০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিবগঞ্জে বড়িয়াহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাচির ভেঙে পড়েছে,আতঙ্কে পথচারীরা 

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১১:৩২:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বড়িয়াহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের (১২ই মার্চ) বৃহস্পতিবার রাত অনুষ্ঠান ১০টায় প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাত দীর্ঘ প্রাচির ভেঙে পড়েছে। হঠাৎ বিকট শব্দে আশপাশের পথচারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা দেখতে পান বিদ্যালয়ের এক অংশের প্রাচির ধসে পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরেই বাজার সংলগ্ন এলাকার কিছু ব্যবসায়ী বিদ্যালয়ের প্রাচিরের সঙ্গে বাঁশের লম্বা কাঠির আটি বেঁধে স্তূপ করে রাখতেন। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর এসব কাঠি আটি আকারে বেঁধে মাটির ওপর থেকে দেয়ালের সঙ্গে ঠেস দিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখা হতো। এতে প্রাচিরে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি জানান,প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বাঁশের কাঠি সেখানে রাখা হতো। কাঁচা বাঁশ কেটে ছোট ছোট টুকরো করে আটি বেঁধে অন্তত দেড়শ থেকে দুইশ আটি পর্যন্ত বিদ্যালয়ের দেয়ালের সঙ্গে রাখা হতো।এতে ধীরে ধীরে প্রাচির দুর্বল হয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে ভেঙে যায়।
একজন ব্যবসায়ী জানান, তারা গ্রাম থেকে বাঁশ কিনে শ্রমিক দিয়ে ৬ থেকে ৭ ফুট লম্বা কাঠি তৈরি করেন। পরে সেগুলো আটি বেঁধে বোঝা আকারে এনে বিদ্যালয়ের দেয়ালের পাশে সাজিয়ে রাখা হয়। রাত ১০টা থেকে ১১টার দিকে ট্রাকে করে এসব কাঠি রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি দরে বিক্রি করা হয়। এসব কাঠি মূলত পানের বরজে ব্যবহার করা হয় বলে তিনি জানান।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,ব্যবসায়ীদের একাধিকবার নিষেধ করা হলেও তারা সেই নির্দেশনা মানেননি।বড়িয়াহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল শাহজাহান আলী বলেন,যারা প্রাচিরের ক্ষতি করেছে তাদের বলা হয়েছে, তারা যেন নিজ খরচে প্রাচির মেরামত করে দেয়।এ বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত) শেখ নাজমুল ইসলাম বলেন, এইভাবে ব্যবসায়ীরা স্কুলের প্রাচির ব্যবহার করতে পারে না। তবে প্রাচির ভাঙার বিষয়টি এখন পর্যন্ত আমাকে কেউ জানায়নি।
স্থানীয়দের দাবি বিদ্যালয়ের সম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

বগুড়ায় অসুস্থ সাংবাদিক মুসা’র শয্যা’র পাশে জাসাস নেতা শফিক ও ছোটন

শিবগঞ্জে বড়িয়াহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাচির ভেঙে পড়েছে,আতঙ্কে পথচারীরা 

প্রকাশিত: ১১:৩২:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বড়িয়াহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের (১২ই মার্চ) বৃহস্পতিবার রাত অনুষ্ঠান ১০টায় প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাত দীর্ঘ প্রাচির ভেঙে পড়েছে। হঠাৎ বিকট শব্দে আশপাশের পথচারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা দেখতে পান বিদ্যালয়ের এক অংশের প্রাচির ধসে পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরেই বাজার সংলগ্ন এলাকার কিছু ব্যবসায়ী বিদ্যালয়ের প্রাচিরের সঙ্গে বাঁশের লম্বা কাঠির আটি বেঁধে স্তূপ করে রাখতেন। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর এসব কাঠি আটি আকারে বেঁধে মাটির ওপর থেকে দেয়ালের সঙ্গে ঠেস দিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখা হতো। এতে প্রাচিরে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি জানান,প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বাঁশের কাঠি সেখানে রাখা হতো। কাঁচা বাঁশ কেটে ছোট ছোট টুকরো করে আটি বেঁধে অন্তত দেড়শ থেকে দুইশ আটি পর্যন্ত বিদ্যালয়ের দেয়ালের সঙ্গে রাখা হতো।এতে ধীরে ধীরে প্রাচির দুর্বল হয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে ভেঙে যায়।
একজন ব্যবসায়ী জানান, তারা গ্রাম থেকে বাঁশ কিনে শ্রমিক দিয়ে ৬ থেকে ৭ ফুট লম্বা কাঠি তৈরি করেন। পরে সেগুলো আটি বেঁধে বোঝা আকারে এনে বিদ্যালয়ের দেয়ালের পাশে সাজিয়ে রাখা হয়। রাত ১০টা থেকে ১১টার দিকে ট্রাকে করে এসব কাঠি রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি দরে বিক্রি করা হয়। এসব কাঠি মূলত পানের বরজে ব্যবহার করা হয় বলে তিনি জানান।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,ব্যবসায়ীদের একাধিকবার নিষেধ করা হলেও তারা সেই নির্দেশনা মানেননি।বড়িয়াহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল শাহজাহান আলী বলেন,যারা প্রাচিরের ক্ষতি করেছে তাদের বলা হয়েছে, তারা যেন নিজ খরচে প্রাচির মেরামত করে দেয়।এ বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত) শেখ নাজমুল ইসলাম বলেন, এইভাবে ব্যবসায়ীরা স্কুলের প্রাচির ব্যবহার করতে পারে না। তবে প্রাচির ভাঙার বিষয়টি এখন পর্যন্ত আমাকে কেউ জানায়নি।
স্থানীয়দের দাবি বিদ্যালয়ের সম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।