
মিহির কুমার সরকার,আদমদীঘি (বগুড়া)ঃ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর বস্তাবন্দি রাকিকা আক্তার রাকা মনির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চার জনের নামে থানায় মামলা হয়েছে। (১২ জুন) শুক্রবার রাতে ওই শিশুর বাবা রায়হান আলী বাদী হয়ে আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রী বন্যা বেগম এবং তাদের সহযোগী বাবু হোসেন ও তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকাকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আদমদীঘি থানা পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, রাকিকা আক্তার রাকা মনির মা মনিরা বেগম তালাকপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকে শিশুটিকে তার বাবা রায়হান ও ফুপু লিপি বেগম লালন-পালন করে আসছিল। সান্তাহার নুরানি ইসলামী একাডেমি মাদরাসায় শিশু শ্রেণিতে লেখাপড়া করতো রাকা মনি। গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টায় উপজেলার সান্তাহার সাহেবপাড়া রেলওয়ে বস্তির বাসা থেকে রাকা মনি প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর বাড়িতে আসে নাই তখন থেকে নিখোঁজ হয়।
পরিবারের লোকজন আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাত ১০ টায় প্রতিবেশী আমজাদ হোসেনের বাড়ির একটি কক্ষ থেকে রাকা মনির বস্তাবন্দি মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। ওই রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাকা মনির মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রতিবেশী আমজাদ হোসেন, তার স্ত্রী বন্যা এবং বাবু হোসেন ও তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকাকে আটক করে।
এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার পরিদর্শক (তদন্ত ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, শিশুটির বাবা বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে ৪ জনের নামে একটি হত্যা মামলাটি করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের শনিবার জেল হাজতে

প্রতিবেদক 




















