০৪:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পায়ের মোজায় ২ হাজার ইয়াবা: শেরপুরে বাসযাত্রী গ্রেপ্তার

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০১:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার শেরপুরে পায়ের মোজার মধ্যে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো. মনিরুজ্জামান ওরফে মনির (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), বগুড়া।শনিবার (৮ই আগস্ট) ভোর ৪টা ২০ মিনিট থেকে ৫টা ২৫ মিনিটের মধ্যে শেরপুর উপজেলার বেতগাড়ী এলাকায় ঢাকা-বগুড়াগামী মহাসড়কের পশ্চিম পাশে পেন্টাগন হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।গ্রেপ্তার মনিরুজ্জামান দিনাজপুরের বিরামপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁদপুর এলাকার মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়া জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাদকের একটি চালান পাচারের খবর পেয়ে উপপরিচালক মো. জিললুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঢাকা থেকে বগুড়াগামী শাহ্ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী কোচে (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৭০০৯) তল্লাশি চালানো হয়।
অভিযানের সময় বাসটির জি-৪ সিটে বসে থাকা টিকিটবিহীন যাত্রী মনিরুজ্জামানের দেহ তল্লাশি করে তার ডান পায়ের মোজার ভেতর থেকে নীল রঙের জিপারযুক্ত আটটি পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ২৫০ পিস করে মোট ২ হাজার পিস অ্যাম্ফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট ছিল। উদ্ধার করা ইয়াবার ওজন ২০০ গ্রাম বলে জানিয়েছে ডিএনসি।
এ ছাড়া তার কাছ থেকে একটি কালো রঙের মোজা এবং মাদক ব্যবসায় ব্যবহারের অভিযোগে দুটি বাটন মোবাইল ফোন—একটি SYMPHONY A30 ও একটি ITEL it2171, উভয় ফোনে একটি করে সিমসহ উদ্ধার করা হয়েছে।এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ক্রমিক ৯(গ) ও একই আইনের ২৬(১) ধারায় শেরপুর থানায় মামলা করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মো. তাহিদুল আলম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
ডিএনসি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মাদকের চালানের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে। সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।সরকার ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

একটু বৃষ্টিতেই পাকুল্লা হাটে জলাবদ্ধতা ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে দুর্ভোগ,ক্ষতিরমুখে পথচারী ব্যবসায়ীরা 

পায়ের মোজায় ২ হাজার ইয়াবা: শেরপুরে বাসযাত্রী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ০১:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার শেরপুরে পায়ের মোজার মধ্যে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো. মনিরুজ্জামান ওরফে মনির (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), বগুড়া।শনিবার (৮ই আগস্ট) ভোর ৪টা ২০ মিনিট থেকে ৫টা ২৫ মিনিটের মধ্যে শেরপুর উপজেলার বেতগাড়ী এলাকায় ঢাকা-বগুড়াগামী মহাসড়কের পশ্চিম পাশে পেন্টাগন হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।গ্রেপ্তার মনিরুজ্জামান দিনাজপুরের বিরামপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁদপুর এলাকার মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়া জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাদকের একটি চালান পাচারের খবর পেয়ে উপপরিচালক মো. জিললুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঢাকা থেকে বগুড়াগামী শাহ্ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী কোচে (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৭০০৯) তল্লাশি চালানো হয়।
অভিযানের সময় বাসটির জি-৪ সিটে বসে থাকা টিকিটবিহীন যাত্রী মনিরুজ্জামানের দেহ তল্লাশি করে তার ডান পায়ের মোজার ভেতর থেকে নীল রঙের জিপারযুক্ত আটটি পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ২৫০ পিস করে মোট ২ হাজার পিস অ্যাম্ফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট ছিল। উদ্ধার করা ইয়াবার ওজন ২০০ গ্রাম বলে জানিয়েছে ডিএনসি।
এ ছাড়া তার কাছ থেকে একটি কালো রঙের মোজা এবং মাদক ব্যবসায় ব্যবহারের অভিযোগে দুটি বাটন মোবাইল ফোন—একটি SYMPHONY A30 ও একটি ITEL it2171, উভয় ফোনে একটি করে সিমসহ উদ্ধার করা হয়েছে।এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ক্রমিক ৯(গ) ও একই আইনের ২৬(১) ধারায় শেরপুর থানায় মামলা করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মো. তাহিদুল আলম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
ডিএনসি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মাদকের চালানের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে। সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।সরকার ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।