১১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাঘাটা উপজেলা নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রে অধ্যক্ষ রাঙ্গা

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০২:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২০ বার পড়া হয়েছে

সুলতান আহম্মেদ (সাঘাটা) গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নতুন সরকারের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে আলোচনার পর গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে অধ্যক্ষ আরসাদুল কবির রাঙ্গার নামই সবার আগে উচ্চারিত হচ্ছে।

দলমতের ঊর্ধ্বে অবস্থান, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও সুদীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতায় তিনি ইতোমধ্যেই সাঘাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হলে তৃণমূলের বিভেদ দূর হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামবে বিএনপি। গেলো জাতীয় নির্বাচনে সৃষ্ট অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ফলে পরাজয়ের পুনরাবৃত্তি হবে না বলেও মনে করছেন তারা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত রাঙ্গা ছাত্রজীবনে ছাত্রদলের তুখোড় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের প্রথম সাহিত্য সম্পাদক এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক (১৯৯৪ু২০০১) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এলাকায় ফিরে নিজ উদ্যোগে সাঘাটা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। পাশাপাশি সাঘাটা উপজেলা বিএনপির দুইবার যুগ্ম আহ্বায়ক ও যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া জাতীয়তাবাদী তাতী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক (২০০৬-২০০৮) এবং বর্তমানে গাইবান্ধা জেলা বিএনপির শিক্ষা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রাজনৈতিক মহলের ভাষ্য, সামাজিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় যোগাযোগ তাকে সাধারণ ভোটারদের কাছেও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মী, সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে ঘিরে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

অধ্যক্ষ রাঙ্গা বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির রাজনীতি করি। দলীয় আদর্শের বাইরে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। ব্যক্তিগত ইচ্ছা ও জনগণের দাবি থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় হাইকমান্ডের ওপরই নির্ভর করবে।”

স্থানীয় নেতারা বলছেন, মনোনয়ন যাকে দেওয়া হবে, তাকে ঘিরেই সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখা হবে। তবে রাঙ্গাকে প্রার্থী করা হলে ঐক্যের শক্তিতে বদলে যেতে পারে সাঘাটার রাজনৈতিক সমীকরণ—এমনটাই প্রত্যাশা তৃণমূল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

একটু বৃষ্টিতেই পাকুল্লা হাটে জলাবদ্ধতা ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে দুর্ভোগ,ক্ষতিরমুখে পথচারী ব্যবসায়ীরা 

সাঘাটা উপজেলা নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রে অধ্যক্ষ রাঙ্গা

প্রকাশিত: ০২:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুলতান আহম্মেদ (সাঘাটা) গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নতুন সরকারের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে আলোচনার পর গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে অধ্যক্ষ আরসাদুল কবির রাঙ্গার নামই সবার আগে উচ্চারিত হচ্ছে।

দলমতের ঊর্ধ্বে অবস্থান, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও সুদীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতায় তিনি ইতোমধ্যেই সাঘাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হলে তৃণমূলের বিভেদ দূর হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামবে বিএনপি। গেলো জাতীয় নির্বাচনে সৃষ্ট অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ফলে পরাজয়ের পুনরাবৃত্তি হবে না বলেও মনে করছেন তারা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত রাঙ্গা ছাত্রজীবনে ছাত্রদলের তুখোড় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের প্রথম সাহিত্য সম্পাদক এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক (১৯৯৪ু২০০১) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এলাকায় ফিরে নিজ উদ্যোগে সাঘাটা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। পাশাপাশি সাঘাটা উপজেলা বিএনপির দুইবার যুগ্ম আহ্বায়ক ও যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া জাতীয়তাবাদী তাতী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক (২০০৬-২০০৮) এবং বর্তমানে গাইবান্ধা জেলা বিএনপির শিক্ষা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রাজনৈতিক মহলের ভাষ্য, সামাজিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় যোগাযোগ তাকে সাধারণ ভোটারদের কাছেও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মী, সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে ঘিরে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

অধ্যক্ষ রাঙ্গা বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির রাজনীতি করি। দলীয় আদর্শের বাইরে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। ব্যক্তিগত ইচ্ছা ও জনগণের দাবি থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় হাইকমান্ডের ওপরই নির্ভর করবে।”

স্থানীয় নেতারা বলছেন, মনোনয়ন যাকে দেওয়া হবে, তাকে ঘিরেই সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখা হবে। তবে রাঙ্গাকে প্রার্থী করা হলে ঐক্যের শক্তিতে বদলে যেতে পারে সাঘাটার রাজনৈতিক সমীকরণ—এমনটাই প্রত্যাশা তৃণমূল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের।