০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দু’দিনব্যাপী দুপচাঁচিয়ায় অষ্টকালীন কীর্তন শুরু ১৫ই ফেব্রুয়ারি 

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১০:১৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

বিকাশ স্বর্ণকার ও সুশান্ত মালাকারের প্রতিবেদনঃ
বিশ্ব মানবতার কল্যাণ, দেশ-মাতৃকার শান্তি ও জাতির মঙ্গল কামনায় দুপচাঁচিয়া উপজেলার কইল কর্মকারপাড়া সার্বজনীন কালী মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী অষ্টকালীন পদাবলী কীর্তন।
আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে,আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি (রোববার) সন্ধ্যায় শ্রীমদ্ভগবত গীতা পাঠ ও মঙ্গলঘট স্থাপনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হবে।১৬ই ফেব্রুয়ারি (সোমবার) দিনব্যাপী কীর্তন শিল্পীরা রাধাগোবিন্দের লীলা কীর্তন পরিবেশন করবেন। পরে ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দুপুরে কুঞ্জভঙ্গ ও মহাপ্রভুর ভোগ উৎসবের মাধ্যমে এবারের যজ্ঞানুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটবে।
বৈষ্ণব ভক্ত প্রদীপ প্রমাণিক কীর্তনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, কলিযুগে মানুষের মুক্তির অন্যতম পথ নামসংকীর্তন—নাম শ্রবণ ও ধারণের মধ্যেই রয়েছে আত্মমুক্তির সাধনা।
আয়োজক কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. এইচ সি কর্মকার (সুদীপ) জানান, ইতোমধ্যে অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগত সকল ভক্তদের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা থাকছে। পাশাপাশি অনুষ্ঠান চলাকালীন অসুস্থ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হবে।তিনি আরও বলেন, ভক্তদের উপস্থিতিতেই এ আয়োজনের সার্থকতা আসবে।অনুষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দীপেন কর্মকার এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে থাকছেন কৃষ্ণ কর্মকার।বিরতিহীন কীর্তন পরিবেশন করবেন শিল্পীরা—উত্তম কুমার সাহা, অন্তর কুমার মহন্ত, সৌরভ সরকার ও সীতানাথ কর্মকার প্রমুখ

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

বগুড়ায় অসুস্থ সাংবাদিক মুসা’র শয্যা’র পাশে জাসাস নেতা শফিক ও ছোটন

দু’দিনব্যাপী দুপচাঁচিয়ায় অষ্টকালীন কীর্তন শুরু ১৫ই ফেব্রুয়ারি 

প্রকাশিত: ১০:১৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিকাশ স্বর্ণকার ও সুশান্ত মালাকারের প্রতিবেদনঃ
বিশ্ব মানবতার কল্যাণ, দেশ-মাতৃকার শান্তি ও জাতির মঙ্গল কামনায় দুপচাঁচিয়া উপজেলার কইল কর্মকারপাড়া সার্বজনীন কালী মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী অষ্টকালীন পদাবলী কীর্তন।
আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে,আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি (রোববার) সন্ধ্যায় শ্রীমদ্ভগবত গীতা পাঠ ও মঙ্গলঘট স্থাপনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হবে।১৬ই ফেব্রুয়ারি (সোমবার) দিনব্যাপী কীর্তন শিল্পীরা রাধাগোবিন্দের লীলা কীর্তন পরিবেশন করবেন। পরে ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দুপুরে কুঞ্জভঙ্গ ও মহাপ্রভুর ভোগ উৎসবের মাধ্যমে এবারের যজ্ঞানুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটবে।
বৈষ্ণব ভক্ত প্রদীপ প্রমাণিক কীর্তনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, কলিযুগে মানুষের মুক্তির অন্যতম পথ নামসংকীর্তন—নাম শ্রবণ ও ধারণের মধ্যেই রয়েছে আত্মমুক্তির সাধনা।
আয়োজক কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. এইচ সি কর্মকার (সুদীপ) জানান, ইতোমধ্যে অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগত সকল ভক্তদের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা থাকছে। পাশাপাশি অনুষ্ঠান চলাকালীন অসুস্থ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হবে।তিনি আরও বলেন, ভক্তদের উপস্থিতিতেই এ আয়োজনের সার্থকতা আসবে।অনুষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দীপেন কর্মকার এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে থাকছেন কৃষ্ণ কর্মকার।বিরতিহীন কীর্তন পরিবেশন করবেন শিল্পীরা—উত্তম কুমার সাহা, অন্তর কুমার মহন্ত, সৌরভ সরকার ও সীতানাথ কর্মকার প্রমুখ