০৬:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ায় গৃহবধূকে আটকে রেখে দলবদ্ধ ধ*র্ষ*ণ

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১২:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে
আদমদিঘী  (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় গৃহবধূকে আটক রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত ২২ এপ্রিল রাতের এ ঘটনায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদমদীঘি থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী। মামলার চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–সান্তাহার পোস্ট অফিসপাড়ার নুর ইসলাম বাবুর ছেলে সাহেদুল ইসলাম সাহেদ (২১), শেখ আব্দুল বারেকের মেয়ে রুনা বেগম (৪৫), সান্তাহার পূর্ব লকু কলোনির তহিদুল ইসলামের ছেলে মিঠু হোসেন (২৭) ও একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে হৃদয় হোসেন (২০)। মামলা সূত্রে জানা যায়, আদমদীঘির সান্তাহার পূর্ব লকু কলোনির একটি ভাড়া বাসায় স্বামীর সঙ্গে থাকতেন ওই নারী। ২২ এপ্রিল তাদের পাশের বাসার এক মেয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই দিন রাত ১১টার দিকে গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীকে সান্তাহার রেলগেটে এক দোকানে ডেকে নেন মেয়েটির বাবা। তিনি মেয়েকে বের করে দেওয়ার জন্য তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে আসামি মিঠু ও হৃদয় গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীকে মারধর করতে থাকেন। এক সময় ভয়ে পালিয়ে যান ওই নারীর স্বামী। এরপর আসামি রুনা ভুক্তভোগীকে মারধর করে তাঁর বাসায় নিয়ে একটি ঘরে আটক রাখেন। রাত ২টার দিকে আসামি সাহেদুল ও আজান ঘরে ঢুকে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। পরদিন ২৩ এপ্রিল সকালে ভুক্তভোগীর স্বামী ও স্বজনরা তাঁকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। আদমদীঘি থানার ওসি কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ও ভুক্তভোগী নারীকে শনিবার আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত আসামিদের কারাগারে এবং ধর্ষণের শিকার নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

একটু বৃষ্টিতেই পাকুল্লা হাটে জলাবদ্ধতা ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে দুর্ভোগ,ক্ষতিরমুখে পথচারী ব্যবসায়ীরা 

বগুড়ায় গৃহবধূকে আটকে রেখে দলবদ্ধ ধ*র্ষ*ণ

প্রকাশিত: ১২:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
আদমদিঘী  (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় গৃহবধূকে আটক রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত ২২ এপ্রিল রাতের এ ঘটনায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদমদীঘি থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী। মামলার চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–সান্তাহার পোস্ট অফিসপাড়ার নুর ইসলাম বাবুর ছেলে সাহেদুল ইসলাম সাহেদ (২১), শেখ আব্দুল বারেকের মেয়ে রুনা বেগম (৪৫), সান্তাহার পূর্ব লকু কলোনির তহিদুল ইসলামের ছেলে মিঠু হোসেন (২৭) ও একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে হৃদয় হোসেন (২০)। মামলা সূত্রে জানা যায়, আদমদীঘির সান্তাহার পূর্ব লকু কলোনির একটি ভাড়া বাসায় স্বামীর সঙ্গে থাকতেন ওই নারী। ২২ এপ্রিল তাদের পাশের বাসার এক মেয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই দিন রাত ১১টার দিকে গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীকে সান্তাহার রেলগেটে এক দোকানে ডেকে নেন মেয়েটির বাবা। তিনি মেয়েকে বের করে দেওয়ার জন্য তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে আসামি মিঠু ও হৃদয় গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীকে মারধর করতে থাকেন। এক সময় ভয়ে পালিয়ে যান ওই নারীর স্বামী। এরপর আসামি রুনা ভুক্তভোগীকে মারধর করে তাঁর বাসায় নিয়ে একটি ঘরে আটক রাখেন। রাত ২টার দিকে আসামি সাহেদুল ও আজান ঘরে ঢুকে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। পরদিন ২৩ এপ্রিল সকালে ভুক্তভোগীর স্বামী ও স্বজনরা তাঁকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। আদমদীঘি থানার ওসি কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ও ভুক্তভোগী নারীকে শনিবার আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত আসামিদের কারাগারে এবং ধর্ষণের শিকার নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।