১০:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বোতলজাত গ্যাস উধাও,সোনাতলায় বাড়তি দামেও মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার 

  • প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৯:৩৮:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

বিকাশ স্বর্ণকার,সোনাতলাঃ বগুড়া সোনাতলায় বাড়তি দামেও মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার। সরেজমিনে গেলে দোকানীদের কাছে গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে আসা ক্রেতাকে ফিরিয়ে দিতে দেখা গেছে। দোকানীদের সাথে কথা বললে তারা জানান গত সপ্তাহ খানেক ধরে কোন কোম্পানিই গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করছেনা। যদিও নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক দোকানী জানান চুপে চাপে বেশি দামে কিছু সিলিন্ডার এনে বাড়তি দামেই বিক্রি করছি। স্থানীয়রা জানান ঘুরেও কোন দোকানেই মিলছেনা বিভিন্ন কোম্পানির বোতলজাত গ্যাস।মনে হচ্ছে সোনাতলা থেকে উধাও হয়ে গেছে বোতলজাত গ্যাস।সুত্রে মতে নতুন বছরের শুরুতেই এলপি গ্যাসের দাম ৫৩টাকা বাড়িয়ে প্রতি ১২কেজি সিলিন্ডারের দাম ১হাজার ৩’শ ৬০টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এদিকে গ্যাস সিলিন্ডার সংকটের বিষয় জানতে চাইলে যমুনা গ্যাস কোঃ গাবতলী ডিলারের ম্যানেজার রাহাত বলেন কোম্পানির কাছ থেকে আপাতত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।বিএম গ্যাস কোঃ মোকামতলার ডিলার এর ড্রাইভার জানান কোম্পানির কাছে টাকা দিয়ে রেখেছি আমরা তারা এখন পর্যন্ত গ্যাস ডেলিভারি দেয়নি।কবে স্বাভাবিক হবে জানতে চাইলে তিনি বলতে পারবোনা বলে ফোনটি কেটে দেন। বসুন্ধরা কোঃ সোনাতলা ডিলার খালেক এর কাছে সিঃ রিপোর্টার রেজাউল করিম মানিক মুঠোফোনে গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে চাইলে তিনি ১৫’শ টাকা ও খালি বোতলটি পাঠাতে বলেন।নাজমুল হাসান জানান সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের খরচে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের(এলপিজি)দাম বাড়ানোয় বর্তমান সময়ে সংসারের হিসেব নিকেশে বেশ গরমিল দেখা দিবে।যদিও গত রোববার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই মূল্য ঘোষণা করেছেন।ফেরদৌস আহমেদ জানান গতকাল দুপুরে গ্যাস ফুরিয়ে গেলে আমি পুরো বাজার ঘুরেও গ্যাস ভর্তি বোতল মিলাতে পারিনি।যে দোকানেই গিয়েছি সেই দোকানদার সাফ জানিয়েছেন গ্যাস নেই। তবে পরে এক দোকান থেকে ১৬’শ টাকায় গ্যাস ভর্তি বোতল নিয়ে আসি।সোবাহান হোসেন বলেন,প্রতিটি বিক্রেতার কাছে গ্যাস সিলিন্ডার মজুত আছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে দোকানীরা বলে জানিয়েছেন তিনি।অভিযোগ আছে শহরের বিভিন্ন দোকানীরা কৃতিম সংকটে ফেলেছেন অতিরিক্ত মুনাফার আসায়। এদিকে প্রসাশন নজরদারির উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন অনেকেই তাতে করে কেটে যাবে সংকট।বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্বীকৃতি প্রামাণিক এর নজরে আনলে তিনি বলেন আমি আপনার মাধ্যমে অবগত হলাম। তবে উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্ৰহন করা হবে।

Tags:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক সম্পর্কে

শিরোনাম

বগুড়ায় অসুস্থ সাংবাদিক মুসা’র শয্যা’র পাশে জাসাস নেতা শফিক ও ছোটন

বোতলজাত গ্যাস উধাও,সোনাতলায় বাড়তি দামেও মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার 

প্রকাশিত: ০৯:৩৮:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

বিকাশ স্বর্ণকার,সোনাতলাঃ বগুড়া সোনাতলায় বাড়তি দামেও মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার। সরেজমিনে গেলে দোকানীদের কাছে গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে আসা ক্রেতাকে ফিরিয়ে দিতে দেখা গেছে। দোকানীদের সাথে কথা বললে তারা জানান গত সপ্তাহ খানেক ধরে কোন কোম্পানিই গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করছেনা। যদিও নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক দোকানী জানান চুপে চাপে বেশি দামে কিছু সিলিন্ডার এনে বাড়তি দামেই বিক্রি করছি। স্থানীয়রা জানান ঘুরেও কোন দোকানেই মিলছেনা বিভিন্ন কোম্পানির বোতলজাত গ্যাস।মনে হচ্ছে সোনাতলা থেকে উধাও হয়ে গেছে বোতলজাত গ্যাস।সুত্রে মতে নতুন বছরের শুরুতেই এলপি গ্যাসের দাম ৫৩টাকা বাড়িয়ে প্রতি ১২কেজি সিলিন্ডারের দাম ১হাজার ৩’শ ৬০টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এদিকে গ্যাস সিলিন্ডার সংকটের বিষয় জানতে চাইলে যমুনা গ্যাস কোঃ গাবতলী ডিলারের ম্যানেজার রাহাত বলেন কোম্পানির কাছ থেকে আপাতত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।বিএম গ্যাস কোঃ মোকামতলার ডিলার এর ড্রাইভার জানান কোম্পানির কাছে টাকা দিয়ে রেখেছি আমরা তারা এখন পর্যন্ত গ্যাস ডেলিভারি দেয়নি।কবে স্বাভাবিক হবে জানতে চাইলে তিনি বলতে পারবোনা বলে ফোনটি কেটে দেন। বসুন্ধরা কোঃ সোনাতলা ডিলার খালেক এর কাছে সিঃ রিপোর্টার রেজাউল করিম মানিক মুঠোফোনে গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে চাইলে তিনি ১৫’শ টাকা ও খালি বোতলটি পাঠাতে বলেন।নাজমুল হাসান জানান সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের খরচে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের(এলপিজি)দাম বাড়ানোয় বর্তমান সময়ে সংসারের হিসেব নিকেশে বেশ গরমিল দেখা দিবে।যদিও গত রোববার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই মূল্য ঘোষণা করেছেন।ফেরদৌস আহমেদ জানান গতকাল দুপুরে গ্যাস ফুরিয়ে গেলে আমি পুরো বাজার ঘুরেও গ্যাস ভর্তি বোতল মিলাতে পারিনি।যে দোকানেই গিয়েছি সেই দোকানদার সাফ জানিয়েছেন গ্যাস নেই। তবে পরে এক দোকান থেকে ১৬’শ টাকায় গ্যাস ভর্তি বোতল নিয়ে আসি।সোবাহান হোসেন বলেন,প্রতিটি বিক্রেতার কাছে গ্যাস সিলিন্ডার মজুত আছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে দোকানীরা বলে জানিয়েছেন তিনি।অভিযোগ আছে শহরের বিভিন্ন দোকানীরা কৃতিম সংকটে ফেলেছেন অতিরিক্ত মুনাফার আসায়। এদিকে প্রসাশন নজরদারির উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন অনেকেই তাতে করে কেটে যাবে সংকট।বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্বীকৃতি প্রামাণিক এর নজরে আনলে তিনি বলেন আমি আপনার মাধ্যমে অবগত হলাম। তবে উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্ৰহন করা হবে।