
মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বগুড়া গাবতলীর মহিষাবান বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক সাইদুজ্জামান কাজল কর্তৃক বিদ্যালয়ের পাসওয়ার্ড না দেয়ায় শিক্ষার্থীদের ষান্মাসিক পরীক্ষা দেয়া বিঘœ হচ্ছে। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাসওয়ার্ড এবং পিন নাম্বার ফিরে পেতে জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বন্যা’র নিকট পৃথকভাবে আবেদন করা হয়েছে। ৯জুলাই/২৪ মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল আউয়াল লিখিতভাবে আবেদনটি করেন জেলা প্রশাসক এর নিকট। এ ছাড়া পৃথকভাবে ৮জুলাই/২৪ সোমবার আরেকটি তিনি আবেদন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা’র নিকট।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ০৮মিনিটে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বন্যা’র সাথে কথা বললে তিনি জানান, একটু আগে আবেদনটি হাতে পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে। পরে বিকেল ৫টা ২০মিনিটে তিনি (ইউএনও) আবারো জানান, এ বিষয়ে কথা হয়েছে, কোন সমস্যা হবে না, পরীক্ষা সঠিকভাবে চলবে। মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ১৪মিনিটে জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আবেদনটি এখনো আমার কাছে আসেনি। এ সংক্রান্ত আবেদন পাওয়া সাক্ষেপে সার্বিক বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল আউয়াল এর সাথে মোবাইল ফোনে বিকেল ৫টা ৩৪মিনিটে কথা বললে, তিনি জানান, আমাকে ইউএনও অফিস থেকে ফোন করেছিল বুধবারের পরীক্ষার কোন সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন। এ ছাড়া সাময়িক বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক সাইদুজ্জামান কাজলও ফোন করে বলেছেন, তিনি বুধবারের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ব্যবস্থা করে দিবেন। উল্লেখ্য, দেশের সকল উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে ওয়েব সাইড/ই-মেইল রয়েছে। তার পাসওয়ার্ড বা পিন নাম্বার থাকে বিদ্যালয়ের প্রধান এর কাছে। আর এই সাইড/ই-মেইলে প্রশ্নপত্র ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ ডুকুমেন্ট দিয়ে থাকেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ।
প্রকাশ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুজ্জামান কাজলকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক সাময়িক বরখাস্ত করে সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল আউয়ালকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। এ ছাড়া বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ও ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলাও দায়ের করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা সমস্যা ও জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। যে কারনে বিদ্যালয়ের পাসওয়ার্ড নিয়েও ইউএনও এবং ডিসি পর্যন্ত যেতে হচ্ছে।

প্রতিবেদক 




















