০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, ইটভাটায়ও লোকসান 

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৯:২৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে বৃষ্টিতে গলে গেছে কয়েকটি ইটভাটার কাঁচা ইট। এতে করে উপজেলার কৃষক ও ইট ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,গত বৃহস্পতিবার দিবাগত ভোর রাতে হঠাৎ করে ঝড়ো হাওয়া,বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। এতে উপজেলার পৌরসভা সহ সাতটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।শুক্রবার(১৩ মার্চ) সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায় ঝড়ে মরিচ,ভুট্টা,কলা ও আমের মুকুল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।পাকুল্যা গ্রামের কৃষক হোসেন আলী জানান,বৃহস্পতিবার ভোর রাতের ঝড়ে তার প্রায় দুই বিঘা জমির ভুট্টা গাছ মাটির সঙ্গে নুয়ে পড়েছে। এতে ভুট্টার গাছের মোচা নষ্ট হয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।তেকানী চরাঞ্চলের কৃষক সাইদুর মামুন বলেন, যমুনা নদীর চরে প্রায় চার বিঘা জমিতে লাগানো ভুট্টা ও মরিচ গাছ ঝড়ে উপড়ে পড়েছে। এতে তার প্রায় সাত লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে ঝড়-বৃষ্টির কারণে ইটভাটার ব্যবসায়ীরাও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সোনাতলা ইট মালিক সমিতির সদস্যদের মাধ্যমে জানা গেছে,হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিতে উপজেলার কয়েকটি ইটভাটায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার কাঁচা ইট নষ্ট হয়ে গেছে। সোনাতলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সাইফুল আহম্মেদ জানান হঠাৎ ভোর রাতে ঝড় ও বজ্রপাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য খুঁটির সংযোগ তার ছিড়ে যায়। সেই সাথে ১টা ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়েছে এবং ১টি খুটি ভেঙে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। তবে দ্রুত মেরামত করে বিদ্যুৎ লাইন সচল করা হয়েছে।এতে করে ৩লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি। সোনাতলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন,আকস্মিক এই ঝড়-বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় আনুমানিক প্রায় দুই হেক্টর জমির ভুট্টা গাছ হেলে পড়েছে।এছাড়াও আমের গাছের মুকুল ঝরে পড়া এবং চরাঞ্চলে মরিচের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি বৃষ্টিতে ইটভাটার কাঁচা ইটও গলে গেছে। তবে এখনো ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ বলা সম্ভব নয়।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

বগুড়ায় অসুস্থ সাংবাদিক মুসা’র শয্যা’র পাশে জাসাস নেতা শফিক ও ছোটন

সোনাতলায় আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, ইটভাটায়ও লোকসান 

প্রকাশিত: ০৯:২৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে বৃষ্টিতে গলে গেছে কয়েকটি ইটভাটার কাঁচা ইট। এতে করে উপজেলার কৃষক ও ইট ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,গত বৃহস্পতিবার দিবাগত ভোর রাতে হঠাৎ করে ঝড়ো হাওয়া,বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। এতে উপজেলার পৌরসভা সহ সাতটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।শুক্রবার(১৩ মার্চ) সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায় ঝড়ে মরিচ,ভুট্টা,কলা ও আমের মুকুল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।পাকুল্যা গ্রামের কৃষক হোসেন আলী জানান,বৃহস্পতিবার ভোর রাতের ঝড়ে তার প্রায় দুই বিঘা জমির ভুট্টা গাছ মাটির সঙ্গে নুয়ে পড়েছে। এতে ভুট্টার গাছের মোচা নষ্ট হয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।তেকানী চরাঞ্চলের কৃষক সাইদুর মামুন বলেন, যমুনা নদীর চরে প্রায় চার বিঘা জমিতে লাগানো ভুট্টা ও মরিচ গাছ ঝড়ে উপড়ে পড়েছে। এতে তার প্রায় সাত লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে ঝড়-বৃষ্টির কারণে ইটভাটার ব্যবসায়ীরাও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সোনাতলা ইট মালিক সমিতির সদস্যদের মাধ্যমে জানা গেছে,হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিতে উপজেলার কয়েকটি ইটভাটায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার কাঁচা ইট নষ্ট হয়ে গেছে। সোনাতলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সাইফুল আহম্মেদ জানান হঠাৎ ভোর রাতে ঝড় ও বজ্রপাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য খুঁটির সংযোগ তার ছিড়ে যায়। সেই সাথে ১টা ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়েছে এবং ১টি খুটি ভেঙে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। তবে দ্রুত মেরামত করে বিদ্যুৎ লাইন সচল করা হয়েছে।এতে করে ৩লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি। সোনাতলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন,আকস্মিক এই ঝড়-বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় আনুমানিক প্রায় দুই হেক্টর জমির ভুট্টা গাছ হেলে পড়েছে।এছাড়াও আমের গাছের মুকুল ঝরে পড়া এবং চরাঞ্চলে মরিচের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি বৃষ্টিতে ইটভাটার কাঁচা ইটও গলে গেছে। তবে এখনো ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ বলা সম্ভব নয়।