১১:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাঁচা মরিচে ট্রিপল সেঞ্চরী আদমদীঘিতে সব ধরনের সবজির মূল্য দ্বিগুন

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১২:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ সবজি উৎপাদনের এলাকা হিসাবে খ্যাত বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কয়েক গুণ বৃদ্ধি মূল্যে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। এছাড়া কাঁচা মরিচের মূল্য ডাবল সেঞ্চরী। বেশি মূল্যের কারণে ক্রেতারা সবজি কিনতে এসে হিমশিম খাচ্ছে ও তাদের নাভিশ্বাস অবস্থা বিরাজ করছে।
জানা যায়, মাত্র এক সপ্তাহ আগে পোটলের কেজি ছিল মাত্র ১৫ টাকা, এখন সেই পোটল ৪ গুণ দাম বৃদ্ধি পেয়ে ৬০ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, বেগুন ৪০ কেজির স্থলে ১৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪৫ টাকা কেজির স্থলে প্রকারভেদে ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা, আদা ১০০ টাকার স্থলে ১৬০ টাকা, পিয়াজ ৩৫ টাকার স্থলে ৫০ টাকা, ঢেরস ৪০ টাকার স্থলে ৮০ টাকা, করলা ৪০ টাকার স্থলে ১০০ টাকা, মূলা ৩০ টাকার স্থলে ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকার স্থলে ৫০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকার স্থলে ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা প্রতিটি সবজির উচ্চ মূল্যের কারণে কেজিতে বিক্রি না করে পোয়াতে বিক্রি করছেন ক্রেতাদের কাছে। হাটুরিয়ারা বাজার করতে এসে হিমশিম খাচ্ছে। অপরদিকে উৎপাদনকারী কৃষকরা উচ্চ মূল্য পেয়ে মহা খুশিতে রয়েছে। বাজার করতে আসা দরিদ্র রমজান আলী জানায়, নির্ধারিত টাকায় চাহিদা মত সবজি কিনতে পারিনি। শাক ও কচুর লতি, কচুর মতা দিয়ে বাজারের ব্যাগ ভর্তি করে নিয়ে পরিবারের চাহিদা মেটানো ছাড়া উপায় নেই।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগম জানান, আমরা নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বাজার মনিটরিং করে বাজার দর ঠিক রাখার চেষ্টা করছি। যাতে কোন অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে অবৈধ মুনাফা অর্জন করতে না পারে।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

একটু বৃষ্টিতেই পাকুল্লা হাটে জলাবদ্ধতা ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে দুর্ভোগ,ক্ষতিরমুখে পথচারী ব্যবসায়ীরা 

কাঁচা মরিচে ট্রিপল সেঞ্চরী আদমদীঘিতে সব ধরনের সবজির মূল্য দ্বিগুন

প্রকাশিত: ১২:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ সবজি উৎপাদনের এলাকা হিসাবে খ্যাত বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কয়েক গুণ বৃদ্ধি মূল্যে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। এছাড়া কাঁচা মরিচের মূল্য ডাবল সেঞ্চরী। বেশি মূল্যের কারণে ক্রেতারা সবজি কিনতে এসে হিমশিম খাচ্ছে ও তাদের নাভিশ্বাস অবস্থা বিরাজ করছে।
জানা যায়, মাত্র এক সপ্তাহ আগে পোটলের কেজি ছিল মাত্র ১৫ টাকা, এখন সেই পোটল ৪ গুণ দাম বৃদ্ধি পেয়ে ৬০ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, বেগুন ৪০ কেজির স্থলে ১৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪৫ টাকা কেজির স্থলে প্রকারভেদে ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা, আদা ১০০ টাকার স্থলে ১৬০ টাকা, পিয়াজ ৩৫ টাকার স্থলে ৫০ টাকা, ঢেরস ৪০ টাকার স্থলে ৮০ টাকা, করলা ৪০ টাকার স্থলে ১০০ টাকা, মূলা ৩০ টাকার স্থলে ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকার স্থলে ৫০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকার স্থলে ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা প্রতিটি সবজির উচ্চ মূল্যের কারণে কেজিতে বিক্রি না করে পোয়াতে বিক্রি করছেন ক্রেতাদের কাছে। হাটুরিয়ারা বাজার করতে এসে হিমশিম খাচ্ছে। অপরদিকে উৎপাদনকারী কৃষকরা উচ্চ মূল্য পেয়ে মহা খুশিতে রয়েছে। বাজার করতে আসা দরিদ্র রমজান আলী জানায়, নির্ধারিত টাকায় চাহিদা মত সবজি কিনতে পারিনি। শাক ও কচুর লতি, কচুর মতা দিয়ে বাজারের ব্যাগ ভর্তি করে নিয়ে পরিবারের চাহিদা মেটানো ছাড়া উপায় নেই।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগম জানান, আমরা নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বাজার মনিটরিং করে বাজার দর ঠিক রাখার চেষ্টা করছি। যাতে কোন অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে অবৈধ মুনাফা অর্জন করতে না পারে।