রানা দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। বিভিন্ন সময়ে দলীয় কর্মসূচি, আন্দোলন ও সংগ্রামে রাজপথে থেকে তিনি সংগঠনের পক্ষে ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে বিগত সরকারবিরোধী আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে হরতাল, অবরোধ ও মশাল মিছিলে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে বিভিন্ন সময় হামলা-মামলা, গ্রেপ্তার ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে বলেও দাবি করেন তাঁর অনুসারীরা। আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত থাকার কারণে তাঁর শিক্ষাজীবনও বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং একপর্যায়ে তাঁকে আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে বলে জানা গেছে।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভাষ্য, ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সোহেল রানা দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছেন। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা, সংগঠনের কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং বিভিন্ন সময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তৃণমূলে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের কয়েকজন তৃণমূল নেতাকর্মী বলেন, সংগঠনকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে পরীক্ষিত ও সক্রিয় নেতৃত্ব প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সোহেল রানার দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা কাজে আসতে পারে বলে মনে করেন তারা।
তৃণমূলের একটি অংশের দাবি, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা, কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকার বিবেচনায় এ. কে. এম. সোহেল রানাকে সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে দেখতে চান তারা।