০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণের অভিযোগ– সাংবাদিকদের তথ্য দিতে সান্তাহার রেলওয়ে পুলিশের গড়িমসি

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৭:৪৫:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ চলন্ত ট্রেনে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের তথ্য দিতে গড়িমসির অভিযোগ উঠেছে সান্তাহার রেলওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ওসি দুলাল হোসেনের বিরুদ্ধে। ঘটনার বিষয়ে জানতে সাংবাদিকরা সান্তাহার রেলওয়ে থানায় যোগাযোগ করলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক ভাবে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, ঘটনার প্রকৃত তথ্য, মামলা হয়েছে কি না, কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না- এসব বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তারা নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। এতে ঘটনার সত্যতা ও আইনগত অগ্রগতি নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
এদিকে, চলন্ত ট্রেনে নারী নির্যাতন বা ধর্ষণের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। এমন ঘটনায় দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকেও সঠিক তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন। সাংবাদিকদের তথ্য দিতে পুলিশের এমন গড়িমসি কেন এ নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
নাম না প্রকাশ শত্বে একজন জানায়, চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণের ঘটনায় ট্রেনে দায়িত্বরত রেলওয়ে পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে সান্তাহার রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি দুলাল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আপনারা চলে যান আমি তথ্যগুলো হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিবো। কিন্তু ১৫ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও এখন বিস্তারিত কোন তথ্য দেয়নি।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

মহাস্থান মাজার জামে মসজিদে সাবেক এমপি মরহুম সাইদ ইস্কান্দার এর আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল 

চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণের অভিযোগ– সাংবাদিকদের তথ্য দিতে সান্তাহার রেলওয়ে পুলিশের গড়িমসি

প্রকাশিত: ০৭:৪৫:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ চলন্ত ট্রেনে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের তথ্য দিতে গড়িমসির অভিযোগ উঠেছে সান্তাহার রেলওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ওসি দুলাল হোসেনের বিরুদ্ধে। ঘটনার বিষয়ে জানতে সাংবাদিকরা সান্তাহার রেলওয়ে থানায় যোগাযোগ করলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক ভাবে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, ঘটনার প্রকৃত তথ্য, মামলা হয়েছে কি না, কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না- এসব বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তারা নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। এতে ঘটনার সত্যতা ও আইনগত অগ্রগতি নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
এদিকে, চলন্ত ট্রেনে নারী নির্যাতন বা ধর্ষণের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। এমন ঘটনায় দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকেও সঠিক তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন। সাংবাদিকদের তথ্য দিতে পুলিশের এমন গড়িমসি কেন এ নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
নাম না প্রকাশ শত্বে একজন জানায়, চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণের ঘটনায় ট্রেনে দায়িত্বরত রেলওয়ে পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে সান্তাহার রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি দুলাল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আপনারা চলে যান আমি তথ্যগুলো হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিবো। কিন্তু ১৫ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও এখন বিস্তারিত কোন তথ্য দেয়নি।