
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০৪ মামলার আসামী এবং গুম ও বহুবার কারা নির্যাতনের শিকার একেএম লুৎফুল বারী মুকুল ছাত্র জীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত। বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসন থেকে ৪ বার মনোনয়ন চেয়েছিলেন তিনি। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ঢাকাস্থ বৃহত্তর বগুড়া সমিতির আজীবন সদস্য ও সহ-সভাপতি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ’’নাগরিকদের জন্য আমরা’’ এর উপদেষ্ঠা সদস্য, ঢাকাস্থ বৃহত্তর বগুড়া যুব উন্নয়ন পরিষদের সদস্য, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি বগুড়া ইউনিটের আজীবন সদস্য ছাড়া নানামুখী উন্নয়ন ও সেবামুলক কাজে জড়িত রয়েছেন।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ও বিএনপি নেতা একেএম লুৎফুল বারী মুকুল বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার কৃষ্ঞচন্দ্রপর গ্রামে তার জন্ম হলেও পরবর্তীতে সোনাতলা উপজেলার বালুয়াহাট এলাকায় তার পরিবার বসবাস করেন। তিনি (মুকুল) স্কুল শিক্ষক মৃত রওশন আলীর ছেলে। এলাকায় তিনি (মুকুল) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থপনা বিভাগে অনার্স এবং মাস্টার্স করেন। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনেও তার ব্যাপক ভুমিকা ছিল। তিনি ঢাকায় একজন সফল ব্যবসায়ী হলেও বিএনপি করার কারনে গত সরকারের আমলে প্রতি হিংসায় তার ব্যবসা ও স্বপ্ন ভেঙ্গে তছনছ করে দেয়া হয়েছে।
অপর দিকে একেএম লুৎফুল বারী মুকুল ঢাকা মহানগর (উত্তর) মিরপুর থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মনোনীত হওয়ায় বিভিন্ন মহল থেকে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। যথাক্রমে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম শফিক, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের যুগ্ম সম্পাদক এ্যাডঃ রবিউল হোসেন রবি, ঢাকাস্থ বৃহত্তর বগুড়া সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার জাহিদুর রহমান তালুকদার দিপু, সহ-সভাপতি ড. অধ্যক্ষ একেএম আহসান হাবিব রুবেল, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ’’নাগরিকদের জন্য আমরা’’ এর উপদেষ্ঠা সদস্য জাহেদুর রহমান তালুকদার বিপ্লব, মাহবুবুর রহমান ছোটন, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ আবু মুসা, গাবতলী উপজেলা জিয়া পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রমজান আলী উকিলসহ আরো অনেকে।

প্রতিবেদক 




















