০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সান্তাহারে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশের এএসআই ক্লোজ

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৪:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আনেস আলীকে ক্লোজ করা হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫ টায় তাকে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করে বগুড়া পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক খন্দকার ফরিদ হোসেন।

জানা গেছে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩ টায় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ক্লিপসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে এলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর ২ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। একই সঙ্গে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের করে দাবী জানিয়েছেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর আগে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়িতে এএসআই হিসেবে যোগ দেন আনেস আলী। যোগদানের পর থেকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন
অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সান্তাহার নতুন বাজার এলাকায় এক নারীর বাসায় অবাধ যাতায়াতে তাকে হাতেনাতে আটকের পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ধামাচাপাও দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে একটি কক্ষে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগসংক্রান্ত একটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে এলে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি গোপন রাখার জন্য স্থানীয় কয়েকজনকে ভয়ভীতি দেখানো হয়।
এ ছাড়া ওই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক কারবারিদের কাছ থেকে গোপনে সুবিধা নেওয়া এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার না করে অর্থের বিনিময়ে তাদের সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এতে দিন দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। একপর্যায়ে পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষায় উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তার বিরুদ্ধে জরুরি প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেন।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

মহাস্থান মাজার জামে মসজিদে সাবেক এমপি মরহুম সাইদ ইস্কান্দার এর আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল 

সান্তাহারে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশের এএসআই ক্লোজ

প্রকাশিত: ০৪:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আনেস আলীকে ক্লোজ করা হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫ টায় তাকে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করে বগুড়া পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক খন্দকার ফরিদ হোসেন।

জানা গেছে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩ টায় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ক্লিপসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে এলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর ২ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। একই সঙ্গে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের করে দাবী জানিয়েছেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর আগে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়িতে এএসআই হিসেবে যোগ দেন আনেস আলী। যোগদানের পর থেকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন
অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সান্তাহার নতুন বাজার এলাকায় এক নারীর বাসায় অবাধ যাতায়াতে তাকে হাতেনাতে আটকের পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ধামাচাপাও দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে একটি কক্ষে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগসংক্রান্ত একটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে এলে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি গোপন রাখার জন্য স্থানীয় কয়েকজনকে ভয়ভীতি দেখানো হয়।
এ ছাড়া ওই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক কারবারিদের কাছ থেকে গোপনে সুবিধা নেওয়া এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার না করে অর্থের বিনিময়ে তাদের সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এতে দিন দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। একপর্যায়ে পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষায় উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তার বিরুদ্ধে জরুরি প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেন।