১১:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দিনের বেলায় মেঘ কুয়াশায় ঢাকা সূর্য, সোনাতলায় বৃষ্টির মতো রাতে ঝরছে কুয়াশা

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১২:১৯:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ গত ক’দিন আগেও দেখা মিলেছিলো রোদ্দুরের। এবং সূর্যের ঝলমলে রোদ্দুরে কমেও গিয়েছিল শীত। তবে আবার গতকাল থেকে দিনের বেলায় দেখা মিলছে না সূর্যের।হিমেল হাওয়ায় আবারও কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বগুড়া সোনাতলার জনজীবনে। উত্তরের হিমশীতল হাওয়ায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। আবারো নতুন করে গত দুইদিন থেকে একেবারেই দেখা মিলছে না সূর্যের।দিনভর কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল হাওয়ায় আবারও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সেই সাথে প্রভাব পড়েছে সোনাতলার জনজীবন। আবহাওয়া অধিদপ্তর তথ্য মতে অনুমান বগুড়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হয়তোবা চলছে ৯/১০ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস।স্থানীয়রা জানান,গত দুই দিন ধরে দিনভর কুয়াশা ও মেঘের আড়ালে ঢাকা থাকে সূর্য। সকাল থেকেই থাকে মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কিছুটা কম থাকলেও বিশেষ করে রাত ভর গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। সঙ্গে হিমেল বাতাস শীতের মাত্রাকে আরও একগুন বাড়িয়ে দিচ্ছে। এমন আবহাওয়ায় বেশ দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষেরা।এদিকে শীতের মধ্যে জীবিকার তাগিদে অনেকে কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হলেও তাদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে।সোনাতলা চরাঞ্চল সহ বিভিন্ন গ্ৰামে শিশু বৃদ্ধ অনেকেই একত্রিত হয়ে খর কুটায় আগুনে শরীরে কিছুটা তাপমাত্রা বাড়িয়ে নিতে দেখা গেছে। চরাঞ্চলের খালেক মিয়া জানান,বাড়ির সামনে ফাকা হু হু করে বাতাস আসে। একারণেই প্রচন্ড শীত অনুভূত হচ্ছে।তেকানীর আশরাফ আলী জানান,এবার ব্যাপক শীতের কারণে ফসলের বেশ ক্ষতি হবার সম্ভাবনা রয়েছে।দিন শ্রমিক মোনারুল ইসলাম বলেন,গতকাল থেকে মেঘ আর কুয়াশায় দেখা যাচ্ছে না সূর্যের পড়েছে প্রচন্ড শীত। এতে করে মাঠে কাজ করতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। ঠান্ডা বাতাসে কাজ করতে গিয়ে মনে হচ্ছে হাত-পা অবশ হয়ে আসে। মধুপুরের নিখিল চন্দ্র বর্মন জানান,আর ক’দিন পর বোরো ধান রোপনের ভরা মৌসুম শুরু হবে। জমির পানিতে নামলে মনে হচ্ছে বরফ হয়ে আছে পানি। এদিকে তিব্র শীতে ধানের চারা বেড়ে উঠছে না। উপজেলার আলু চাষীরা কুয়াশা ও শীতের প্রকোপ থেকে গাছ রক্ষায় ভিটামিন ও কুয়াশা নাশক স্প্রে করতে দেখা গেছে।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

বগুড়ায় অসুস্থ সাংবাদিক মুসা’র শয্যা’র পাশে জাসাস নেতা শফিক ও ছোটন

দিনের বেলায় মেঘ কুয়াশায় ঢাকা সূর্য, সোনাতলায় বৃষ্টির মতো রাতে ঝরছে কুয়াশা

প্রকাশিত: ১২:১৯:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ গত ক’দিন আগেও দেখা মিলেছিলো রোদ্দুরের। এবং সূর্যের ঝলমলে রোদ্দুরে কমেও গিয়েছিল শীত। তবে আবার গতকাল থেকে দিনের বেলায় দেখা মিলছে না সূর্যের।হিমেল হাওয়ায় আবারও কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বগুড়া সোনাতলার জনজীবনে। উত্তরের হিমশীতল হাওয়ায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। আবারো নতুন করে গত দুইদিন থেকে একেবারেই দেখা মিলছে না সূর্যের।দিনভর কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল হাওয়ায় আবারও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সেই সাথে প্রভাব পড়েছে সোনাতলার জনজীবন। আবহাওয়া অধিদপ্তর তথ্য মতে অনুমান বগুড়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হয়তোবা চলছে ৯/১০ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস।স্থানীয়রা জানান,গত দুই দিন ধরে দিনভর কুয়াশা ও মেঘের আড়ালে ঢাকা থাকে সূর্য। সকাল থেকেই থাকে মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কিছুটা কম থাকলেও বিশেষ করে রাত ভর গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। সঙ্গে হিমেল বাতাস শীতের মাত্রাকে আরও একগুন বাড়িয়ে দিচ্ছে। এমন আবহাওয়ায় বেশ দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষেরা।এদিকে শীতের মধ্যে জীবিকার তাগিদে অনেকে কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হলেও তাদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে।সোনাতলা চরাঞ্চল সহ বিভিন্ন গ্ৰামে শিশু বৃদ্ধ অনেকেই একত্রিত হয়ে খর কুটায় আগুনে শরীরে কিছুটা তাপমাত্রা বাড়িয়ে নিতে দেখা গেছে। চরাঞ্চলের খালেক মিয়া জানান,বাড়ির সামনে ফাকা হু হু করে বাতাস আসে। একারণেই প্রচন্ড শীত অনুভূত হচ্ছে।তেকানীর আশরাফ আলী জানান,এবার ব্যাপক শীতের কারণে ফসলের বেশ ক্ষতি হবার সম্ভাবনা রয়েছে।দিন শ্রমিক মোনারুল ইসলাম বলেন,গতকাল থেকে মেঘ আর কুয়াশায় দেখা যাচ্ছে না সূর্যের পড়েছে প্রচন্ড শীত। এতে করে মাঠে কাজ করতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। ঠান্ডা বাতাসে কাজ করতে গিয়ে মনে হচ্ছে হাত-পা অবশ হয়ে আসে। মধুপুরের নিখিল চন্দ্র বর্মন জানান,আর ক’দিন পর বোরো ধান রোপনের ভরা মৌসুম শুরু হবে। জমির পানিতে নামলে মনে হচ্ছে বরফ হয়ে আছে পানি। এদিকে তিব্র শীতে ধানের চারা বেড়ে উঠছে না। উপজেলার আলু চাষীরা কুয়াশা ও শীতের প্রকোপ থেকে গাছ রক্ষায় ভিটামিন ও কুয়াশা নাশক স্প্রে করতে দেখা গেছে।