০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়া-২আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মীর শাহে আলমের উদ্দোগে মোকামতলার হরিজন সম্প্রদায়েরা স্বস্তিতে

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১১:১১:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের ধানের শীষের এমপি প্রার্থী মীর শাহে আলমের উদ্যোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় অবশেষে শতবর্ষ ধরে বসবাসরত বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা এলাকার হরিজন সম্প্রদায়ের ভিটামাটি তাদের দখলেই থাকছে। তাদের উচ্ছেদের বিষয়ে বগুড়া জজকোর্টের আদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।মামলার বিবরণে জানা গেছে, জমির মালিকানা ও খাস দখল পুনরুদ্ধারের দাবিতে দায়ের করা একটি দেওয়ানি মামলা ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল আদমদীঘি উপজেলার সহকারী জজ আদালত খারিজ করেন। পরবর্তীতে ওই রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা অন্য আপিল নং-১২৬/২০২৪ এ বগুড়ার প্রথম অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত ২০২৫ সালের ৭ জুলাই আপিল মঞ্জুর করে আগের রায় বাতিল করেন। এর ফলে হরিজন সম্প্রদায়ের বসতভিটা দখল ও উচ্ছেদের জন্য আদালতের নির্দেশনা জারি হয়।এই আদেশের পর ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ প্রশাসন উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এলাকায় উপস্থিত হলে চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় পড়ে যান হরিজন সম্প্রদায়ের হাজারো মানুষ। তারা তখন বগুড়া-২ আসনের ধানের শীষের এমপি প্রার্থী মীর শাহে আলমের শরণাপন্ন হন। পরিস্থিতি বিবেচনায় মীর শাহে আলমের অনুরোধে ম্যাজিস্ট্রেট সাত দিনের সময় দিয়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম স্থগিত রেখে ফিরে যান।পরবর্তীতে মীর শাহে আলম নিজ উদ্যোগ ও নিজ খরচে মামলাটি হাইকোর্টে দায়ের করতে সহায়তা করে। বগুড়া জজকোর্টের উক্ত রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের আওতায় হাইকোর্ট বিভাগে সিভিল রিভিশন আবেদন করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একক বেঞ্চে (বিচারপতি মো. আলী রেজা) মামলাটি প্রাথমিকভাবে শুনানি গ্রহণ করা হয়। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন এবং ছয় মাসের জন্য মামলার বিষয়ে স্থিতাবস্থা (Status Quo) বজায় রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তলব করা হয়।এ বিষয়ে সনদ প্রদান করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রশিদ টিপু।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

বগুড়ায় অসুস্থ সাংবাদিক মুসা’র শয্যা’র পাশে জাসাস নেতা শফিক ও ছোটন

বগুড়া-২আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মীর শাহে আলমের উদ্দোগে মোকামতলার হরিজন সম্প্রদায়েরা স্বস্তিতে

প্রকাশিত: ১১:১১:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের ধানের শীষের এমপি প্রার্থী মীর শাহে আলমের উদ্যোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় অবশেষে শতবর্ষ ধরে বসবাসরত বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা এলাকার হরিজন সম্প্রদায়ের ভিটামাটি তাদের দখলেই থাকছে। তাদের উচ্ছেদের বিষয়ে বগুড়া জজকোর্টের আদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।মামলার বিবরণে জানা গেছে, জমির মালিকানা ও খাস দখল পুনরুদ্ধারের দাবিতে দায়ের করা একটি দেওয়ানি মামলা ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল আদমদীঘি উপজেলার সহকারী জজ আদালত খারিজ করেন। পরবর্তীতে ওই রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা অন্য আপিল নং-১২৬/২০২৪ এ বগুড়ার প্রথম অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত ২০২৫ সালের ৭ জুলাই আপিল মঞ্জুর করে আগের রায় বাতিল করেন। এর ফলে হরিজন সম্প্রদায়ের বসতভিটা দখল ও উচ্ছেদের জন্য আদালতের নির্দেশনা জারি হয়।এই আদেশের পর ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ প্রশাসন উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এলাকায় উপস্থিত হলে চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় পড়ে যান হরিজন সম্প্রদায়ের হাজারো মানুষ। তারা তখন বগুড়া-২ আসনের ধানের শীষের এমপি প্রার্থী মীর শাহে আলমের শরণাপন্ন হন। পরিস্থিতি বিবেচনায় মীর শাহে আলমের অনুরোধে ম্যাজিস্ট্রেট সাত দিনের সময় দিয়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম স্থগিত রেখে ফিরে যান।পরবর্তীতে মীর শাহে আলম নিজ উদ্যোগ ও নিজ খরচে মামলাটি হাইকোর্টে দায়ের করতে সহায়তা করে। বগুড়া জজকোর্টের উক্ত রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের আওতায় হাইকোর্ট বিভাগে সিভিল রিভিশন আবেদন করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একক বেঞ্চে (বিচারপতি মো. আলী রেজা) মামলাটি প্রাথমিকভাবে শুনানি গ্রহণ করা হয়। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন এবং ছয় মাসের জন্য মামলার বিষয়ে স্থিতাবস্থা (Status Quo) বজায় রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তলব করা হয়।এ বিষয়ে সনদ প্রদান করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রশিদ টিপু।