০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় ঢাক-ঢোল পিটিয়ে দখলকৃত জমি  বুঝিয়ে দিলেন আদালত

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১১:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • ১১১ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলায় ১০ বছর ধরে বেদখলে থাকা ২শতক জমির দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন আদালত। ৩জুলাই শুক্রবার সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাল নিশানা টাঙিয়ে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে এসব জমি প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। উদ্ধার হওয়া জমি উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের নওদাবগা সরকারপাড়া পূর্বপাড়া এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আদালতের পক্ষে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।পরিমাপ করে উদ্ধার করা জমিতে লাল নিশানা গেড়ে দেওয়া হয়।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,সোনাতলা  উপজেলার নওদাবগা মৌজায় ২ শতক জায়গা নিয়ে স্থানীয় হামিদা বেওয়ার সাথে প্রতিবেশী আব্দুল হান্নানের সাথে বিরোধ তৈরী হয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের বিরোধ মিমাংসায় এলাকায় সালিস বৈঠক হয়। তবে এতে সমাধান না হওয়ায় হামিদা বেওয়া বাদী হয়ে ২০১৬ সালে সোনাতলা  সহকারী আদালতে একটি দেওয়ানি  মামলা করেন। ২০২০ সালে ওই মামলার রায়ে হামিদা বেওয়াকে জায়গার মালিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তবে রায়ের পর প্রতিপক্ষ আব্দুল হান্নান  আদালতে আপিল করেন। ওই আপিল মামলা ২০২৬ সালে খারিজ হয়ে যায় এবং হামিদা বেওয়ার পক্ষে চূড়ান্ত রায় দেন আদালত। এরপর আদালত ওই জমিতে থাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করে তাকে দখল বুঝিয়ে দিতে প্রশাসনের প্রতি নির্দেশ দেন।
জমি দখল করে বুঝিয়ে দিতে আদালতের পক্ষে জেলা জজ আদালতের নাজির মোঃ আইয়ুব হোসেন,নায়েব নাজির মনিরুজ্জামান রনি,জারিকারক মোঃ এনামুল হক,অ্যাডভোকেট ফেরদৌসী আক্তার রুনা।এসময় সোনাতলা থানার এসআই জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল উপস্থিত ছিলেন।
জানতে চাইলে হামিদা বেওয়ার (ওয়ারিশ) কন্যা রুনা মাহমুদ বলেন, দীর্ঘ সময় পর আইনের সহায়তায় আমি ও আমার পরিবার জায়গা বুঝে পেলাম। এভাবে জমি পাওয়ায় আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা বহুগুণে বেড়ে গেছে।
 এবিষয়ে জেলা জজ আদালতের নাজির আইয়ুব আলী বলেন,আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।প্রথম দিকে ঝামেলা হলেও পরবর্তীতে পরিবেশ শান্ত ছিলো।
Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

একটু বৃষ্টিতেই পাকুল্লা হাটে জলাবদ্ধতা ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে দুর্ভোগ,ক্ষতিরমুখে পথচারী ব্যবসায়ীরা 

সোনাতলায় ঢাক-ঢোল পিটিয়ে দখলকৃত জমি  বুঝিয়ে দিলেন আদালত

প্রকাশিত: ১১:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলায় ১০ বছর ধরে বেদখলে থাকা ২শতক জমির দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন আদালত। ৩জুলাই শুক্রবার সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাল নিশানা টাঙিয়ে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে এসব জমি প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। উদ্ধার হওয়া জমি উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের নওদাবগা সরকারপাড়া পূর্বপাড়া এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আদালতের পক্ষে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।পরিমাপ করে উদ্ধার করা জমিতে লাল নিশানা গেড়ে দেওয়া হয়।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,সোনাতলা  উপজেলার নওদাবগা মৌজায় ২ শতক জায়গা নিয়ে স্থানীয় হামিদা বেওয়ার সাথে প্রতিবেশী আব্দুল হান্নানের সাথে বিরোধ তৈরী হয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের বিরোধ মিমাংসায় এলাকায় সালিস বৈঠক হয়। তবে এতে সমাধান না হওয়ায় হামিদা বেওয়া বাদী হয়ে ২০১৬ সালে সোনাতলা  সহকারী আদালতে একটি দেওয়ানি  মামলা করেন। ২০২০ সালে ওই মামলার রায়ে হামিদা বেওয়াকে জায়গার মালিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তবে রায়ের পর প্রতিপক্ষ আব্দুল হান্নান  আদালতে আপিল করেন। ওই আপিল মামলা ২০২৬ সালে খারিজ হয়ে যায় এবং হামিদা বেওয়ার পক্ষে চূড়ান্ত রায় দেন আদালত। এরপর আদালত ওই জমিতে থাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করে তাকে দখল বুঝিয়ে দিতে প্রশাসনের প্রতি নির্দেশ দেন।
জমি দখল করে বুঝিয়ে দিতে আদালতের পক্ষে জেলা জজ আদালতের নাজির মোঃ আইয়ুব হোসেন,নায়েব নাজির মনিরুজ্জামান রনি,জারিকারক মোঃ এনামুল হক,অ্যাডভোকেট ফেরদৌসী আক্তার রুনা।এসময় সোনাতলা থানার এসআই জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল উপস্থিত ছিলেন।
জানতে চাইলে হামিদা বেওয়ার (ওয়ারিশ) কন্যা রুনা মাহমুদ বলেন, দীর্ঘ সময় পর আইনের সহায়তায় আমি ও আমার পরিবার জায়গা বুঝে পেলাম। এভাবে জমি পাওয়ায় আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা বহুগুণে বেড়ে গেছে।
 এবিষয়ে জেলা জজ আদালতের নাজির আইয়ুব আলী বলেন,আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।প্রথম দিকে ঝামেলা হলেও পরবর্তীতে পরিবেশ শান্ত ছিলো।