০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলা রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনে রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক 

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৩:২৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

বিকাশ স্বর্ণকার, সোনাতলাঃ বগুড়ার সোনাতলা রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (আরএস) আহমেদ মাহবুব চৌধুরী সহ পশ্চিমাঞ্চল বিভাগীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বুধবার (১৭ই জুন) দুপুরে লালমনিরহাট থেকে বিশেষ ট্রেনে করে তারা স্টেশনে পৌঁছান।পরিদর্শনটি পূর্ব-নির্ধারিত না হলেও তিনি উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় সাংবাদিকরা স্টেশনের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা ও যাত্রীসেবার সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো তার সামনে উপস্থাপন করেন। তিনি মনোযোগ সহকারে বিষয়গুলো শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়,সোনাতলা রেলওয়ে স্টেশনে ছয়জন গেটম্যানের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র চারজন। এছাড়া স্টেশন মাস্টারের একটি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা নেই, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের সংকট রয়েছে এবং আলাদা বুকিং রুমেরও অভাব রয়েছে।স্টেশন মাস্টারের মূল ভবনটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের জন্য কোনো ওয়েটিং রুমও নেই। স্টেশন সুত্রে আরো জানা গেছে,এই স্টেশনে প্রতিদিন ২৫টি সাধারণ শ্রেণির এবং ৫টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) চেয়ার আসনের টিকিট বরাদ্দ আছে যা বৃদ্ধির কথা জানালেন স্থানীয়রা অতিরিক্ত মহাপরিচালক কে। বর্তমানে এ স্টেশনে করতোয়া এক্সপ্রেস,দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস ও লালমনিরহাট এক্সপ্রেস সহ বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি রয়েছে। সব মিলিয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক বিষয়গুলো সমাধান করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। জাতীয় দৈনিক বাংলা৭১পত্রিকার সাংবাদিক বিকাশ স্বর্ণকার অতিরিক্ত মহাপরিচালক কে সামনে বর্ষা মৌসুমের আগেই স্টেশনের সেড (ছাউনি) সম্প্রসারণ এর করে দেয়ার অনুরোধ জানান। এছাড়াও জরাজীর্ণ স্টেশন মাস্টার ভবনের পুনর্নির্মাণ,ট্রেন যাত্রীদের বসার ব্যবস্থার দাবি তুলে ধরেন অন্যান্যরা। ফলে এসব বিষয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তবে ঢাকাগামী বুড়িমারী রুটের ট্রেনের স্টপেজ সংক্রান্ত দাবির বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো আশ্বাস দেননি। রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,এটি কোনো নির্ধারিত রুটিন পরিদর্শন ছিল না। পরিদর্শনকালে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার ফরিদ আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ হোসেন মাসুম সহ পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্টেশন মাস্টার খলিলুর রহমান,আব্দুল মাজেদ, বুকিং ক্লার্ক এবং স্টেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।
বার্তা প্রেরক বিকাশ স্বর্ণকার সোনাতলা বগুড়া ০১৭১৩-৭৮৫৫৪৭

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

আদমদীঘিতে দূর্গোৎসব উপলক্ষে পুজা উদযাপন পরিষদের প্রস্তুতি অনুষ্ঠিত

সোনাতলা রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনে রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক 

প্রকাশিত: ০৩:২৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

বিকাশ স্বর্ণকার, সোনাতলাঃ বগুড়ার সোনাতলা রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (আরএস) আহমেদ মাহবুব চৌধুরী সহ পশ্চিমাঞ্চল বিভাগীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বুধবার (১৭ই জুন) দুপুরে লালমনিরহাট থেকে বিশেষ ট্রেনে করে তারা স্টেশনে পৌঁছান।পরিদর্শনটি পূর্ব-নির্ধারিত না হলেও তিনি উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় সাংবাদিকরা স্টেশনের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা ও যাত্রীসেবার সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো তার সামনে উপস্থাপন করেন। তিনি মনোযোগ সহকারে বিষয়গুলো শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়,সোনাতলা রেলওয়ে স্টেশনে ছয়জন গেটম্যানের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র চারজন। এছাড়া স্টেশন মাস্টারের একটি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা নেই, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের সংকট রয়েছে এবং আলাদা বুকিং রুমেরও অভাব রয়েছে।স্টেশন মাস্টারের মূল ভবনটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের জন্য কোনো ওয়েটিং রুমও নেই। স্টেশন সুত্রে আরো জানা গেছে,এই স্টেশনে প্রতিদিন ২৫টি সাধারণ শ্রেণির এবং ৫টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) চেয়ার আসনের টিকিট বরাদ্দ আছে যা বৃদ্ধির কথা জানালেন স্থানীয়রা অতিরিক্ত মহাপরিচালক কে। বর্তমানে এ স্টেশনে করতোয়া এক্সপ্রেস,দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস ও লালমনিরহাট এক্সপ্রেস সহ বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি রয়েছে। সব মিলিয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক বিষয়গুলো সমাধান করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। জাতীয় দৈনিক বাংলা৭১পত্রিকার সাংবাদিক বিকাশ স্বর্ণকার অতিরিক্ত মহাপরিচালক কে সামনে বর্ষা মৌসুমের আগেই স্টেশনের সেড (ছাউনি) সম্প্রসারণ এর করে দেয়ার অনুরোধ জানান। এছাড়াও জরাজীর্ণ স্টেশন মাস্টার ভবনের পুনর্নির্মাণ,ট্রেন যাত্রীদের বসার ব্যবস্থার দাবি তুলে ধরেন অন্যান্যরা। ফলে এসব বিষয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তবে ঢাকাগামী বুড়িমারী রুটের ট্রেনের স্টপেজ সংক্রান্ত দাবির বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো আশ্বাস দেননি। রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,এটি কোনো নির্ধারিত রুটিন পরিদর্শন ছিল না। পরিদর্শনকালে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার ফরিদ আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ হোসেন মাসুম সহ পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্টেশন মাস্টার খলিলুর রহমান,আব্দুল মাজেদ, বুকিং ক্লার্ক এবং স্টেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।
বার্তা প্রেরক বিকাশ স্বর্ণকার সোনাতলা বগুড়া ০১৭১৩-৭৮৫৫৪৭