১০:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লক্ষমাত্রা ৯৪০হেক্টর,সোনাতলায় মাঠে আলুর গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক 

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১২:০৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৫ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়া সোনাতলা উপজেলায় ৯’শ ৪০হেক্টর লক্ষমাত্রা নিয়ে ফসলি জমিতে আলু রোপণ করেছে কৃষক।এলাকা ঘুরে দেখাগেছে শৈত্য প্রবাহ থেকে আলুর গাছ রক্ষা সহ গাছ পরিচর্যায় একেবারেই ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক।ইতিমধ্যেই আগাম জাতের আলু এসেছে বাজারে।পুরাতন তিন কেজিতে মিলছে নতুন এক কেজি আলু।বিক্রেতারা জানিয়েছেন নতুন আলু প্রকার ভেদে ৩৫/৪০টাকা এবং পুরাতন আলু ১০/১২টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে স্থানীয় বাজার গুলোতে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে এবার ৯৪০হেক্টর জমিতে কৃষক আলু রোপন করেছেন।গতবার ১২’শ ৫০হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হলেও এবার পরিমাণে কমেছে ৩’শ ১০হেক্টর। মাঠে কৃষক রুপসী জাত ৭’শ ৮০হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১’শ ৬০হেক্টর জমিতে আলু লাগিয়েছে কৃষক।কেন আবাদ কম এর ব্যাখ্যায় কৃষকেরা জানান,গতবছর ১’শ থেকে ১’শ ২০টাকায় আলুর বীজ সংগ্রহ এবং অন্যান্য খরচ সহ ২৫/৩০ টাকা বিক্রি করতে পারলে কিছু মুনাফা ঘরে উঠতো।কোল্ডস্টোরেজ ভাড়া পরিশোধ করে ৮/৯ টাকা কেজিতে পাইকারি দরে আলু বিক্রি করতে গিয়ে লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। তবুও বুক ভরা আশা নিয়ে আবারো আলু রোপণ সহ করছেন আলুর রক্ষণাবেক্ষণ।গাংনগর দুর্লভপুরের মৃত ফনি সরকার ছেলে পলাশ সরকার জানান,শৈত্য প্রবাহে আলুর গাছে রোগ দেখা দিয়েছে প্রতিরোধে স্প্রে করছি। তবে আবহাওয়া ভালো থাকলে বিঘাপ্রতি ১’শ মন হারে আলুর ফলন হবে।উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা দিলিপ কুমার রায় এর মতে নিরাপদ খাদ্য পেতে হলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈব্য সারের ব্যবহার বাড়াতে হবে। তবে মাটি পরিক্ষার মাধ্যমে পরিমাণ মতো রাসায়নিক সার সাথে জৈব্য সারের ব্যবহার করায় ভালো।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন,গত বছরের তুলনায় এবার কিছুটা আলুর আবাদ কম হয়েছে। ইতিমধ্যে শৈত্য প্রবাহ দেখা দেয়ায় নাভী ধ্বসা রোগে আলুর গাছ আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি। তবে মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা রোগ প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।আসা করছি এই দূর্যোগ কেটে গেলে আলুর বাম্পার ফলন হবে বলে মনে করছেন তিনি

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

বগুড়ায় অসুস্থ সাংবাদিক মুসা’র শয্যা’র পাশে জাসাস নেতা শফিক ও ছোটন

লক্ষমাত্রা ৯৪০হেক্টর,সোনাতলায় মাঠে আলুর গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক 

প্রকাশিত: ১২:০৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়া সোনাতলা উপজেলায় ৯’শ ৪০হেক্টর লক্ষমাত্রা নিয়ে ফসলি জমিতে আলু রোপণ করেছে কৃষক।এলাকা ঘুরে দেখাগেছে শৈত্য প্রবাহ থেকে আলুর গাছ রক্ষা সহ গাছ পরিচর্যায় একেবারেই ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক।ইতিমধ্যেই আগাম জাতের আলু এসেছে বাজারে।পুরাতন তিন কেজিতে মিলছে নতুন এক কেজি আলু।বিক্রেতারা জানিয়েছেন নতুন আলু প্রকার ভেদে ৩৫/৪০টাকা এবং পুরাতন আলু ১০/১২টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে স্থানীয় বাজার গুলোতে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে এবার ৯৪০হেক্টর জমিতে কৃষক আলু রোপন করেছেন।গতবার ১২’শ ৫০হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হলেও এবার পরিমাণে কমেছে ৩’শ ১০হেক্টর। মাঠে কৃষক রুপসী জাত ৭’শ ৮০হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১’শ ৬০হেক্টর জমিতে আলু লাগিয়েছে কৃষক।কেন আবাদ কম এর ব্যাখ্যায় কৃষকেরা জানান,গতবছর ১’শ থেকে ১’শ ২০টাকায় আলুর বীজ সংগ্রহ এবং অন্যান্য খরচ সহ ২৫/৩০ টাকা বিক্রি করতে পারলে কিছু মুনাফা ঘরে উঠতো।কোল্ডস্টোরেজ ভাড়া পরিশোধ করে ৮/৯ টাকা কেজিতে পাইকারি দরে আলু বিক্রি করতে গিয়ে লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। তবুও বুক ভরা আশা নিয়ে আবারো আলু রোপণ সহ করছেন আলুর রক্ষণাবেক্ষণ।গাংনগর দুর্লভপুরের মৃত ফনি সরকার ছেলে পলাশ সরকার জানান,শৈত্য প্রবাহে আলুর গাছে রোগ দেখা দিয়েছে প্রতিরোধে স্প্রে করছি। তবে আবহাওয়া ভালো থাকলে বিঘাপ্রতি ১’শ মন হারে আলুর ফলন হবে।উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা দিলিপ কুমার রায় এর মতে নিরাপদ খাদ্য পেতে হলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈব্য সারের ব্যবহার বাড়াতে হবে। তবে মাটি পরিক্ষার মাধ্যমে পরিমাণ মতো রাসায়নিক সার সাথে জৈব্য সারের ব্যবহার করায় ভালো।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন,গত বছরের তুলনায় এবার কিছুটা আলুর আবাদ কম হয়েছে। ইতিমধ্যে শৈত্য প্রবাহ দেখা দেয়ায় নাভী ধ্বসা রোগে আলুর গাছ আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি। তবে মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা রোগ প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।আসা করছি এই দূর্যোগ কেটে গেলে আলুর বাম্পার ফলন হবে বলে মনে করছেন তিনি