১০:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২২১০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ,সোনাতলায় হলুদের ঢেউয়ে ঢেকে গেছে দিগন্ত 

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ১০:২৪:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়া সোনাতলায় ২২১০হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ করছেন কৃষক। কৃষক বলছে আবহাওয়া যদি অনুকূলে থাকে এবং গাছের শাখা প্রশাখা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে তাতে করে এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষিবিদদের মতে এই উপজেলার সিংহভাগ জমি বন্যায় নিমজ্জিত থাকায় পলি পরে উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পায়। এরফলে বন্যা পরবর্তীতেই উপজেলার কৃষকেরা ফসল হিসেবে সরিষার আবাদ করে। এই কারণে বাম্পার ফলনের  সম্ভাবনা বেশি থাকে। বিশেষ করে উপজেলার মধুপুর,তেকানী ঢুকাইনগর ও পাকুল্লা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল সহ অন্যান্য  ইউনিয়নেও সরিষার ব্যাপক চাষ করেছেন কৃষক। যমুনা ও বাঙালি নদীর জেগে ওঠা চরে সরিষার চাষ দেখে যে কারো মনে হবে হলুদের ঢেউয়ে একবারেই ঢেকে গেছে দিগন্ত জুড়ে।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রমতে, এবছর আগাম সরিষা চাষে কৃষকদের উপ-সহকারী কর্মকর্তারা উদ্বুদ্ধ করেছেন।দিন দিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বাজারে সয়াবিন তেলের দাম। ফলে সয়াবিন তেলের পরিবর্তে সরিষা তেলের ব্যবহার বাড়ানোর জন্যই মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা।চলতি বছরে ১টি পৌরসভাা ও ৭টি ইউনিয়নে মিলে ২২১০হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে । যা গতবারের চেয়ে ১’শ হেক্টর বেশি। তবে অন্যান্য ফসলের চেয়ে সরিষা চাষে সময় ও উৎপাদন খরচ কম লাগায় কৃষকেরা এই ফসলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছেন।এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন,সরিষা তেলের উৎপাদন বাড়াতে এবার আগে থেকেই ব্যাপক প্রচার প্রচারণা সহ কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। ফলশ্রুতিতে এবার গতবারের চেষেও সরিষার আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছর প্রায় ২২১০হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। এই এলাকার কৃষক যত বেশি সরিষার চাষ করবে ততবেশি সরিষা তেলের চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।সরিষা চাষে তেলের চাহিদা পুরনের পাশাপাশি জ্বালানির চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে বলে তিনি মনে করেন।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

বগুড়ায় অসুস্থ সাংবাদিক মুসা’র শয্যা’র পাশে জাসাস নেতা শফিক ও ছোটন

২২১০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ,সোনাতলায় হলুদের ঢেউয়ে ঢেকে গেছে দিগন্ত 

প্রকাশিত: ১০:২৪:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়া সোনাতলায় ২২১০হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ করছেন কৃষক। কৃষক বলছে আবহাওয়া যদি অনুকূলে থাকে এবং গাছের শাখা প্রশাখা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে তাতে করে এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষিবিদদের মতে এই উপজেলার সিংহভাগ জমি বন্যায় নিমজ্জিত থাকায় পলি পরে উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পায়। এরফলে বন্যা পরবর্তীতেই উপজেলার কৃষকেরা ফসল হিসেবে সরিষার আবাদ করে। এই কারণে বাম্পার ফলনের  সম্ভাবনা বেশি থাকে। বিশেষ করে উপজেলার মধুপুর,তেকানী ঢুকাইনগর ও পাকুল্লা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল সহ অন্যান্য  ইউনিয়নেও সরিষার ব্যাপক চাষ করেছেন কৃষক। যমুনা ও বাঙালি নদীর জেগে ওঠা চরে সরিষার চাষ দেখে যে কারো মনে হবে হলুদের ঢেউয়ে একবারেই ঢেকে গেছে দিগন্ত জুড়ে।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রমতে, এবছর আগাম সরিষা চাষে কৃষকদের উপ-সহকারী কর্মকর্তারা উদ্বুদ্ধ করেছেন।দিন দিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বাজারে সয়াবিন তেলের দাম। ফলে সয়াবিন তেলের পরিবর্তে সরিষা তেলের ব্যবহার বাড়ানোর জন্যই মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা।চলতি বছরে ১টি পৌরসভাা ও ৭টি ইউনিয়নে মিলে ২২১০হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে । যা গতবারের চেয়ে ১’শ হেক্টর বেশি। তবে অন্যান্য ফসলের চেয়ে সরিষা চাষে সময় ও উৎপাদন খরচ কম লাগায় কৃষকেরা এই ফসলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছেন।এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন,সরিষা তেলের উৎপাদন বাড়াতে এবার আগে থেকেই ব্যাপক প্রচার প্রচারণা সহ কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। ফলশ্রুতিতে এবার গতবারের চেষেও সরিষার আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছর প্রায় ২২১০হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। এই এলাকার কৃষক যত বেশি সরিষার চাষ করবে ততবেশি সরিষা তেলের চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।সরিষা চাষে তেলের চাহিদা পুরনের পাশাপাশি জ্বালানির চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে বলে তিনি মনে করেন।